‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • সুশাসন • দিনাজপুর সরকারি কলেজ • দিনাজপুর সরকারি কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

মাসুদ সাহেব একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সচেতন মানুষ। তিনি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সর্বদা আইন মান্য করেন এবং বিভিন্ন অপকর্ম থেকে বিরত থাকেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, উন্নতির জন্য সমাজে আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠা অত্যাবশ্যক।

  1. ক)

    সুনাগরিকের প্রধানতম গুণ কোনটি?

    (1)
  2. খ)

    সুশাসন কী?

    (2)
  3. গ)

    মাসুদ সাহেবের উল্লিখিত বিষয়টি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কতটুকু কার্যকর তা ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের উক্ত বিষয়টিই সুশাসন প্রতিষ্ঠায় একমাত্র ভূমিকা পালন করে'- তুমি কি এর সাথে একমত? যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সুনাগরিকের প্রধানতম গুণ হলো বুদ্ধি।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সুশাসন হলো এমন এক ধরনের কার্যকর শাসনব্যবস্থা, যেখানে আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, জনগণের অংশগ্রহণ, দক্ষ প্রশাসন এবং মানবাধিকার সুনিশ্চিত থাকে। এটি রাষ্ট্র ও সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে নিয়োজিত থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মাসুদ সাহেবের উল্লিখিত বিষয়টি হলো 'আইনের অনুশাসন', যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত কার্যকর।

    আইনের অনুশাসন বলতে বোঝায় আইনের চোখে সবাই সমান এবং বিনা বিচারে কাউকে শাস্তি দেওয়া যাবে না। উদ্দীপকে মাসুদ সাহেব একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সর্বদা আইন মেনে চলেন এবং সমাজে আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠাকে উন্নতির মূল চাবিকাঠি বলে মনে করেন।

    সুশাসন প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তিই হলো আইনের অনুশাসন। সমাজে আইনের শাসন থাকলে অপরাধ দমন সহজ হয়, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকল নাগরিকের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত থাকে এবং সমাজে সমতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    "উদ্দীপকের উক্ত বিষয়টিই সুশাসন প্রতিষ্ঠায় একমাত্র ভূমিকা পালন করে"- এই বক্তব্যের সাথে আমি একমত নই। কারণ আইনের অনুশাসন সুশাসন প্রতিষ্ঠার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলেও একমাত্র শর্ত নয়।

    সুশাসন একটি বহুমাত্রিক প্রত্যয়, যা নিশ্চিত করার জন্য আইনের অনুশাসনের পাশাপাশি একাধিক অপরিহার্য উপাদানের প্রয়োজন হয়। যেমন:
    ১. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: সরকারি ও বেসরকারি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা এবং জনগণের নিকট প্রশাসনের জবাবদিহিতা সুশাসনের অন্যতম প্রধান শর্ত।
    ২. দক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন: প্রশাসনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে দক্ষতা এবং দুর্নীতিমুক্ত ব্যবস্থা ছাড়া সুশাসন প্রতিষ্ঠা অসম্ভব।
    ৩. নাগরিক অংশগ্রহণ: সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক সুশাসনকে শক্তিশালী করে।
    ৪. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা: নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা এবং স্বাধীন মতামত প্রকাশের সুযোগ আইনের শাসনকে কার্যকর রাখতে সাহায্য করে।

    সুতরাং, আইনের অনুশাসন সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলেও এটিই একমাত্র উপাদান নয়; অন্যান্য গণতান্ত্রিক ও প্রশাসনিক উপাদানের সমন্বয়েই প্রকৃত সুশাসন অর্জিত হয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন