গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • Combined Board • ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০২২
গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন
মিলি এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী। সে দিনের ২৪ ঘণ্টা সময় কীভাবে ব্যবহার করবে তার একটি তালিকা তৈরি করে। শ্রেণিকক্ষে মিলির শিক্ষক বলেছেন, 'সময় সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় বিবেচনায় রাখতে হয়।'
- ক)(1)
শক্তি কাকে বলে?
- খ)(2)
কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা প্রয়োজন— ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
মিলি কলেজ চলাকালীন একদিনের একটি কর্মসূচি তৈরি করো।
- ঘ)(4)
মিলির শিক্ষকের উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কাজ করার সামর্থ্যকে শক্তি বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে শক্তি ও সময়ের অপচয় রোধ হয়। কোনো কাজ করার সময় যদি কাজের ধাপগুলো সুশৃঙ্খল ও একের পর এক পরিকল্পিতভাবে সম্পন্ন করা হয়, তবে কাজের ছন্দ বজায় থাকে এবং ক্লান্তি কম আসে। অন্যদিকে কাজের ধারাবাহিকতা ব্যাহত হলে কাজের গতি নষ্ট হয় এবং ভুলের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাই দক্ষতার সাথে সঠিক সময়ে কাজ শেষ করতে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা প্রয়োজন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মিলি একজন এইচএসসি পরীক্ষার্থী। কলেজ চলাকালীন দিনের ২৪ ঘণ্টার একটি সম্ভাব্য সময়-তালিকা বা কর্মসূচি নিচে দেওয়া হলো:
১. ভোর ৫:৩০ - ৬:০০: ঘুম থেকে ওঠা, প্রাতঃকৃত্য ও প্রার্থনা।
২. সকাল ৬:০০ - ৭:৩০: সকালে পড়াশোনা।
৩. সকাল ৭:৩০ - ৮:৩০: প্রাতরাশ গ্রহণ এবং কলেজের জন্য প্রস্তুতি।
৪. সকাল ৮:৩০ - দুপুর ২:০০: কলেজে যাতায়াত ও ক্লাসে অংশগ্রহণ।
৫. দুপুর ২:০০ - ৩:০০: বাসায় ফেরা, গোসল, দুপুরের খাবার ও বিশ্রাম।
৬. দুপুর ৩:০০ - ৪:৩০: হালকা ঘুম বা বিশ্রাম।
৭. বিকাল ৪:৩০ - ৫:৩০: বিকালের নাস্তা, হাঁটাচলা বা হালকা বিনোদন।
৮. বিকাল ৫:৩০ - রাত ৯:৩০: সান্ধ্যকালীন গভীর পড়াশোনা (মাঝে সংক্ষিপ্ত বিরতিসহ)।
৯. রাত ৯:৩০ - ১০:৩০: রাতের খাবার গ্রহণ ও পরিবারের সাথে সময় কাটানো।
১০. রাত ১০:৩০ - ভোর ৫:৩০: ঘুম। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মিলির শিক্ষকের উক্তিটি হলো— 'সময় সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় বিবেচনায় রাখতে হয়।' উক্তিটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও যথার্থ।
সময় একটি সীমিত ও অমূল্য সম্পদ। সময় সঞ্চয় বা এর সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা আবশ্যক:
১. কাজের অগ্রাধিকার নির্ধারণ: কোন কাজটি আগে এবং কোনটি পরে করতে হবে, তা গুরুত্ব অনুযায়ী ভাগ করা প্রয়োজন।
২. কাজের পরিকল্পনা প্রণয়ন: কাজ শুরুর আগেই সময়সূচি তৈরি করলে অতিরিক্ত সময়ের অপচয় রোধ হয়।
৩. কাজের ধারাবাহিকতা ও ছন্দ: কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে কাজ দ্রুত ও কম ক্লান্তিতে শেষ করা যায়।
৪. বিশ্রাম ও বিনোদনের ব্যবস্থা: একটানা কাজ করলে কাজের গতি কমে যায়, তাই নির্দিষ্ট বিরতি রেখে শক্তি পুনরুদ্ধার করতে হয়।
৫. উপযুক্ত সরঞ্জামের ব্যবহার: শ্রম ও সময় লাঘবকারী আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করলে সময় সঞ্চয় সহজ হয়।সুতরাং, মিলির শিক্ষকের বক্তব্য অনুযায়ী উপরিউক্ত বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই সময়কে কার্যকরভাবে সঞ্চয় ও পরিচালনা করা সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও