উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র • উৎপাদনের উপকরণ • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫

উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র প্রশ্ন

জনার রকিব একটি মৎস্য খামার গড়ে তোলেন। এ খামারের যাবতীয় সিদ্ধান্ত ও ঝুঁকি তিনি একাই নিয়ে থাকেন। ব্যবসায়ে লাভবান হওয়ায় তিনি তার ব্যবসায় সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এ লক্ষে তার ঘনিষ্ঠ দুইজন বন্ধুকে চুক্তির ভিত্তিতে উক্ত খামার ব্যবসায়ে যুক্ত করেন।

  1. ক)

    যৌথ মূলধনী সংগঠন কী?

    (1)
  2. খ)

    "রাষ্ট্রীয় সংগঠন দেশের জনগণের কল্যাণের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়" ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    শুরুতে জনাব রকিব কোন ধরনের সংগঠন গড়ে তোলেন? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উল্লিখিত উদ্দীপকে দ্বিতীয় পর্যায়ের সংগঠনের ধরন উল্লেখপূর্বক জনাব রকিবের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোম্পানি আইন অনুযায়ী গঠিত ও পরিচালিত, কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা ও সীমিত দায়বিশিষ্ট চিরন্তন অস্তিত্বের ব্যবসায়ী সংগঠনকে যৌথ মূলধনী সংগঠন বা কোম্পানি বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রাষ্ট্রীয় সংগঠন বলতে সরকার কর্তৃক গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়। এ ধরনের সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয়, বরং দেশের সার্বিক জনকল্যাণ নিশ্চিত করা। রাষ্ট্রীয় সংগঠন জনসাধারণের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও জরুরি সেবা সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী মূল্যে নিশ্চিত করে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করে। তাই বলা হয়, রাষ্ট্রীয় সংগঠন দেশের জনগণের কল্যাণের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    শুরুতে জনাব রকিব একমালিকানা সংগঠন গড়ে তোলেন।

    যে ব্যবসায়ের মালিক একজন মাত্র ব্যক্তি এবং যিনি নিজে মূলধন জোগান দেন, পরিচালনা করেন, এককভাবে সব ঝুঁকি বহন করেন এবং লাভ-লোকসান ভোগ করেন, তাকে একমালিকানা ব্যবসায় বলে।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব রকিব একক প্রচেষ্টায় একটি মৎস্য খামার গড়ে তোলেন। এই খামারের যাবতীয় সিদ্ধান্ত ও ঝুঁকি তিনি একাই গ্রহণ করেন। একমালিকানা ব্যবসায়ের সকল বৈশিষ্ট্য এতে বিদ্যমান থাকায় শুরুতে তাঁর গঠিত সংগঠনটি ছিল একমালিকানা ব্যবসায়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে দ্বিতীয় পর্যায়ে গঠিত সংগঠনের ধরনটি হলো 'অংশীদারি ব্যবসায়'। জনাব রকিবের একমালিকানা থেকে অংশীদারি ব্যবসায়ে রূপান্তরের সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক।

    ১৯৩২ সালের ভারতীয় অংশীদারি আইন (বাংলাদেশে বলবৎ) অনুসারে, চুক্তির ভিত্তিতে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে যে ব্যবসায় গড়ে তোলে, তাকে অংশীদারি ব্যবসায় বলে। উদ্দীপকে জনাব রকিব তাঁর মৎস্য খামার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ঘনিষ্ঠ দুইজন বন্ধুকে চুক্তির ভিত্তিতে ব্যবসায় যুক্ত করেন, যা স্পষ্টতই অংশীদারি সংগঠন।

    জনাব রকিবের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা:
    ১. মূলধন বৃদ্ধি: একমালিকানা ব্যবসায়ে একক ব্যক্তির পক্ষে পর্যাপ্ত মূলধন সরবরাহ করা কঠিন। অংশীদারদের যুক্ত করায় ব্যবসায়ে অতিরিক্ত মূলধনের জোগান নিশ্চিত হয়েছে।
    ২. ঝুঁকি বণ্টন: পূর্বে সব ঝুঁকি একা বহন করতে হলেও এখন তা অংশীদারদের মাঝে বণ্টিত হবে, যা ঝুঁকি হ্রাস করে।
    ৩. সম্মিলিত সিদ্ধান্ত ও দক্ষতা: ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের যুক্ত করায় ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞতা ও পারস্পরিক পরামর্শের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

    অতএব, ব্যবসায় সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে জনাব রকিবের অংশীদারি ব্যবসায়ে পদার্পণ করার সিদ্ধান্তটি ব্যবসায়িক দিক থেকে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও যৌক্তিক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন