ভূগোল ২য় পত্র • Combined Board • কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২

ভূগোল ২য় পত্র প্রশ্ন

বাংলাদেশের প্রধান শক্তি সম্পদটি দেশের জ্বালানী চাহিদার ৭০% এর বেশি পূরণ করে থাকে। পারিবারিক প্রয়োজন ছাড়াও এটি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

  1. ক)

    পৃথিবীর কোন দেশ সর্বাধিক কয়লা উৎপাদন করে?

    (1)
  2. খ)

    খনিজ সম্পদ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে— ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে নির্দেশিত খনিজ সম্পদটির বণ্টন বাংলাদেশের মানচিত্রে দেখাও।

    (3)
  4. ঘ)

    বাংলাদেশের অর্থনীতিতে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত খনিজটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পৃথিবীর মধ্যে চীন সর্বাধিক কয়লা উৎপাদন করে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    খনিজ সম্পদ যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। শিল্পায়ন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উৎপাদন, যোগাযোগ ও অবকাঠামো নির্মাণে খনিজ সম্পদ অপরিহার্য। কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের মতো শক্তি সম্পদ শিল্প-কারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা করে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে নির্দেশিত খনিজ সম্পদটি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। বাংলাদেশে এর প্রধান প্রধান ক্ষেত্রগুলো মূলত দেশের পূর্বাঞ্চলে কেন্দ্রীভূত। পরীক্ষার্থীকে বাংলাদেশের মানচিত্র অঙ্কন করে নিম্নোক্ত প্রধান গ্যাসক্ষেত্রগুলোর অবস্থান চিহ্নিত করতে হবে:
    ১. সিলেট অঞ্চল: কৈলাশটিলা, রশিদপুর, হরিপুর, বিয়ানীবাজার।
    ২. ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চল: তিতাস ও বাখরাবাদ।
    ৩. হবিগঞ্জ অঞ্চল: হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র।
    ৪. কুমিল্লা ও অন্যান্য: মেঘনা, সালদা নদী।
    ৫. উপকূলীয় অঞ্চল: কুতুবদিয়া ও সাঙ্গু।
    মানচিত্রে এই ক্ষেত্রগুলো বিশেষ প্রতীক (যেমন- ত্রিভুজ বা গোল চিহ্ন) দ্বারা প্রদর্শন করতে হবে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত খনিজ সম্পদটি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, যা বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে:
    ১. বিদ্যুৎ উৎপাদন: বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের সিংহভাগই প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আসে।
    ২. শিল্প কারখানার জ্বালানি ও কাঁচামাল: এটি ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল। এছাড়া টেক্সটাইল, ইস্পাত, সিরামিক ও সিমেন্ট কারখানায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
    ৩. গার্হস্থ্য ও বাণিজ্যিক ব্যবহার: রান্নার জ্বালানি হিসেবে এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সাশ্রয়ী শক্তির উৎস।
    ৪. পরিবহন খাত: সিএনজি হিসেবে যানবাহনে ব্যবহারের ফলে জ্বালানি তেল আমদানির ওপর নির্ভরতা ও বৈদেশিক মুদ্রার খরচ হ্রাস পেয়েছে।
    অতএব, গ্যাস দেশের শিল্পায়ন, কৃষি ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন