যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৪

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

ঈশিতা বললো, 'কোনো মানুষ নয় জ্ঞানী।' অর্পিতা বললো, 'কিছু কিছু মানুষ হয় ধনী।'

  1. ক)

    'Terminus' শব্দের অর্থ কী?

    (1)
  2. খ)

    পিতা-পুত্র সাপেক্ষ পদ কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে ঈশিতার বক্তব্য কোন ধরনের যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ঈশিতা ও অর্পিতার বক্তব্য পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'Terminus' শব্দের অর্থ প্রান্ত বা সীমা (End or Boundary)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে পদের অর্থ অন্য কোনো পদের সাহায্য ছাড়া একা বা স্বাধীনভাবে প্রকাশ পায় না, তাকে সাপেক্ষ পদ বলে।
    'পিতা' কথাটি তখনই অর্থপূর্ণ হয় যখন তার বিপরীতে 'পুত্র' বা 'সন্তান' থাকে, আবার 'পুত্র' কথাটিও 'পিতা' বা 'মাতা' ছাড়া অর্থহীন। পিতা ও পুত্র পদ দুটি পরস্পর নির্ভরশীল এবং একের অস্তিত্ব বা ধারণা অন্যটির ওপর নির্ভরশীল। তাই পিতা-পুত্র হলো সাপেক্ষ পদ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ঈশিতার বক্তব্য "কোনো মানুষ নয় জ্ঞানী" যুক্তিবাক্যটি পরিমাণ ও গুণ অনুসারে একটি সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য বা 'E' যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে।
    পাঠ্যবইয়ের আলোকে, যে যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে কোনো কিছু অস্বীকার করে, তাকে সার্বিক নঞর্থক ('E') যুক্তিবাক্য বলে।
    ঈশিতার বক্তব্যে উদ্দেশ্য পদ হলো 'মানুষ' এবং বিধেয় পদ হলো 'জ্ঞানী'। এখানে 'কোনো ... নয়' দ্বারা মানুষ শ্রেণির সমগ্র ব্যক্ত্যর্থের ওপর 'জ্ঞানী' গুণটিকে পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়েছে। সুতরাং, গুণ ও পরিমাণের যৌথ শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী এটি নিশ্চিতভাবেই একটি সার্বিক নঞর্থক ('E') যুক্তিবাক্য।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ঈশিতা ও অর্পিতার বক্তব্য দুটি গুণ ও পরিমাণ অনুযায়ী যথাক্রমে সার্বিক নঞর্থক (E) এবং বিশেষ সদর্থক (I) যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে। নিচে পাঠ্যপুস্তকের আলোকে তা বিশ্লেষণ করা হলো:
    ঈশিতার বক্তব্যটি হলো: "কোনো মানুষ নয় জ্ঞানী।"
    ১. পরিমাণ অনুযায়ী এটি একটি 'সার্বিক' যুক্তিবাক্য, কারণ এর উদ্দেশ্য পদ 'মানুষ'-এর সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে বিবেচনা করা হয়েছে।
    ২. গুণ অনুযায়ী এটি 'নঞর্থক' যুক্তিবাক্য, কারণ বিধেয় 'জ্ঞানী' গুণটিকে উদ্দেশ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে।
    অতএব, এটি একটি সার্বিক নঞর্থক বা 'E' যুক্তিবাক্য। এর প্রতীকী রূপ হলো: 'কোনো S নয় P'।

    অন্যদিকে, অর্পিতার বক্তব্যটি হলো: "কিছু কিছু মানুষ হয় ধনী।"
    ১. পরিমাণ অনুযায়ী এটি একটি 'বিশেষ' যুক্তিবাক্য, কারণ এর উদ্দেশ্য পদ 'মানুষ'-এর আংশিক ব্যক্ত্যর্থ গ্রহণ করা হয়েছে।
    ২. গুণ অনুযায়ী এটি 'সদর্থক' যুক্তিবাক্য, কারণ বিধেয় 'ধনী' গুণটিকে উদ্দেশ্যের একাংশ সম্পর্কে স্বীকার করা হয়েছে।
    অতএব, এটি একটি বিশেষ সদর্থক বা 'I' যুক্তিবাক্য। এর প্রতীকী রূপ হলো: 'কিছু S হয় P'।

    সুতরাং, পাঠ্যপুস্তকের ঐতিহ্যবাহী যুক্তিবাক্যের চতুর্ধাবিভক্ত রূপ অনুযায়ী ঈশিতার বক্তব্যটি হলো 'E' বাক্য এবং অর্পিতার বক্তব্যটি হলো 'I' বাক্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন