গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র • Combined Board • রাজশাহী, যশোর, সিলেট বোর্ড ২০২৩

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

ছক-১:* সন্তান জন্মদান* সন্তানের নাম রাখাছক-২:A- স্বামী, স্ত্রী, পুত্র, কন্যাB- স্বামী, স্ত্রী, পুত্র, দাদী

  1. ক)

    নয়বাস পরিবার কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    ‘শিশুর মানসিক বিকাশে পরিকল্পিত পরিবারের ভূমিকা রয়েছে’— বুঝিয়ে লেখো।

    (2)
  3. গ)

    ছক-১ এ পরিবারের যে কাজটিকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ছক-২ এ A ও B স্থানে উল্লিখিত পরিবার দুটোর সুবিধা-অসুবিধাগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিবাহের পর নবদম্পতি স্বামী বা স্ত্রী কারো পিতামাতার সাথে বসবাস না করে পৃথকভাবে নতুন কোনো স্থানে বাসস্থান গড়ে তুললে তাকে নয়াবাস বা নয়বাস পরিবার বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পরিকল্পিত পরিবার শিশুর মানসিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি পরিকল্পিত পরিবারে সীমিত সন্তান থাকায় পিতা-মাতা সন্তানের প্রতি পর্যাপ্ত সময়, মনোযোগ এবং স্নেহ-ভালোবাসা দিতে পারেন। এতে শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ে, নিরাপত্তা বোধ তৈরি হয় এবং তার সুস্থ মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ নিশ্চিত হয়। পক্ষান্তরে, অপরিকল্পিত বা বৃহৎ পরিবারে মানসিক যত্নের ঘাটতি থেকে শিশুর মধ্যে হীনম্মন্যতা তৈরি হতে পারে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ছক-১ এ পরিবারের 'জৈবিক কাজ' এবং 'মনস্তাত্ত্বিক ও পরিচিতিমূলক কাজ'-কে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যার মূল ভিত্তি হলো বংশবৃদ্ধি ও সন্তান প্রতিপালন।

    পরিবারের অন্যতম প্রাথমিক এবং মৌলিক কাজ হলো জৈবিক কাজ, যার মাধ্যমে বৈধভাবে সন্তান জন্মদান করা হয় এবং মানব সমাজের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। উদ্দীপকে উল্লিখিত 'সন্তান জন্মদান' সরাসরি পরিবারের এ জৈবিক কাজের অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, 'সন্তানের নাম রাখা' হলো শিশুর পারিবারিক ও সামাজিক আত্মপরিচয় প্রদানের প্রথম ধাপ। এর মাধ্যমে শিশু পরিবারে একটি নির্দিষ্ট পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে। সুতরাং, ছক-১ এ পরিবারের জৈবিক কাজ এবং সন্তানকে পরিচিতি ও স্বীকৃতি প্রদানের কাজটি তুলে ধরা হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ছক-২ এ উল্লিখিত 'A' পরিবারটি হলো একক বা নিউক্লিয়ার পরিবার (স্বামী, স্ত্রী, পুত্র, কন্যা) এবং 'B' পরিবারটি হলো বর্ধিত বা যৌথ পরিবারের একটি রূপ (স্বামী, স্ত্রী, পুত্র, দাদী)। নিচে এদের সুবিধা-অসুবিধার তুলনামূলক বিশ্লেষণ দেওয়া হলো:

    'A' (একক পরিবার)-এর সুবিধা ও অসুবিধা:
    সুবিধা: এতে সদস্য সংখ্যা কম হওয়ায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ দ্রুত ও সহজ হয়। পারিবারিক ব্যয় তুলনামূলক কম হয় এবং পিতা-মাতা সন্তানদের স্বাধীনভাবে ও নিজস্ব পরিকল্পনামতো গড়ে তুলতে পারেন।
    অসুবিধা: কোনো আপদকালীন সময়ে বা পিতা-মাতা কর্মজীবী হলে সন্তান একাকীত্বে ভুগতে পারে এবং সাহায্যকারীর অভাব দেখা দেয়।

    'B' (যৌথ/বর্ধিত পরিবার)-এর সুবিধা ও অসুবিধা:
    সুবিধা: প্রবীণ সদস্য (দাদী) থাকায় শিশুরা পারিবারিক স্নেহ, নৈতিক শিক্ষা ও উপদেশ পায়। কর্মজীবী পিতা-মাতার অনুপস্থিতিতেও সন্তানের উপযুক্ত তত্ত্বাবধান সম্ভব হয়। পারস্পরিক সহমর্মিতা ও পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় হয়।
    অসুবিধা: প্রবীণ ও নবীন প্রজন্মের মানসিকতায় মতভেদ সৃষ্টি হতে পারে, যা অনেক সময় মতপার্থক্য তৈরি করে এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কিছুটা বিঘ্নিত হতে পারে।

    সুতরাং, উভয় পরিবারেরই নিজস্ব কিছু ইতিবাচক ও সীমাবদ্ধ দিক রয়েছে, তবে পারিবারিক সম্প্রীতি বজায় থাকলে যেকোনো পরিবারই শিশুর বিকাশে অনুকূল হতে পারে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন