‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৯

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

'ক' একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যার একটি নিরাপত্তা পরিষদ। ও একটি সাধারণ পরিষদ রয়েছে। যে কোনো শান্তিকামী রাষ্ট্র এর সদস্য হতে পারে। বিশ্বশান্তি রক্ষায় সংস্থাটিতে বাংলাদেশের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

  1. ক)

    BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ কী?

    (1)
  2. খ)

    জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    ‘ক’ সংস্থাটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য লেখো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের সর্বশেষ বাক্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ হলো Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (Non-Aligned Movement বা NAM) বলতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে যুক্তরাষ্ট্র বা সোভিয়েত ইউনিয়ন—কোনো পরাশক্তির সামরিক বা আদর্শিক জোটে অন্তর্ভুক্ত না হয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বৈদেশিক নীতি অনুসরণের আন্তর্জাতিক আন্দোলনকে বোঝায়। এটি পারস্পরিক ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা, অনাক্রমণ ও শান্তিমুখী সহাবস্থানের নীতিতে বিশ্বাসী।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' সংস্থাটি হলো জাতিসংঘ (United Nations)। নিরাপত্তা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের প্রধান দুটি অঙ্গসংস্থা।

    জাতিসংঘের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলো হলো:
    ১. আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা।
    ২. সকল রাষ্ট্রের সমান অধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা।
    ৩. আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সৃষ্টি করা।
    ৪. জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন নিশ্চিত করা।
    ৫. এসব অভিন্ন উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন জাতির কর্মকাণ্ডের মধ্যে সমন্বয় সাধনের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করা।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের সর্বশেষ বাক্যটি হলো: "বিশ্বশান্তি রক্ষায় সংস্থাটিতে বাংলাদেশের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয়"—উক্তিটি সম্পূর্ণ যথার্থ।

    জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ ১৯৮৮ সাল থেকে অংশগ্রহণ করে আসছে (ইউনিমগ মিশনে যোগদানের মাধ্যমে)। এরপর থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সাথে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশসমূহে শান্তি পুনরুদ্ধারে আত্মনিয়োগ করেছেন।

    বাংলাদেশ দীর্ঘ সময় ধরে জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনে সর্বোচ্চ বা অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে সুনাম বজায় রেখেছে। হাইতি, কঙ্গো, সিয়েরা লিওন, সুদান, মালি প্রভৃতি দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের পুনর্বাসনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। এমনকি সিয়েরা লিওনে শান্তিরক্ষীদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা ভাষাকে সে দেশের অন্যতম সরকারি ভাষার সম্মান দেওয়া হয়েছিল।

    অতএব, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শান্তি, স্থিতি ও মানবকল্যাণ নিশ্চিতকরণে জাতিসংঘের অধীনে বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা অনস্বীকার্য এবং অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন