‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা • মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

ক' রাষ্ট্রের জনগণ কিছু সুযোগ সুবিধা ভোগ করলেও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার, চলাফেলার অধিকার, চিন্তা ও মত প্রকাশের অধিকার, খ্যাতি ও সম্মান লাভের অধিকার থেকে বঞ্চিত। ফলে রাষ্ট্রের জনগণ প্রায়ই আন্দোলন করে তাদের অধিকার আদায়ের চেষ্টা করে।

  1. ক)

    কর্তব্য কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    অর্থনৈতিক অধিকার বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' রাষ্ট্রের কোন ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত অধিকারের নিশ্চয়তা 'ক' রাষ্ট্রের জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে। বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিকের রাষ্ট্রের প্রতি যে দায়িত্ব পালন করতে হয়, তাকে কর্তব্য বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অর্থনৈতিক অধিকার বলতে এমন সুযোগ-সুবিধাকে বোঝায়, যা নাগরিককে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা প্রদান করে এবং অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টি করে। যেমন—কর্মের অধিকার, উপযুক্ত পারিশ্রমিক লাভের অধিকার, বিশ্রাম ও অবকাশের অধিকার ইত্যাদি। এ অধিকার না থাকলে নাগরিক দারিদ্র্য ও অভাব-অনটনে জর্জরিত হয়ে পড়ে এবং স্বাধীন ব্যক্তিত্বের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' রাষ্ট্রের নাগরিকেরা মূলত 'সামাজিক অধিকার' বা 'নাগরিক স্বাধীনতা' থেকে বঞ্চিত।

    রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত যেসব অধিকার নাগরিকের সভ্য ও স্বাধীন জীবনযাপনের জন্য অপরিহার্য, সেগুলোকে সামাজিক অধিকার বলে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, চলাফেরার অধিকার, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা, এবং সম্মান ও মর্যাদা লাভের অধিকার।

    উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের জনগণ ব্যক্তি স্বাধীনতা, অবাধ চলাফেরা, স্বাধীন মত প্রকাশ এবং সম্মান লাভের সুযোগ থেকে বঞ্চিত। এ সমস্ত উপাদান নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশের মূলভিত্তি সামাজিক অধিকারেরই অংশ। সামাজিক অধিকারের অভাবে নাগরিকের স্বাভাবিক জীবনের নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ হয়, যার ফলে উদ্দীপকের জনগণ অধিকার আদায়ে আন্দোলন করতে বাধ্য হচ্ছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত সামাজিক অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা 'ক' রাষ্ট্রের জনগণের জীবনমান উন্নয়নে অত্যন্ত ইতিবাচক ও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে—উক্তিটি যথার্থ।

    সামাজিক অধিকার ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশ ও স্বাধীন জীবনযাপনের প্রধান ভিত্তি। কোনো রাষ্ট্রে যখন ব্যক্তি স্বাধীনতা, স্বাধীনভাবে চলাফেরা ও মতামত প্রকাশের অধিকার সুরক্ষিত থাকে, তখন নাগরিকদের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ ঘটে।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' রাষ্ট্রের জনগণ এসব মৌলিক সামাজিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ায় রাষ্ট্রটিতে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে এবং তারা আন্দোলন করছে। রাষ্ট্র যদি আইন ও সাংবিধানিক সুরক্ষার মাধ্যমে এই অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা দেয়, তবে জনগণ নির্ভয়ে নিজেদের মেধা ও শ্রমের সদ্ব্যবহার করতে পারবে। চিন্তা ও মত প্রকাশের অধিকার থাকলে সরকারের ভুলত্রুটি সংশোধনের সুযোগ তৈরি হয় এবং সমাজে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। ফলে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা হ্রাস পাবে এবং জনগণের জীবনমান বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

    অতএব, ব্যক্তি স্বাধীনতা ও সামাজিক অধিকারের সার্বিক নিশ্চয়তা ব্যতীত জনগণের প্রকৃত ও টেকসই জীবনমান উন্নয়ন সম্ভব নয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন