যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৪

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

যুক্তি-১: সব কবি হয় মানুষ... সব মানুষ হয় কবি।যুক্তি-২: সকল মানুষ হয় মরণশীল।সকল গায়ক হয় মানুষ। .. সকল গায়ক হয় মরণশীল।

  1. ক)

    সরল আবর্তন কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    চতুষ্পদজনিত অনুপপত্তি কখন ঘটে?

    (2)
  3. গ)

    যুক্তি-১ এর আবর্তন প্রক্রিয়াটি কি বৈধ? বিশ্লেষণ করো।

    (3)
  4. ঘ)

    অবরোহ অনুমানের প্রকারভেদ অনুসারে যুক্তি-২ ও যুক্তি-১ এর পার্থক্য নিরূপণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে আবর্তনে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের পরিমাণ একই থাকে, অর্থাৎ আশ্রয়ের ব্যাপ্তি ও সিদ্ধান্তের ব্যাপ্তি সমান হয়, তাকে সরল আবর্তন বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    একটি আদর্শ নিরপেক্ষ সহানুমানের নিয়মানুসারে যুক্তিতে কেবল তিনটি পদ (প্রধান, অপ্রধান ও মধ্যপদ) থাকতে হয়। যদি কোনো সহানুমানে তিনটির পরিবর্তে চারটি পদ ব্যবহৃত হয় (অথবা কোনো পদ দ্ব্যর্থকভাবে ব্যবহৃত হয়ে চারটি অর্থে রূপ নেয়), তবে সেখানে চতুষ্পদজনিত অনুপপত্তি (Fallacy of four terms) ঘটে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তি-১ এর আবর্তন প্রক্রিয়াটি বৈধ নয়; এটি একটি অবৈধ আবর্তন।

    যুক্তি-১ এ 'সব কবি হয় মানুষ' (A বাক্য) থেকে সরাসরি সিদ্ধান্তে 'সব মানুষ হয় কবি' (A বাক্য) গ্রহণ করা হয়েছে।
    আবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী:
    ১. আশ্রয়বাক্যের উদ্দেশ্যপদ সিদ্ধান্তে বিধেয় হবে।
    ২. আশ্রয়বাক্যের বিধেয় পদ সিদ্ধান্তে উদ্দেশ্য হবে।
    ৩. গুণের কোনো পরিবর্তন হবে না।
    ৪. কোনো অব্যাপ্ত পদকে সিদ্ধান্তে ব্যাপ্ত করা যাবে না।

    'A' বাক্যের ক্ষেত্রে বিধেয় পদ (মানুষ) অব্যাপ্ত থাকে। কিন্তু যুক্তি-১ এ সিদ্ধান্ত হিসেবে 'A' বাক্য গ্রহণ করায় উদ্দেশ্য স্থানে গিয়ে 'মানুষ' পদটি ব্যাপ্ত হয়ে পড়েছে। ফলে এখানে আবর্তনের চতুর্থ নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে এবং 'অবৈধ 'A' আবর্তন অনুপপত্তি' ঘটেছে। সুতরাং, যুক্তি-১ এর আবর্তন প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি অবৈধ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অবরোহ অনুমানের প্রকারভেদ অনুসারে যুক্তি-১ এবং যুক্তি-২ যথাক্রমে অমাধ্যম অনুমান ও মাধ্যম অনুমানের দৃষ্টান্ত।

    এদের মধ্যকার পার্থক্য নিচে আলোচনা করা হলো:
    ১. আশ্রয়বাক্যের সংখ্যা: যুক্তি-১ হলো অমাধ্যম অবরোহ অনুমান (আবর্তন), যেখানে একটিমাত্র আশ্রয়বাক্য থেকে সরাসরি সিদ্ধান্ত নিঃসৃত হয়। অপরদিকে, যুক্তি-২ হলো মাধ্যম অবরোহ অনুমান (সহানুমান), যেখানে দুটি পরস্পর সম্বন্ধযুক্ত আশ্রয়বাক্য থেকে সিদ্ধান্ত অনুমিত হয়।
    ২. মধ্যপদের উপস্থিতি: যুক্তি-২ এ দুটি আশ্রয়বাক্যের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য একটি সাধারণ মধ্যপদ ('মানুষ') রয়েছে। কিন্তু যুক্তি-১ এ কোনো মধ্যপদ থাকে না, সরাসরি পদের স্থান পরিবর্তন ঘটে।
    ৩. জ্ঞানের নতুনত্ব ও প্রক্রিয়া: যুক্তি-১ এ আশ্রয়ের বক্তব্যকেই ভিন্ন আঙ্গিকে প্রকাশ করা হয়। পক্ষান্তরে, যুক্তি-২ এ দুটি অবধারণের সম্পর্কের ভিত্তিতে একটি সমন্বিত ও নতুন সম্বন্ধযুক্ত সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয়।
    ৪. জটিলতা: মাধ্যম অনুমান (যুক্তি-২) অমাধ্যম অনুমানের (যুক্তি-১) তুলনায় অধিকতর জটিল এবং নিয়মকানুন নির্ভর।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন