ভূগোল এবং পরিবেশ • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৩
ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন
বাংলাদেশের ঋতু | স্থায়িত্বকাল
D | ৩ মাস
E | ৪ মাস
F | ৫ মাস
- ক)(1)
জলবায়ু কাকে বলে?
- খ)(2)
বাংলাদেশের নদীগুলোর নাব্যতা কমে যাচ্ছে কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
'E' খঋতুটির বর্ণনা দাও।
- ঘ)(4)
'D' ও 'F' ঋতুদ্বয়ের মধ্যে কোনটিতে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব অধিক? মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
কোনো স্থানের দীর্ঘ সময়ের (সাধারণত ৩০-৩৫ বছরের) আবহাওয়ার গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
- খ)
বাংলাদেশের নদীগুলোর নাব্যতা কমে যাওয়ার কারণ:
১. উজান থেকে বয়ে আসা পলি নদীর তলদেশে জমে তলদেশ ভরাট হয়ে যাচ্ছে।
২. উজানে বাঁধ বা পানি প্রত্যাহারের ফলে শুষ্ক মৌসুমে নদীতে পানির প্রবাহ কমে যায়।
৩. নদী দখল ও বর্জ্য ফেলার কারণে নদীর গভীরতা কমছে।
৪. পাহাড় ও বন উজাড় হওয়ায় ভূমিক্ষয় বেড়ে বেশি পলি নদীতে জমছে। - গ)
ছকে ঋতুর স্থায়িত্ব ৩, ৪ ও ৫ মাস। বাংলাদেশের তিন ঋতুর বিভাগে গ্রীষ্ম (মার্চ-মে) ৩ মাস, শীত (নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি) ৪ মাস এবং বর্ষা (জুন-অক্টোবর) ৫ মাস। তাই 'E' হলো শীতকাল।
১. সময়: নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি।
২. তাপমাত্রা: এ সময় তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে, গড় প্রায় ১৭-১৮° সে.। জানুয়ারি সবচেয়ে ঠান্ডা মাস।
৩. বায়ুপ্রবাহ: উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু স্থল থেকে সাগরের দিকে প্রবাহিত হয়। এ বায়ু শুষ্ক।
৪. বৃষ্টিপাত: বৃষ্টি খুবই কম। আকাশ প্রায় মেঘমুক্ত থাকে এবং কখনও কুয়াশা পড়ে। - ঘ)
'D' (গ্রীষ্ম) ও 'F' (বর্ষা)-এর মধ্যে 'F' ঋতুতে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব অধিক।
১. বর্ষাকালে বায়ু: জুন থেকে অক্টোবরে বঙ্গোপসাগর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রচুর জলীয় বাষ্প নিয়ে স্থলভাগে প্রবাহিত হয়।
২. বৃষ্টিপাত: এই বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশের বার্ষিক বৃষ্টিপাতের সিংহভাগ এ ঋতুতেই হয়।
৩. গ্রীষ্মে অবস্থা: গ্রীষ্মকালে মৌসুমি বায়ু পুরোপুরি সক্রিয় হয় না। এ সময় ঝড়-বৃষ্টি কালবৈশাখীর মতো স্থানীয় কারণে বেশি ঘটে।সুতরাং, বর্ষাকালেই মৌসুমি বায়ুর প্রভাব সবচেয়ে বেশি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও