সমাজকর্ম ২য় পত্র • সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা • Combined Board • ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১

সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন

'X' সমাজের সবচেয়ে প্রাচীন সামাজিক প্রতিষ্ঠান। বিবাহের মাধ্যমে এর সূচনা হয়। সন্তান জন্মদান, প্রতিপালন এবং নিরাপত্তায় এর ভূমিকা অতুলনীয়।

  1. ক)

    বিবাহ কী?

    (1)
  2. খ)

    ধর্মের একটি প্রভাব ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    'X' দ্বারা কোন সামাজিক প্রতিষ্ঠানকে বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত সামাজিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিবাহ হলো একটি সমাজস্বীকৃত ও আইনসম্মত চুক্তি, যার মাধ্যমে একজন পুরুষ ও একজন নারী বৈধভাবে দাম্পত্য জীবন গঠন করে এবং পরিবার প্রতিষ্ঠা করে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ধর্মের অন্যতম প্রধান প্রভাব হলো এটি সামাজিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে এবং মানুষের নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে। ধর্মীয় অনুশাসন ও অনুভূতির কারণে মানুষ অন্যায়, দুর্নীতি ও অপরাধমূলক কাজ থেকে বিরত থাকে এবং পরস্পর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'X' দ্বারা 'পরিবার' নামক সামাজিক প্রতিষ্ঠানকে বোঝানো হয়েছে।

    পরিবার হলো মানবসমাজের সবচেয়ে প্রাচীন ও মৌলিক সামাজিক প্রতিষ্ঠান। এটি এমন একটি ক্ষুদ্র সামাজিক সংগঠন যা সাধারণত বিবাহ, রক্ত বা দত্তক সূত্রের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং এর সদস্যরা পারস্পরিক দায়িত্ব ও স্নেহ-ভালোবাসায় আবদ্ধ থাকে।

    উদ্দীপকে বলা হয়েছে, 'X' সমাজের সবচেয়ে প্রাচীন সামাজিক প্রতিষ্ঠান, যার সূচনা হয় বিবাহের মাধ্যমে এবং যা সন্তান জন্মদান, প্রতিপালন ও নিরাপত্তায় অতুলনীয় ভূমিকা পালন করে। সমাজবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এই সমস্ত বৈশিষ্ট্য পরিবারের মৌলিক কাজের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিবাহবন্ধনের মাধ্যমেই একটি পরিবারের সূত্রপাত ঘটে এবং বংশরক্ষা ও সন্তানের সুষ্ঠু লালন-পালনের মাধ্যমেই পরিবার তার কার্যকারিতা টিকিয়ে রাখে। অতএব, 'X' প্রতিষ্ঠানটি হলো পরিবার।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত সামাজিক প্রতিষ্ঠানটি হলো 'পরিবার'। মানবজীবনে ও সমাজ গঠনে পরিবারের গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে এর গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. জৈবিক চাহিদা পূরণ ও বংশরক্ষা: পরিবার সমাজস্বীকৃত উপায়ে জৈবিক চাহিদা পূরণ করে এবং সন্তান জন্মদানের মাধ্যমে মানবজাতির অস্তিত্ব ও বংশধারা টিকিয়ে রাখে।
    ২. সামাজিকীকরণ: পরিবার শিশুর প্রথম পাঠশালা। পরিবারের সদস্যদের আচরণ, ভাষা, রীতিনীতি ও মূল্যবোধ অনুকরণের মাধ্যমে শিশুর সুষ্ঠু সামাজিকীকরণ ঘটে।
    ৩. অর্থনৈতিক নিরাপত্তা: পরিবার তার সদস্যদের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা দান করে।
    ৪. স্নেহ-ভালোবাসা ও মানসিক সমর্থন: পরিবার সদস্যদের মানসিক প্রশান্তি এবং ভালোবাসার আশ্রয়স্থল। সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করার মাধ্যমে এটি সদস্যদের মানসিক বিকাশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
    ৫. সামাজিক নিয়ন্ত্রণ ও মূল্যবোধ গঠন: পরিবার সদস্যদের মধ্যে নীতি-নৈতিকতা, শৃঙ্খলাবোধ এবং সমাজোপযোগী আচরণ শিক্ষা দিয়ে সামাজিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে।

    সুতরাং, ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশ এবং সমাজের স্থায়িত্ব ও শৃঙ্খলার জন্য পরিবারের ভূমিকা অপরিহার্য ও অনস্বীকার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন