‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • নাগরিক সমস্যা ও আমাদের করণীয় • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

মি. 'P' একজন অসাধু ব্যবসায়ী। ব্যবসায় অধিক মুনাফার জন্য তিনি পণ্যে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করেন। সম্প্রতি আদালত তাকে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের জন্য জরিমানা করে।

  1. ক)

    'HIV'-এর পূর্ণরূপ কী?

    (1)
  2. খ)

    বিশেষ চাহিদার জনগোষ্ঠী বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের 'P' এর কর্মকাণ্ড কোন নাগরিক সমস্যাকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে প্রতিফলিত নাগরিক সমস্যা সমাধানে তোমার সুপারিশ দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    HIV-এর পূর্ণরূপ হলো Human Immunodeficiency Virus।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিশেষ চাহিদার জনগোষ্ঠী বলতে শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিভিত্তিক বা সামাজিক প্রতিকূলতার কারণে সাধারণ মানুষের চেয়ে আলাদা যত্ন, সেবা ও সুযোগ-সুবিধার প্রয়োজন হয় এমন জনগোষ্ঠীকে বোঝায়। এর মধ্যে শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক শিশু এবং প্রবীণ ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত, যাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার জন্য সমাজে বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে মি. 'P'-এর কর্মকাণ্ড নাগরিক সমস্যা হিসেবে 'খাদ্যে ভেজাল' দেওয়ার মতো ঘৃণ্য অপরাধকে নির্দেশ করে।

    অধিক মুনাফার আশায় খাদ্যদ্রব্যে বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ, বিষাক্ত রং, ফরমালিন বা কার্বাইড মেশানো হলো খাদ্যে ভেজাল। উদ্দীপকে দেখা যায়, ব্যবসায়ী মি. 'P' ব্যবসায় অধিক মুনাফা লাভের জন্য পণ্যে মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দেয়, যেমন—ক্যান্সার, কিডনি নষ্ট হওয়া, লিভারের ক্ষতিসহ নানা জটিল রোগ সৃষ্টি করে। এটি নাগরিক জীবনের সুস্থতা ও নিরাপত্তার ওপর বড় ধরনের হুমকি। সুতরাং, মি. 'P'-এর কার্যকলাপ খাদ্যে ভেজাল সংক্রান্ত নাগরিক সমস্যাকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে প্রতিফলিত 'খাদ্যে ভেজাল' নামক নাগরিক সমস্যা সমাধানে আমার সুপারিশসমূহ নিচে দেওয়া হলো:

    ১. আইনের কঠোর প্রয়োগ: নিরাপদ খাদ্য আইন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের কঠোর ও নিরপেক্ষ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও জরিমানার ব্যবস্থা করতে হবে।
    ২. নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা: বাজারগুলোতে পণ্যের মান পরীক্ষার জন্য পর্যাপ্ত পরীক্ষাগার স্থাপন এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।
    ৩. ব্যবসায়ীদের নৈতিকতা ও সচেতনতা বৃদ্ধি: অধিক মুনাফার লোভ ত্যাগ করে ব্যবসায়িক সততা বজায় রাখার জন্য ব্যবসায়ী সমিতিগুলোর মাধ্যমে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাতে হবে।
    ৪. ভোক্তাদের সচেতনতা: নাগরিক ও ক্রেতাদের মেয়াদোত্তীর্ণ, অস্বাস্থ্যকর ও রাসায়নিকযুক্ত খাবার বর্জন ও সনাক্তকরণ সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।
    ৫. সমন্বিত তদারকি: বিএসটিআই, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে হবে।

    উল্লিখিত পদক্ষেপসমূহ বাস্তবায়নের মাধ্যমে খাদ্যে ভেজালের মতো মারাত্মক নাগরিক সমস্যা অনেকাংশেই দূর করা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন