পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Combined Board • সমন্বিত বোর্ড ২০১৮
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
'ক' রাষ্ট্রের জন্মের পর রাষ্ট্রটি একটি আন্তর্জাতিক সাথার সদস্যপদ লাজ করে। সংস্থাটি আন্তর্জাতিক শাস্তি ও নিরাপত্তা ও করার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য চেস্টা করে।
- ক)(1)
ওআইসি কী?
- খ)(2)
কমনওয়েলথ বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংস্থা বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের মধে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সৃষ্টির জন্য কাজ করছে- তুমি কি একম তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ওআইসি (OIC) হলো অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (Organisation of Islamic Cooperation), যা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশসমূহের সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কমনওয়েলথ হলো অতীতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল এমন স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ নিয়ে গঠিত একটি স্বেচ্ছাসেবী আন্তর্জাতিক সংস্থা। এর সদর দপ্তর লন্ডনে অবস্থিত এবং এর মূল লক্ষ্য হলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, গণতন্ত্রের চর্চা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করা।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের সাথে আমার পঠিত আন্তর্জাতিক সংস্থা 'জাতিসংঘ'-এর সাদৃশ্য রয়েছে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত সংস্থাটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কাজ করে। ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘেরও মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বশান্তি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষা করা এবং আন্তর্জাতিক বিরোধসমূহের শান্তিপূর্ণ সমাধান করা। কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভের পর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও শান্তির সুরক্ষায় জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে, যেমন বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করেছিল। সুতরাং উদ্দীপকের সংস্থাটির সাথে জাতিসংঘের স্পষ্ট সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংস্থা জাতিসংঘ বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সৃষ্টির জন্য কাজ করছে— এই বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।
জাতিসংঘ সনদের ১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো সকল জাতির মধ্যে সমঅধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের ভিত্তিতে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা। জাতিসংঘ কেবল রাজনৈতিক বিরোধ মীমাংসাই করে না, বরং এর বিভিন্ন অঙ্গসংস্থা (যেমন- UNESCO, UNICEF, WHO, UNDP ইত্যাদি)-এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবাধিকার ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
বিশ্বের কোনো অঞ্চলে যুদ্ধ বা সংকট দেখা দিলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের মাধ্যমে শান্তি বজায় রাখে এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্য রক্ষা করে। এ ছাড়া পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন রোধ ও বৈশ্বিক দারিদ্র্য বিমোচনে আন্তর্জাতিক সংহতি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। তাই বলা যায়, বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সৃষ্টি ও টিকিয়ে রাখতে জাতিসংঘের ভূমিকা অনন্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও