উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২২

উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    উৎপাদন ব্যবস্থাপনা কী?

    (1)
  2. খ)

    ‘পণ্য স্পর্শনীয়’ ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্রে (?) চিহ্নিত স্থানে কী নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    “বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে চিত্রে নির্দেশিত বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যাখ্যা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনের জন্য রূপান্তর বা উৎপাদন প্রক্রিয়ার কার্যকর পরিকল্পনা, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করাকে উৎপাদন ব্যবস্থাপনা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ‘পণ্য স্পর্শনীয়’ বলতে বোঝায় এমন যেকোনো বস্তুগত সামগ্রী যা খালি চোখে দেখা যায়, স্পর্শ করা যায় এবং যার নির্দিষ্ট আকার, ওজন ও অস্তিত্ব রয়েছে।

    পণ্য হলো মানুষের অভাব ও প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম এমন দৃশ্যমান বস্তু যা ক্রেতা কেনার আগে বা পরে স্পর্শ ও নিরীক্ষণ করতে পারেন। যেমন—বই, কলম, চেয়ার ইত্যাদি। এগুলোর ভৌত অস্তিত্ব থাকার কারণে এগুলোকে সহজেই স্পর্শ করা, মজুত রাখা এবং মালিকানা হস্তান্তর করা যায়। তাই বলা হয় পণ্য স্পর্শনীয় বা দৃশ্যমান।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্রে (?) চিহ্নিত স্থানে ‘সেবা’ (Service) নির্দেশ করে।

    সেবা হলো এমন একধরনের কাজ, সুবিধা বা সন্তুষ্টি, যার সুনির্দিষ্ট কোনো বস্তুগত বা দৃশ্যমান রূপ নেই কিন্তু তা মানুষের প্রয়োজন ও অভাব মেটাতে সক্ষম। বিপণন বিজ্ঞানে সেবার প্রধান চারটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলো হলো:
    ১. অস্পর্শনীয়তা (Intangibility): সেবা চোখে দেখা বা স্পর্শ করা যায় না, শুধু অনুভব করা যায়।
    ২. অবিচ্ছিন্নতা (Inseparability): সেবাদানকারী ও সেবাকে পরস্পর থেকে পৃথক করা যায় না।
    ৩. বৈসাদৃশ্যতা (Variability): ব্যক্তি, সময় ও স্থানভেদে সেবার মান ভিন্ন হতে পারে।
    ৪. নশ্বরতা (Perishability): সেবা ভবিষ্যৎ ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ বা মজুত করে রাখা যায় না।

    উদ্দীপকের চিত্রে চার পাশে এই চারটি বৈশিষ্ট্য—অস্পর্শনীয়তা, অবিচ্ছিন্নতা, বৈসাদৃশ্যতা ও নশ্বরতা উল্লেখ করা হয়েছে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো প্রত্যক্ষভাবে সেবাকেই প্রকাশ করে। সুতরাং, (?) চিহ্নিত স্থানে ‘সেবা’ হবে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের চিত্রে নির্দেশিত বিষয়টি হলো ‘সেবা’। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল ও জনবহুল দেশে বিপুল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সেবা খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে—উক্তিটি যথার্থ।

    বর্তমান বিশ্বে যেকোনো দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হলো সেবা খাত। বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও শিল্প ও কৃষির পাশাপাশি সেবা খাতের অবদান ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ব্যাংকিং ও বিমা, পরিবহন ও যোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, পর্যটন ও হোটেল-রেস্তোরাঁসহ নানা ধরনের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে।

    সেবা খাতের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি অত্যন্ত শ্রমঘন। দৃশ্যমান পণ্যের উৎপাদনে যন্ত্রের আধিক্য থাকলেও সেবাদানে প্রত্যক্ষ মানবশ্রম ও দক্ষতার প্রয়োজন অপরিহার্য। ফলে অল্প মূলধনেই অনেকে স্বকর্মসংস্থান বা সেবাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারেন। রাইড শেয়ারিং, হোম ডেলিভারি, টেলিকমিউনিকেশন, আইটি আউটসোর্সিং এবং আর্থিক সেবায় লাখ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া নারী উদ্যোক্তা ও কর্মীদের একটি বড় অংশ সেবা খাতের মাধ্যমেই স্বাবলম্বী হচ্ছে।

    অতএব, বাংলাদেশে বেকারত্ব দূরীকরণ, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও ব্যাপক জনগোষ্ঠীর নিয়মিত জীবিকা নিশ্চিতকরণ অর্থাৎ সামগ্রিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সেবা খাত অত্যন্ত কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন