সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

দৃশ্যকল্প-১দৃশ্যকল্প-২

মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ।

৬৬' এর হয় দফা ৬৯' এর গণ অভ্যুত্থান ৭০' এর নির্বাচন ৭১' এর মুক্তিযুদ্ধ

  1. ক)

    কত সালে প্রাদেশিক নির্বাচন হয়েছিল?

    (1)
  2. খ)

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    দৃশ্যকল্প-১-এ কোন ভাষণের অংশটুকু উদ্ধৃত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    দৃশ্যকল্প-২ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঐতিহাসিক তাৎপর্য বহন করে- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯৫৪ সালে পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ঢাকার রাজপথে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকে বুকের রক্ত ঢেলে দেন। ভাষা শহীদদের এই আত্মত্যাগকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়ে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করে। বিশ্বের সব মাতৃভাষার সংরক্ষণ ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-১-এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক '৭ই মার্চের ভাষণ'-এর অংশটুকু উদ্ধৃত করা হয়েছে।

    ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লক্ষ লক্ষ জনতার উপস্থিতিতে মুক্তিকামী বাঙালি জাতিকে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেন।

    উদ্ধৃত চরণটি—"মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ"—ছিল বঙ্গবন্ধুর সেই কালজয়ী ৭ই মার্চের ভাষণের অন্যতম তেজোদৃপ্ত অংশ। এই বক্তব্যের মাধ্যমেই বাঙালি জাতি চূড়ান্ত মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা ও স্বাধীনতা অর্জনের দিকনির্দেশনা পেয়েছিল।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-২-এ উল্লেখিত পর্যায়গুলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের ধারাবাহিক ঐতিহাসিক পটভূমি ও তাৎপর্য বহন করে—উক্তিটি সম্পূর্ণ যথার্থ।

    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, বরং তা ছিল দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল। দৃশ্যকল্প-২-এ ধারাবাহিক চারটি মাইলফলক উল্লেখ করা হয়েছে: ১৯৬৬ সালের ছয় দফা, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।

    বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ১৯৬৬ সালের ৬-দফা ছিল বাঙালির 'ম্যাগনাকার্টা' বা মুক্তির সনদ, যা বাঙালিকে স্বাধিকারের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ করে। এরপর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রেক্ষাপটে গড়ে ওঠা ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের পতন ঘটায় এবং জাতীয়তাবোধকে তীব্র করে তোলে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে বাঙালি জাতি নিজেদের স্বাধীনতার দাবিকে গণতান্ত্রিকভাবে বৈধতা দেয়। সবশেষে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতা হস্তান্তরে অনীহা ও গণহত্যার মুখে ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে চূড়ান্ত স্বাধীনতা ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।

    সুতরাং, দৃশ্যকল্প-২-এর ঘটনাপ্রবাহ ধারাবাহিকভাবে একটি পরাধীন জাতির স্বাধীনতার পথে চূড়ান্ত বিজয়ের ঐতিহাসিক মাইলফলকগুলোকে নির্দেশ করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন