ভূগোল ২য় পত্র • Combined Board • কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২
ভূগোল ২য় পত্র প্রশ্ন
পৃথিবীতে ভিন্ন বৈচিত্র্যের সাতটি মহাদেশ রয়েছে। এদের মধ্যে সর্বাধিক জনসংখ্যা বসবাস করে 'ক' মহাদেশে।
- ক)(1)
মানব ভূগোলের সংজ্ঞা দাও।
- খ)(2)
অর্থনৈতিক ভূগোল মানব ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ শাখা- ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে 'ক' মহাদেশটির অবস্থান ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে 'ক' মহাদেশের সাথে ক্ষুদ্রতম মহাদেশকে রাজনৈতিক অঞ্চল হিসেবে তুলনামূলক আলোচনা কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ভূগোলের যে শাখায় ভূপৃষ্ঠের প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে মানুষের সম্পর্ক এবং মানুষের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যকলাপের স্থানিক বণ্টন আলোচনা করা হয়, তাকে মানব ভূগোল বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
অর্থনৈতিক ভূগোল মানব ভূগোলের একটি অপরিহার্য শাখা, কারণ মানুষের অস্তিত্ব ও জীবনযাত্রার মান নির্ভর করে তার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর। অর্থনৈতিক ভূগোল মানুষের সম্পদ আহরণ, উৎপাদন, ভোগ এবং বণ্টনব্যবস্থার ভৌগোলিক পর্যালোচনা করে। মানুষের অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপের ওপর পরিবেশের প্রভাব এবং পরিবেশের ওপর মানুষের প্রভাব বিশ্লেষণ করাই অর্থনৈতিক ভূগোলের মূল কাজ, যা মানব ভূগোলের লক্ষ্যকে স্পষ্ট করে তোলে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত সর্বাধিক জনসংখ্যার 'ক' মহাদেশটি হলো এশিয়া মহাদেশ।
ভৌগোলিক অবস্থান:
১. অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ: এশিয়া মহাদেশ মূলত উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। এটি প্রায় ১°১৬´ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ৭৭°৪১´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ২৬°০৪´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ১৬৯°৪০´ পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
২. চতুঃসীমা: এর উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর, পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর এবং পশ্চিমে ইউরোপ মহাদেশ ও লোহিত সাগর অবস্থিত। বেরিং প্রণালী একে উত্তর আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'ক' মহাদেশ হলো এশিয়া এবং পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাদেশ হলো ওশেনিয়া (বা অস্ট্রেলিয়া)। রাজনৈতিক অঞ্চল হিসেবে এদের তুলনামূলক আলোচনা নিম্নরূপ:
১. রাষ্ট্রের সংখ্যা ও সার্বভৌমত্ব: এশিয়া মহাদেশে প্রায় ৪৮টি সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র রয়েছে, যা নানা রাজনৈতিক মতাদর্শে (গণতন্ত্র, রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র) পরিচালিত। অপরদিকে, ওশেনিয়া মহাদেশে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডসহ প্রায় ১৪টি স্বাধীন দেশ এবং কয়েকটি নির্ভরশীল অঞ্চল রয়েছে।
২. বৈশ্বিক প্রভাব ও ভূরাজনীতি: এশিয়া ভূরাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ; এতে চীন, ভারত, রাশিয়ার মতো পরাশক্তি ও আঞ্চলিক মহাশক্তি রয়েছে। ওশেনিয়া অঞ্চলে অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক আধিপত্য বেশি এবং অঞ্চলটি তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ ভূরাজনীতির অন্তর্ভুক্ত।
৩. আঞ্চলিক সহযোগিতা: এশিয়ায় SAARC, ASEAN, SCO-এর মতো শক্তিশালী আঞ্চলিক জোট বিদ্যমান, পক্ষান্তরে ওশেনিয়া মহাদেশে Pacific Islands Forum (PIF) অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
সুতরাং, ভূরাজনৈতিক বিস্তৃতি, পরাশক্তির ভারসাম্য ও রাষ্ট্রসংখ্যার বিচারে এশিয়া ও ওশেনিয়ার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও