কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র • বাংলাদেশের কৃষি • Combined Board • চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫

কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    কৃষি কী?

    (1)
  2. খ)

    কৃষকের জন্য উঠোন বৈঠক প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    চিত্র-২ এ প্রদর্শিত ফসলটি কোন ক্ষেত্রকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিত্র-১ এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যে জমি বা মাটির সদ্ব্যবহার করে উদ্ভিদ ও প্রাণী উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিপণন সংক্রান্ত সার্বিক কর্মকাণ্ডকে কৃষি বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কৃষকদের মধ্যে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও তথ্যের দ্রুত বিস্তার এবং বিভিন্ন সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য উঠোন বৈঠক প্রয়োজন।
    উঠোন বৈঠকে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও এলাকার কৃষকেরা একত্রিত হয়ে নির্দিষ্ট কোনো কৃষি সমস্যা, নতুন জাতের ফসলের চাষাবাদ পদ্ধতি, পোকা-মাকড় ও রোগবালাই দমন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি নিয়ে ঘরোয়া পরিবেশে সরাসরি আলোচনা করেন। এর মাধ্যমে কৃষকেরা নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারেন এবং সরাসরি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করে ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    চিত্র-২ এ প্রদর্শিত ফসলটি কৃষির ‘উদ্যান ফসল’ (Horticultural Crops) ক্ষেত্রকে নির্দেশ করে।

    যেসব ফসল সাধারণত তুলনামূলকভাবে কম জমিতে নিবিড় পরিচর্যা ও যত্ন সহকারে এবং প্রতিটি গাছের আলাদা যত্ন নিয়ে বাড়ির আশপাশে বা উদ্যানে চাষ করা হয়, সেগুলোকে উদ্যান ফসল বলে। ফল, শাকসবজি, ফুল ও মসলাজাতীয় ফসল উদ্যান ফসলের অন্তর্ভুক্ত।

    উদ্দীপকের চিত্র-২ এ একটি স্বতন্ত্র বৃক্ষ বা ফলগাছ সদৃশ উদ্ভিদের চিত্র দেখানো হয়েছে। উদ্যান ফসলের ক্ষেত্রে প্রতিটি উদ্ভিদের গোড়ায় মাটি দেওয়া, সার প্রয়োগ, সেচ ও ছাঁটাইয়ের মতো স্বতন্ত্র পরিচর্যা প্রয়োজন হয়। এটি এককভাবে চাষাবাদ বা নিবিড় তত্ত্বাবধানের প্রতীক। অতএব, চিত্র-২ এর ফসলটি উদ্যান ফসল ক্ষেত্রকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের চিত্র-১ এ কৃষির ‘মাঠ ফসল’ (Field Crops) নির্দেশ করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাঠ ফসলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অপরিসীম।

    ১. খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা: বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য যেমন ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি মাঠ ফসলের অন্তর্ভুক্ত। দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর মৌলিক খাদ্য ও ক্যালরির সিংহভাগ মাঠ ফসল থেকেই আসে।

    ২. কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাংলাদেশের গ্রামীণ জনশক্তির বিরাট একটি অংশ মাঠ ফসল চাষাবাদ, পরিচর্যা, ফসল কাটা, মাড়াই ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িত। ফলে এটি দেশের অন্যতম প্রধান কর্মসংস্থানের উৎস।

    ৩. কাঁচামাল সরবরাহ: পাট, তুলা, আখ, তামাক ইত্যাদি মাঠ ফসল দেশের বস্ত্রশিল্প, পাটশিল্প, চিনিশিল্পসহ বহু কৃষিভিত্তিক শিল্পের প্রধান কাঁচামাল জোগান দেয়।

    ৪. বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন: পাট ও পাটজাত পণ্য এবং চা আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে।

    ৫. জাতীয় আয় ও জিডিপিতে অবদান: বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষি খাতের যে বড় অবদান রয়েছে, তার প্রধান চালিকাশক্তি হলো মাঠ ফসল।

    অতএব, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দারিদ্র্য বিমোচন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে চিত্র-১ এ প্রদর্শিত মাঠ ফসলের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন