ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
"রাইট কোং লি.” অতিরিক্ত মূলধনের প্রয়োজন হওয়ায় তা সংগ্রহ করার জন্য পুরাতন শেয়ারহোল্ডারদের অগ্রাধিকার দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ব্যবসায়ে লোকসানের কারণে প্রতিষ্ঠানটির ৫ কোটি টাকা দেনা হয়ে যায়, যা কোম্পানিটি পরিশোধে অক্ষম। এ অবস্থা নিরসনে তারা উপরোক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- ক)(1)
ন্যূনতম চাঁদা কী?
- খ)(2)
শেয়ার ও ঋণপত্রের মধ্যে পার্থক্য কী?
- গ)(3)
উদ্দীপকের কোম্পানিটি কোন ধরনের শেয়ার ইস্যু করতে চায়? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
অতিরিক্ত দেনার দায়ে কোম্পানিটি পরিচালনা সম্ভব না হলে সেটি কোন ধরনের অবসানে পড়বে? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোম্পানি গঠনের প্রাথমিক ব্যয় নির্বাহ এবং কারবার শুরুর জন্য যে পরিমাণ অর্থ শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে ন্যূনতম সংগ্রহ করা অপরিহার্য, তাকে ন্যূনতম চাঁদা বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
শেয়ার হলো কোম্পানির মূলধনের ক্ষুদ্রতম একক, পক্ষান্তরে ঋণপত্র হলো কোম্পানির গৃহীত ঋণের স্বীকৃতিস্বরূপ দলিল।
শেয়ারহোল্ডারগণ কোম্পানির মালিক হিসেবে বিবেচিত হন এবং তারা ব্যবসায় থেকে লভ্যাংশ ও ভোটাধিকার পান। অন্যদিকে, ঋণপত্রধারীরা কোম্পানির পাওনাদার বা ঋণদাতা, যারা প্রতিষ্ঠান লাভ বা লোকসান যাই করুক না কেন নির্দিষ্ট হারে সুদ পান এবং তাদের কোনো ভোটাধিকার থাকে না।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের কোম্পানিটি 'অধিকারযোগ্য শেয়ার' বা 'রাইট শেয়ার' (Right Share) ইস্যু করতে চায়।
বিদ্যমান পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি অতিরিক্ত মূলধন সংগ্রহের উদ্দেশ্যে যখন নতুন শেয়ার বাজারে না ছেড়ে বর্তমান সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে তাদের শেয়ারের আনুপাতিক হারে ক্রয়ের অগ্রাধিকার দিয়ে শেয়ার ইস্যু করে, তখন তাকে অধিকারযোগ্য শেয়ার বা রাইট শেয়ার বলে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, 'রাইট কোং লি.' অতিরিক্ত মূলধনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে বাইরে শেয়ার বিক্রি না করে পুরাতন শেয়ারহোল্ডারদের অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। আইনগতভাবে কোম্পানির অতিরিক্ত শেয়ার ক্রয়ে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের এই অগ্রাধিকারের অধিকারকে রাইট শেয়ারের আওতাভুক্ত করা হয়। সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি রাইট শেয়ার ইস্যু করতে চাচ্ছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
অতিরিক্ত দেনার দায়ে কোম্পানিটি পরিচালনা করা সম্ভব না হলে এটি 'আদালত কর্তৃক বাধ্যতামূলক অবসান'-এর আওতায় পড়বে।
১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ২৪১ ধারা অনুযায়ী বেশ কয়েকটি কারণে আদালত কর্তৃক কোম্পানির বাধ্যতামূলক বিলোপসাধন হতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান কারণ হলো কোম্পানির ঋণ বা দেনা পরিশোধে অক্ষমতা (Inability to pay debts)।
উদ্দীপকের 'রাইট কোং লি.' অতিরিক্ত লোকসানের কারণে ৫ কোটি টাকার ভারী দেনায় নিমজ্জিত হয়েছে এবং কোম্পানিটি এই ঋণ পরিশোধে সম্পূর্ণরূপে অক্ষম। অতিরিক্ত দেনা পরিশোধের বিকল্প পথ সফল না হলে পাওনাদারগণ তাদের পাওনা আদায়ের জন্য আইনের আশ্রয় নেবে। কোম্পানি আইনের বিধান অনুসারে কোনো কোম্পানি যদি নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে পাওনাদারের আইনসম্মত পাওনা পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তবে পাওনাদার বা অংশীদারদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত কোম্পানিটির বাধ্যতামূলক অবসানের নির্দেশ দেন। অতএব, ঋণ পরিশোধে অক্ষমতার কারণে রাইট কোং লি.-এর অবসান আদালত কর্তৃক বাধ্যবাধকতামূলক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও