পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
ব্যক্তির ইচ্ছামত কোনো কিছু করা বা না করাকে বোঝায়, যদি উত্ত কাজের দ্বারা অন্যের অনুরূপ কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত না করে।
- ক)(1)
নৈতিকতা কী?
- খ)(2)
সম্মোহনী নেতৃত্ব বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে কোন বিষয় সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে? তার রক্ষাকবচ সম্পর্কে আলোচনা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের বিষয়টির সাথে আইনের সম্পর্ক মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নৈতিকতা হলো মানুষের বিবেকবোধ, ন্যায়-অন্যায় ও ভালো-মন্দের ধারণা থেকে উদ্ভূত এমন কিছু মানসিক ও সামাজিক আচরণবিধি, যা মানুষকে সৎ ও সততাপূর্ণ জীবনযাপনে পরিচালিত করে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সম্মোহনী নেতৃত্ব (Charismatic Leadership) বলতে এমন নেতৃত্বকে বোঝায়, যেখানে নেতার ব্যক্তিগত গুণাবলি, জাদুকরি আকর্ষণ, প্রজ্ঞা ও বাগ্মিতায় মুগ্ধ হয়ে অনুসারীরা নিঃশর্তভাবে তাঁর আদর্শ ও নির্দেশ অনুসরণ করে। এ ধরনের নেতা যুক্তির চেয়ে আবেগের মাধ্যমে জনগণকে তীব্রভাবে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করতে পারেন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'স্বাধীনতা' (Liberty) প্রত্যয়টির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হার্বার্ট স্পেন্সারের মতে, স্বাধীনতা হলো ব্যক্তির ইচ্ছানুযায়ী কাজ করার ক্ষমতা, যদি তা অন্যের অনুরূপ স্বাধীনতায় বিঘ্ন সৃষ্টি না করে।
স্বাধীনতার কয়েকটি প্রধান রক্ষাকবচ হলো:
১. আইন: জন লকের মতে, যেখানে আইন নেই সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না। আইন স্বাধীনতার সীমানা নির্ধারণ করে তা নিশ্চিত করে।
২. ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ নীতি: সরকারের তিনটি বিভাগ (আইন, শাসন ও বিচার) আলাদা থাকলে ব্যক্তিস্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকে।
৩. মৌলিক অধিকারের সাংবিধানিক স্বীকৃতি: সংবিধানে মৌলিক অধিকার লিপিবদ্ধ থাকলে তা রাষ্ট্র বা শাসকের স্বেচ্ছাচারিতা থেকে নাগরিকদের রক্ষা করে।
৪. স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ: নিরপেক্ষ বিচারালয় নাগরিক স্বাধীনতার সবচেয়ে বড় প্রহরী।
৫. চিরন্তন সজাগতা: জন ও সচেতন নাগরিকদের সার্বক্ষণিক সতর্কতা স্বাধীনতার প্রধান রক্ষাকবচ। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ধারণাটি হলো 'স্বাধীনতা', যার সাথে আইনের গভীর ও নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। আইন ও স্বাধীনতার পারস্পরিক সম্পর্ককে নিম্নোক্তভাবে মূল্যায়ন করা যায়:
১. আইন স্বাধীনতার শর্ত ও সংরক্ষক: আইন ব্যক্তিস্বাধীনতার পরিবেশ সৃষ্টি করে এবং দুর্বলকে সবলের হাত থেকে রক্ষা করে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জন লক যথার্থই বলেছেন, "যেখানে আইন থাকে না, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না।"
২. আইন স্বাধীনতার পরিধি নির্ধারণ করে: অবাধ বা সীমাহীন স্বাধীনতা অন্যের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে। আইন প্রতিটি নাগরিকের স্বাধীনতার সীমা ঠিক করে সবার অধিকার নিশ্চিত করে।
৩. আইন স্বাধীনতার অভিভাবক ও সম্প্রসারক: আইনের প্রয়োগের ফলেই নাগরিকরা তাদের অধিকার নির্বিঘ্নে ভোগ করতে পারে। আইন ব্যক্তি স্বাধীনতার পরিধিকে সংকুচিত না করে বরং আরও সুরক্ষিত ও সম্প্রসারিত করে।
৪. পরস্পরের পরিপূরক: নৈতিক ও জনকল্যাণমুখী আইন এবং স্বাধীনতা পরস্পরবিরোধী নয়, বরং পরিপূরক। তবে কর্তৃত্ববাদী বা স্বৈরাচারী আইন স্বাধীনতার অন্তরায়।সুতরাং, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সঠিক আইন স্বাধীনতার প্রধানতম শর্ত ও রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও