যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২২

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    সংকর বিভাগ কী?

    (1)
  2. খ)

    যৌক্তিক বিভাগের প্রয়োজন কেন হয়? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    দৃশ্যকল্প-১ এ যে বিভাগের প্রতিফলন ঘটেছে তা ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    দৃশ্যকল্প-২ এর বিভাগ পদ্ধতিটি কি যথার্থ? নিয়মের আলোকে মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যৌক্তিক বিভাগের কোনো একটি স্তরে একই সাথে একাধিক মূলসূত্র বা নীতি গ্রহণ করার ফলে যে নিয়মভঙ্গজনিত অনুপপত্তি ঘটে, তাকে সংকর বিভাগ (Cross Division) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    একটি পদের ব্যক্ত্যর্থ বা পরিমাণের স্পষ্ট ও সুশৃঙ্খল জ্ঞান লাভের জন্য যৌক্তিক বিভাগের প্রয়োজন হয়।

    যৌক্তিক বিভাগ কোনো জাতিবাচক বা সাধারণ পদকে তার অন্তর্নিহিত গুণ বা মূলসূত্রের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন উপজাতিতে বিন্যস্ত করে। এর মাধ্যমে পদসমূহের পারস্পরিক সম্পর্ক, পরিধি এবং সীমা সুনির্দিষ্ট হয়। ফলে চিন্তার জটিলতা ও অস্পষ্টতা দূর হয়, বিভ্রান্তি পরিহার করা যায় এবং শ্রেণিকরণ বা শ্রেণিবিন্যাস প্রক্রিয়া সহজতর হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-১ এ 'দ্বিকোটিক বিভাগ' (Dichotomy)-এর প্রতিফলন ঘটেছে।

    কোনো একটি জাতিকে যেকোনো একটি গুণের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে দুটি পরস্পর বিরোধী বা বিরুদ্ধ উপজাতিতে বিভক্ত করার নামই হলো দ্বিকোটিক বিভাগ। এই প্রক্রিয়াটি বিরোধ বা স্ববিরোধের নিয়মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

    উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ দেখা যায়, 'প্রাণী' জাতিকে মেরুদণ্ডের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির ভিত্তিতে প্রথমে 'মেরুদণ্ডী' ও 'অ-মেরুদণ্ডী'—এই দুটি অংশে বিভক্ত করা হয়েছে। পরবর্তীতে 'মেরুদণ্ডী' উপজাতিটিকে মনুষ্যত্বের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির ভিত্তিতে 'মানুষ' ও 'অ-মানুষ'—এই দুটি বিরুদ্ধ উপজাতিতে বিভক্ত করা হয়েছে। যেহেতু এখানে প্রতিটি স্তরে একটি নির্দিষ্ট গুণের থাকা এবং না থাকার ভিত্তিতে দুটি মাত্র শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা হয়েছে, তাই এটি যৌক্তিক বিভাগের দ্বিকোটিক বিভাগ পদ্ধতিকে সঠিকভাবে প্রতিফলন করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-২ এর বিভাগ পদ্ধতিটি যৌক্তিক নিয়মানুযায়ী যথার্থ নয়। এটি যৌক্তিক বিভাগের প্রথম নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।

    যৌক্তিক বিভাগের প্রথম নিয়ম অনুযায়ী—যৌক্তিক বিভাগ সর্বদা একটি জাতিবাচক বা শ্রেণিবাচক পদকে উপজাতি বা উপশ্রেণিতে বিভক্ত করে; কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তি বা বিশেষ পদ কিংবা কৃত্রিম উপাধিভিত্তিক বিশেষ শ্রেণিকে নয়। এছাড়া, যৌক্তিক বিভাগ কেবল ব্যক্ত্যর্থসম্পন্ন সার্বিক পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

    দৃশ্যকল্প-২ এ 'বাবুর্চি' পদটিকে 'মহিলা বাবুর্চি' এবং 'পুরুষ বাবুর্চি'—এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে লিঙ্গের ভিত্তিতে। যুক্তিবিদ্যায় 'বাবুর্চি' কোনো মৌলিক বা প্রকৃত প্রাকৃতিক জাতি (Species) নয়, বরং এটি মানুষের একটি বৃত্তি বা পেশাগত গুণবাচক অবস্থান। একটি পেশা বা নির্দিষ্ট ভূমিকাকে মূল জাতি হিসেবে ধরে যৌক্তিক বিভাগ পরিচালনা করা নিয়মসম্মত নয়। বিভাগটি মূলত হওয়া উচিত ছিল 'মানুষ' জাতিকে লিঙ্গভেদে বিভক্ত করে, যার একটি পেশাগত দিক হলো বাবুর্চি। অতএব, প্রকৃত জাতিগত সত্তা বা সার্বিক পদ না থাকায় এবং পেশাগত পরিচয়কে মূল বিভাজ্য বিষয় হিসেবে নেওয়ায় দৃশ্যকল্প-২ এর বিভাগ পদ্ধতিটি ত্রুটিপূর্ণ ও অযথার্থ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন