‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • নাগরিক সমস্যা ও আমাদের করণীয় • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

একজন সরকারি কর্মচারী তাঁর ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল পরিমাণে অর্থ-সম্পদের মালিক হন।

  1. ক)

    প্রতিবন্ধী কারা?

    (1)
  2. খ)

    খাদ্যে ভেজাল বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত নাগরিক সমস্যার কারণসমূহ ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    বর্ণিত সমস্যা সমাধানে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যাঁরা জন্মগতভাবে বা কোনো দুর্ঘটনা কিংবা রোগের কারণে শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিগত বা ইন্দ্রিয়গতভাবে দীর্ঘমেয়াদি বা স্থায়ী অক্ষমতার শিকার হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধার সম্মুখীন হন, তাঁদের প্রতিবন্ধী বলা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    খাদ্যে ভেজাল বলতে স্বাভাবিক বা বিশুদ্ধ খাদ্যদ্রব্যে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো নিম্নমানের, অপ্রয়োজনীয় বা বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য মিশিয়ে খাদ্যের গুণগত মান নষ্ট করাকে বোঝায়। সাধারণত অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় খাদ্যে কৃত্রিম রং, ফরমালিন, কীটনাশক বা অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদান মিশ্রিত করে থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত সরকারি কর্মচারীর ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল অর্থ-সম্পদ অর্জনের ঘটনাটি 'দুর্নীতি' নামক নাগরিক সমস্যাকে নির্দেশ করে।

    দুর্নীতির প্রধান কারণসমূহ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
    ১. নৈতিক অবক্ষয় ও লোভ: নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের অভাব এবং অতিরিক্ত অর্থলোভ মানুষকে দুর্নীতির দিকে ধাবিত করে।
    ২. জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার অভাব: প্রশাসনিক কাজে নজরদারি ও জবাবদিহিতার ঘাটতি থাকলে সরকারি কর্মচারীরা ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগ পায়।
    ৩. আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব: দুর্নীতিবাজদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া এবং বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা দুর্নীতির বিস্তার ঘটায়।
    ৪. প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা: দুর্নীতি দমন সংস্থাগুলোর দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবও দুর্নীতির অন্যতম কারণ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত দুর্নীতি নামক নাগরিক সমস্যাটির সুষ্ঠু সমাধানের জন্য বহুমুখী ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। নিচে এ বিষয়ে মতামত তুলে ধরা হলো:

    ১. আইনের কঠোর প্রয়োগ: দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-কে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও কার্যকর করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে কঠোর আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
    ২. প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ: সরকারি দপ্তরগুলোতে কাজের স্বচ্ছতা বাড়াতে হবে, ই-গভর্ন্যান্স প্রবর্তন করতে হবে এবং সকল কাজের নিয়মিত অডিট ও তদারকি জোরদার করতে হবে।
    ৩. নৈতিক শিক্ষার প্রসার: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পারিবারিক পর্যায়ে সততা, নৈতিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দিতে হবে।
    ৪. নাগরিক সচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধ: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়ে তুলে সামাজিকভাবে দুর্নীতিবাজদের বর্জন করতে হবে। তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

    সুতরাং, কেবল কঠোর আইন প্রণয়ন নয়, বরং এর কঠোর প্রয়োগ এবং ব্যক্তিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সততা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই এই নাগরিক সমস্যা দূর করা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন