বাংলা ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২২
বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন
5.1.
কোভিড-১৯ মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত তোমার এলাকার জনগণের সাহায্যের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদনপত্র রচনা করো।
5.2.
অথবা, সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকারের সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন রচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
AI-লিখিত কাল্পনিক নমুনা। প্রশ্নে না-দেওয়া নাম, তারিখ, যোগাযোগ, সংখ্যা ও জরিপ/সাক্ষাৎকারের বিবরণ উদাহরণভিত্তিক অনুমান; বাস্তবে তথ্যসংগ্রহ করা হয়েছে এমন দাবি নয়।
৫.১ এর উত্তর:
তারিখ: ১৫ অক্টোবর ২০২২
বরাবর,
জেলা প্রশাসক,
সিলেট।
বিষয়: কোভিড-১৯ মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য জরুরি সাহায্যের আবেদন।
জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা। বিগত কোভিড-১৯ মহামারির করাল গ্রাসে আমাদের এলাকার প্রান্তিক জনগণ, দিনমজুর, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছেন। দীর্ঘ লকডাউন ও স্থবিরতার ফলে বিপুলসংখ্যক মানুষ কাজ হারিয়ে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। ফলে বহু পরিবার বর্তমানে চরম অর্থকষ্ট ও খাদ্য সংকটের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে। স্থানীয় পর্যায়ে যে সামান্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।
অতএব, মহোদয়ের সমীপে আকুল প্রার্থনা, আমাদের এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ও কর্মহীন মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে জরুরি ভিত্তিতে খাদ্যসামগ্রী, নগদ আর্থিক সহায়তা এবং পুনর্বাসনমূলক বিশেষ ত্রাণ বরাদ্দ প্রদান করে বাধিত করবেন।
বিনীত নিবেদক,
এলাকাবাসীর পক্ষে—
মো. রফিকুল ইসলাম
বাঘা, গোলাপগঞ্জ, সিলেট।
অথবা, ৫.২ এর উত্তর:
সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকারের সুপারিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট:
সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের দেশে সড়ক দুর্ঘটনা এক ভয়াবহ জাতীয় দুর্যোগের রূপ ধারণ করেছে। প্রতিদিন দেশের কোথাও না কোথাও সড়কে ঝরছে তাজা প্রাণ, পঙ্গুত্ব বরণ করছে অসংখ্য মানুষ। এই নির্মম মৃত্যুর মিছিল কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না।
সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণসমূহ:
১. চালকদের অদক্ষতা ও অসচেতনতা: প্রশিক্ষণহীনতা, ভুয়া লাইসেন্স এবং ট্রাফিক আইন না জানার কারণে বেশিরভাগ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
২. বেপরোয়া গতি ও ওভারটেকিং: চালকদের মধ্যে আগে যাওয়ার মানসিকতা ও নিয়ন্ত্রণহীন গতি দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ।
৩. ফিটনেসবিহীন যানবাহন: মেয়াদোত্তীর্ণ, যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি অবাধে সড়কে চলাচল করায় প্রায়ই ব্রেকফেল বা নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঘটনা ঘটে।
৪. সড়কের ত্রুটি ও অব্যবস্থাপনা: ত্রুটিপূর্ণ বাঁক, ভাঙাচোরা রাস্তা, ট্রাফিক সিগন্যালের অভাব এবং সড়কের ওপর অবৈধ দখল।
৫. পথচারীদের অসচেতনতা: ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার না করা, মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে বা অসতর্কভাবে রাস্তা পারাপার।
প্রতিকারের সুপারিশমালা:
১. চালকদের নিয়মিত ও মানসম্মত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং কঠোর পরীক্ষার মাধ্যমে লাইসেন্স প্রদান নিশ্চিত করা।
২. ফিটনেসবিহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন চলাচল অবিলম্বে বন্ধ করা।
৩. ট্রাফিক আইনের যথাযথ ও কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা এবং আইন অমান্যকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান।
৪. মহাসড়কে গতিসীমা নির্ধারণ ও সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি বাড়ানো।
৫. পথচারী ও চালক উভয়ের মধ্যে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করা।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি পরিবহন মালিক, চালক ও সাধারণ পথচারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা একান্ত কাম্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও