ভূগোল এবং পরিবেশ • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৩
ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন
স্তর | উপাদান
X | সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম
Y | সিলিকা, ম্যাগনেসিয়াম, লোহা
Z | নিকেল, পারদ, লোহা
- ক)(1)
দোয়াব কাকে বলে?
- খ)(2)
প্লাবন সমভূমি বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
X চিহ্নিত স্তরটির বর্ণনা দাও।
- ঘ)(4)
Y ও Z চিহ্নিত স্তর দুটির তুলনামূলক আলোচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
প্রবহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।
- খ)
বর্ষাকালে পানি বেড়ে নদীর দুই তীর প্লাবিত হয়ে বন্যা হয়। বন্যা শেষে নদীর দুই পাশে পুরু স্তর কাদা ও পলি জমে। বহু বছর ধরে পলি জমতে জমতে যে বিস্তৃত সমভূমি গঠিত হয়, তাকে প্লাবন সমভূমি বলে। বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চলই নদীবাহিত প্লাবন সমভূমি।
- গ)
ছকের X চিহ্নিত স্তরের উপাদান সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম, তাই এটি ভূত্বক (Earth's Crust)। এর বর্ণনা:
১. ভূপৃষ্ঠে শিলার কঠিন বহিরাবরণ। ভূভ্যন্তরের স্তরগুলোর মধ্যে এর পুরুত্ব সবচেয়ে কম, গড়ে প্রায় ২০ কিমি।
২. মহাদেশের তলদেশে গড় পুরুত্ব ৩৫ কিমি এবং সমুদ্র তলদেশে মাত্র ৫ কিমি।
৩. মহাদেশীয় অংশে সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al) সমৃদ্ধ সিয়াল স্তর। এর নিচে ভারী সিলিকন (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Mg) সমৃদ্ধ সিমা স্তর। - ঘ)
Y স্তরের উপাদান সিলিকা, ম্যাগনেসিয়াম, লোহা, তাই এটি গুরুমণ্ডল। Z স্তরের উপাদান নিকেল, পারদ, লোহা, তাই এটি কেন্দ্রমণ্ডল। দুটির তুলনা:
১. অবস্থান: গুরুমণ্ডল ভূত্বকের নিচে। কেন্দ্রমণ্ডল গুরুমণ্ডলের নিচ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র পর্যন্ত।
২. পুরুত্ব: গুরুমণ্ডল প্রায় ২,৮৮৫ কিমি। কেন্দ্রমণ্ডল প্রায় ৩,৪৮৬ কিমি।
৩. গঠন: গুরুমণ্ডল মূলত ব্যাসল্ট শিলায় গঠিত এবং সিলিকা, ম্যাগনেসিয়াম, লোহা, কার্বন সমৃদ্ধ। কেন্দ্রমণ্ডলের তরল বহিরাবরণ (প্রায় ২,২৭০ কিমি) ও কঠিন অন্তঃভাগ (প্রায় ১,২১৬ কিমি) আছে; প্রধান উপাদান নিকেল ও লোহা।
৪. ভাগ: গুরুমণ্ডল ঊর্ধ্ব ও নিম্ন গুরুমণ্ডলে ভাগ করা হয়।সুতরাং, গুরুমণ্ডল সিলিকেট ও ব্যাসল্টসমৃদ্ধ, আর কেন্দ্রমণ্ডল ভারী ধাতু (নিকেল-লোহা) সমৃদ্ধ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও