ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৯
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
জনাব রফিক নির্দেশ দেওয়ার আগে অনেক সময় অধীনস্থদের সাথে নির্দেশনার বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করেন। তবে নির্দেশনার বিষয়বস্তু নির্ধারণের অধিকার তিনিই সংরক্ষণ করেন। ফলে অধস্তনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্দেশনা পালনে অংশগ্রহণ করেন। অপরদিকে জনাব আসাদ তার প্রতিষ্ঠানের কাজকে প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে বণ্টন করে দেন। ফলে কাজের তত্ত্বাবধান ও জবাবদিহিতা আদায় সহজ হয়।
- ক)(1)
আদর্শ নির্দেশনা কী?
- খ)(2)
নির্দেশনার সহজবোধ্যতা বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
জনাব আসাদ ব্যবস্থাপনার কোন নীতিটি অবলম্বন করেন? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
জনাব রফিক যে ধরনের নির্দেশনা ব্যবহার করেন পরিকল্পনার উৎকর্ষ বাড়া তার ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে নির্দেশনা সুস্পষ্ট, বোধগম্য, সময়োপযোগী, যৌক্তিক এবং অধস্তনদের সহজে লক্ষ্যপানে পরিচালিত করতে সক্ষম, তাকে আদর্শ নির্দেশনা বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নির্দেশনার সহজবোধ্যতা বলতে নির্দেশনায় ব্যবহৃত ভাষা, বক্তব্য ও নির্দেশ যেন অধস্তনদের কাছে সহজ, পরিষ্কার ও দ্বিধাহীনভাবে বোধগম্য হয়, তাকে বোঝায়।
নির্দেশনা এমন ভাষায় ও পদ্ধতিতে প্রদান করা উচিত যাতে অধস্তনরা তাদের করণীয় কাজ সঠিকভাবে বুঝতে পারে। নির্দেশ জটিল বা অস্পষ্ট হলে কাজের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়, যা লক্ষ্য অর্জনে বাধা সৃষ্টি করে। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জনাব আসাদ ব্যবস্থাপনার 'কার্যবিভাজন বা শ্রমবিভাগ নীতি' (Division of Work) অবলম্বন করেছেন।
প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কাজকে তার প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন ছোট ছোট অংশে ভাগ করে কর্মীদের যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী দায়িত্ব বণ্টন করাকে কার্যবিভাজন নীতি বলে। এর ফলে কর্মীদের দক্ষতা ও বিশেষায়ন বৃদ্ধি পায়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব আসাদ তার প্রতিষ্ঠানের কাজকে প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন ভাগে ভাগ করেছেন এবং যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে বণ্টন করে দিয়েছেন। এর ফলে কাজের যথাযথ তত্ত্বাবধান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়েছে। সুতরাং, জনাব আসাদ ব্যবস্থাপনার কার্যবিভাজন নীতিটি অনুসরণ করেছেন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জনাব রফিক 'পরামর্শমূলক নির্দেশনা' (Consultative Direction) ব্যবহার করেন, যা পরিকল্পনার উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
যে নির্দেশনায় নির্দেশদাতা কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ চূড়ান্ত করার পূর্বে অধস্তনদের সাথে আলোচনা বা পরামর্শ করেন, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিজের হাতে রাখেন, তাকে পরামর্শমূলক নির্দেশনা বলে।
উদ্দীপকে জনাব রফিক নির্দেশ দেওয়ার আগে অধীনস্থদের সাথে নির্দেশনার বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করেন এবং নির্দেশনার বিষয়বস্তু নির্ধারণের অধিকার নিজে সংরক্ষণ করেন। এটি পরামর্শমূলক নির্দেশনার প্রতিফলন।
পরিকল্পনার উৎকর্ষ বাড়াতে পরামর্শমূলক নির্দেশনার ভূমিকা নিম্নরূপ:
১. বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়ন: সরাসরি কাজের সাথে যুক্ত অধস্তনরা বাস্তব সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে ভালো জানেন। তাদের মতামত গ্রহণ করলে পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত হয়।
২. তথ্যের সঠিক প্রবাহ: অধস্তনদের সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নতুন ধারণা পাওয়া যায়, যা পরিকল্পনার মান বৃদ্ধি করে।
৩. কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ: কর্মীরা মনে করেন তাদের মতামতের গুরুত্ব রয়েছে, ফলে তারা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আন্তরিক ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করেন।
৪. ভুলত্রুটি হ্রাস: পূর্বেই আলোচনা হওয়ায় পরিকল্পনার সম্ভাব্য ফাঁকফোকর ও সীমাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব হয়।অতএব, বলা যায় জনাব রফিকের অনুসৃত পরামর্শমূলক নির্দেশনা পরিকল্পনার উৎকর্ষ ও কার্যকারিতা বহুলাংশে বৃদ্ধি করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও