Combined Board কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২

30টি প্রশ্ন

  1. 1.

    জয়নগর একটি উন্নত অঞ্চল। এখানে যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতির ফলে অনেক অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা এ অঞ্চলে ব্যবসার জন্য আসে। উক্ত ব্যবসায়ীদের একটি দল অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল। তারা জয় নগরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কর্মে লিপ্ত হয়ে পড়ে এবং অঞ্চলটিতে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে।

  2. 2.

    রানি এলিজাবেথের সিংহাসনে আরোহণের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে রাজপ্রাসাদের একটি অংশ সাময়িক সময়ের জন্য দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। 'ক' সাহেব ও তার স্ত্রী রাজপ্রাসাদে বেড়াতে গেলে তারা দেখতে পান মহারানি ভিক্টোরিয়ার একটি ছবির নিচে লেখা 'ভারত সম্রাজ্ঞী'। স্ত্রীর প্রশ্নের জবাবে 'ক' সাহেব বলেন, ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে এক রাজকীয় ঘোষণায় ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতবর্ষের শাসনভার মহারানি ভিক্টোরিয়া স্বহস্তে গ্রহণ করেন।

  3. 3.

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে মুসলমানদের নিকট তুরস্কের সুলতানের খিলাফতের মর্যাদা ছিল অসীম। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্ক জার্মানির পক্ষে এবং ব্রিটেন জার্মানির বিপক্ষে অবস্থান নেয়। ফলে ব্রিটিশ উপনিবেশের অধীনস্ত মুসলমানেরা তুরস্কের বিপক্ষে যুদ্ধে ব্রিটিশ সৈন্যবাহিনীতে যোগদানে অস্বীকৃতি জানায়। ব্রিটিশরা ভারতীয় মুসলমানদের আশ্বস্ত করে যে, যুদ্ধে জয়ী হলে তারা তুরস্কের খিলাফতের ক্ষতিসাধন করবে না। কিন্তু প্যারিস শান্তি সম্মেলনে ব্রিটিশ সরকার তুরস্কের খিলাফত ও রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করে। ফলে ভারতীয় মুসলমানেরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং তাদের দাবির পক্ষে আন্দোলন গড়ে তোলে।

  4. 4.

    ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে আসামের বিধান সভায় অসমিয়া ভাষাকে আসামের একমাত্র দাপ্তরিক ভাষা করার প্রস্তাব উত্থাপিত হলে সেখানকার বিপুল সংখ্যক বাংলা ভাষাভাষী এর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। তারা বাংলাকেও অসমিয়া ভাষার সাথে অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা করার দাবি করে। আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে হরতাল চলাকালে শিলচর এলাকায় সাধারণ মানুষের মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে এগারো জন প্রাণ হারায়।

  5. 5.

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা সংগ্রামে জর্জ ওয়াশিংটনের সাংগঠনিক দক্ষতা, বাগ্মিতা, সমর কৌশল, দূরদৃষ্টি এবং জাতির প্রতি তাঁর ভালোবাসার কারণে তিনি চিরস্মরণীয়। ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে নিজ দেশের স্বাধীনতা অর্জনে তাঁর অবদান অপরিসীম। ফলে জাতি তার কাছে কৃতজ্ঞ।

  6. 6.

  7. 7.

    'ক' ও 'খ' বাবার সাথে রায়ের বাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ ঘুরতে যায়। সেখানে ২৫ মার্চের কালরাতের পৈচাশিক নিষ্ঠুরতা, মুক্তিযুদ্ধকালীন হানাদার পাকবাহিনীর বর্বরতা, বিজয়ের ঊষালগ্নে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দোসর রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী কর্তৃক দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকাণ্ডের কাহিনি শুনে তারা ভীষণভাবে বিচলিত ও মর্মাহত হয়। তবে বীর বাঙালির প্রতিরোধ যুদ্ধের গল্প শুনে তারা খুশি হয়।

  8. 8.

  9. 9.

    আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গেটিসবার্গ-এর ভাষণে বলেন, "The Government of the people, by the people, for the people"। এটি একটি কালজয়ী ভাষণ, যা চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।

  10. 10.

    'ক' রাষ্ট্রের সামরিক সরকার বর্বরতা ও গণহত্যার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ জনগোষ্ঠীকে দেশত্যাগে বাধ্য করে। নিরপরাধ এই বিশাল জনগোষ্ঠী তাদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য সীমান্ত অতিক্রম করে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় গ্রহণ করে। মানবিক কারণে দেশটি এই বিপুল সংখ্যক শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে বাধ্য হয়।

  11. 11.

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, যুদ্ধকালীন সময়ে জঘন্যতম হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করতে নুরেমবার্গ ট্রায়াল এবং টোকিও ট্রায়াল গঠন করা হয়। যারা যুদ্ধকালীন সময়ে নিরপরাধ লোকদের হত্যা, সম্পদ লুট ও ধর্ষণসহ অন্যান্য অপরাধে জড়িত ছিল তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা হয়।

  12. 12.

    হযরত উমর ফারুক (রা) ছিলেন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা। প্রজাবৎসল, জনদরদি এ. খলিফা জনগণের অবস্থা স্বয়ং অবগত হওয়ার জন্য রাতের বেলা ছদ্মবেশে মদিনা শহরে ঘুরে বেড়াতেন। জনসাধারণের সার্বিক কল্যাণ ও উন্নতি বিধানে তিনি নিরলস কাজ করেছেন। প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ তার অন্যতম অবদান। আমিরুল মুমেনিন হিসেবে তিনি সমধিক পরিচিত।

  13. 13.

    বাংলাদেশের ফুটবল জগতে আবাধনী স্পোর্টিং ক্লাব অত্যন্ত স্বপরিচিত। ক্লাবটি আবির্ভূত হয়ে একের পর এক শিরোপা জিততে না করে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নামকরা কয়েকজন অভিজ্ঞতে তাঁতশ খেলোয়াড়ের হাত ধরে দেশি-বিদেশি শিরোপা জয় করতে রতন হয়। বর্তমান অধিনায়কের দূরদর্শী নেতৃত্বে ও বিশ্বখ্যাত। খেলোয়াড়দের চোখ ধাঁধানো নৈপুণ্যে আবাহনী স্পোর্টিং ক্লাবটি বরিশালী প্রতিপক্ষদের হারিয়ে মূল্যবান ও মর্যাদাসম্পন্ন শিরোপা দুনিয়ে জানতে সক্ষম হয়। অবশ্যই এসব জয়ের পেছনে বর্তমান। অধিনায়কের চেয়ে পূর্বের অধিনায়কের ভূমিকাও কম নয়। কেননা রোমান অধিনায়ক একটি সুসংগঠিত দল পেয়েছিলেন।

  14. 14.

    সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দেশ হংকং। স্বাধীনতা লাভের পর দেশটির নেতা রাষ্ট্রের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কিত ৪৭টি ধারার সমন্বয়ে একটি সংবিধান প্রণয়ন করেন, যা রাষ্ট্রে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টিতে অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে।

  15. 15.

    রাশিদা বেগম 'বাংলাদেশ নারী অধিকার' নামক সংগঠনের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তিনি আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশে এমন একটি সময় ছিল যখন কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়া হতো। নারীদের কোনো অধিকার ছিল না। একজন পুরুষ একই সাথে একাধিক স্ত্রী রাখতে পারত। তাদের কোনো কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থা ছিল না। তারা একে অপরের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত থাকত। এসব সংঘর্ষ 'ভারতীয়দের দিন' নামে পরিচিত। তারা 'জোর যার মুল্লুক তার' নীতিতে বিশ্বাসী ছিল।

  16. 16.

    জনাব শাহজাহান খান কলাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি অত্যন্ত দয়ালু, সদাশয় ও জনদরদী ব্যক্তি এবং চারিত্রিক দিক দিয়ে ছিলেন সরল, অনাড়ম্বর, ধর্মানুরাগী ও কর্তব্যপরায়ণ। তিনি ইসলামি আদর্শ ও মূল্যবোধকে হৃদয়ে ধারণ করতেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে তিনি গরিব জনগণের বিভিন্ন খাজনা মওকুফ করেন এবং কর ব্যবস্থার সংস্কার করে শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি সাধন করেন। ভিন্ন মতাবলম্বীদের শাসনকার্যে নিয়োগ করে তিনি এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

  17. 17.

    পলাশীর যুদ্ধ বাংলার ভাগ্যাকাশে এক চরম বিপর্যয় ডেকে। আনে। ১৭৫৭ সালে সংঘটিত এ যুদ্ধে মীরজাফরের শঠতাপূর্ণ আচরণে বাংলার শেষ নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার পরাজয় ঘটে। এ যুদ্ধে মীরমদন, মোহনলাল যখন প্রাণপণ লড়াই করে নবাবের বিজয়কে সুনিশ্চিত করে তোলেন, তখনই মীরজাফর নবাবকে যুদ্ধ বন্ধ করতে পরামর্শ দেন। নবাব মীরজাফরকে বিশ্বাস করে যুদ্ধ বন্ধ করার ঘোষণা দেন। মীরজাফরের এ বিশ্বাসঘাতকতায় নবাবের পরাজয় ঘটে। ফলে ভারতবর্ষেইংরেজ ঔপনিবেশিক শাসনের সূত্রপাত ঘটে।

  18. 18.

    প্রাচীন রুশ দেশীয় একজন প্রজাহিতৈষী রাজা ছিলেন। তার মহানুভবতায় আকৃষ্ট হয়ে দেশের অভ্যন্তরে একদল মানুষ তাকে ঈশ্বরের সাথে তুলনা করতে থাকেন। এতে রাজা বিব্রতবোধ করেন। উক্ত আচরণ, থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে রাজা তাদের বন্দি করেন। তাদের বন্দি করার ফলে রাজা বড় ধরনের দুর্যোগের হাত হতে রক্ষা পায়। এর ফলে রাজ্যে বিশৃঙ্খলা দূরীভূত হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

  19. 19.

    লাবন্য তার পাঠ্যবই থেকে একজন সাহাবির জীবনী পাঠ করেছে। তিনি ছিলেন বয়স্ক পুরুষদের মধ্যে প্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী ব্যক্তি। তিনি অনেক বেশি নবি ভক্ত ছিলেন। তাকে ইসলামের ত্রাণকর্তা বলা হয়ে থাকে।

  20. 20.

    দিল্লির সুলতান মুহাম্মদ ঘুরির মৃত্যুর পর কুতুবউদ্দিন আইবেক সুলতান হিসেবে মনোনীত হন। তিনি দেশ জয়ের মাধ্যমে সাম্রাজ্যের পরিধিকে আরো বিস্তৃত করেন। তিনি শুধু একজন বিজেতাই ছিলেন না বরং একজন সফল প্রশাসকও ছিলেন। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে ব্যাপক সংস্কার সাধন করে একটি শক্তিশালী প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলেন। মূলত তার শাসনামলেই ভারতবর্ষে মুসলিম শাসন পূর্ণতা লাভ করে।

  21. 21.

    বাদশা সরফরাজ খান ছিলেন একজন সরলমনা ও প্রজাবৎসল, শাসক। তিনি সবসময় অহেতুক রক্তপাত এড়িয়ে যেতেন। তার এই সরলতার সুযোগ নিয়ে একদল বিপথগামী জনতা তার বিরুদ্ধে কতিপয় অভিযোগ এনে বিদ্রোহ শুরু করে। তিনি এ বিদ্রোহ কঠোর হস্তে দমন না। করায় আস্তে আস্তে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

  22. 22.

    হোয়াংহো নদীর তীরে চীন সভ্যতার গোড়াপত্তন হয়। হোয়াংহো নদীকে চীনের দুঃখ বলা হলেও এ নদী অধিবাসীদের জীবনে। বিশাল ভূমিকা রাখে। নদীর উভয় তীরে বাঁধ নির্মাণ করায় গ্রামগুলো বন্যামুক্ত হয় এবং পরিকল্পিত সেচ প্রকল্প চালু করায় কৃষি উৎপাদন, বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। চীনারা তাদের রাজাদের মৃতদেহ মমি করে রাখার জন্য ত্রিকোণাকার ঘর নির্মাণ করে সেখানে সংরক্ষণ করে। বর্তমানে যা কঠোর নিরাপত্তার সাথে সংরক্ষিত আছে।

  23. 23.

    সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।

  24. 24.

    রাকিব কুমিল্লার গ্রামের বাড়ি থেকে চট্টগ্রামে এসে তার বোনের বাসায় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করছে। তার ভগ্নিপতি একটি কোম্পানির চাকুরী নিয়ে পাঁচ বৎসর যাবৎ কুয়েতে অবস্থান করছে।

  25. 25.

    বর্তমান যান্ত্রিক সভ্যতাকে একটি শিল্পের নামে নামকরণ। করা হয়। উক্ত শিল্পজাত পণ্য ব্যতীত অন্য শিল্প স্থাপনের কথা চিন্তাও করা যায় না।

  26. 26.

  27. 27.

    বাংলাদেশের প্রধান শক্তি সম্পদটি দেশের জ্বালানী চাহিদার ৭০% এর বেশি পূরণ করে থাকে। পারিবারিক প্রয়োজন ছাড়াও এটি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

  28. 28.

    পৃথিবীতে ভিন্ন বৈচিত্র্যের সাতটি মহাদেশ রয়েছে। এদের মধ্যে সর্বাধিক জনসংখ্যা বসবাস করে 'ক' মহাদেশে।

  29. 29.

    বাগিচা কৃষির অন্তর্গত বাংলাদেশের একটি ফসল সিলেট অঞ্চলে বেশি উৎপাদিত হয়। কিন্তু ফসলটির বিশ্ব বাণিজ্য যুক্তরাজ্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

  30. 30.

    বাংলাদেশে সকল ফসল সব ঋতুতে উৎপন্ন হয় না। কিছু ফসল আছে যাদের উৎপাদনের স্থায়িত্বকাল সাধারণত শীত মৌসুম।