যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২২

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।

দৃষ্টান্ত-১:কালো, কাক, কৃষক দৃষ্টান্ত-২:কিছু, খুব, প্রত্যেক
দৃষ্টান্ত-৩ঃবাহ! বাহ!, আহ!, সাবাশ

  1. ক)

    পদ কী?

    (1)
  2. খ)

    সকল শব্দ পদ নয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    দৃষ্টান্ত-২ এ নির্দেশিত শব্দগুলো কোন প্রকৃতির? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    দৃষ্টান্ত-২ এ নির্দেশিত শব্দগুলো কোন প্রকৃতির? ব্যাখ্যা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: সিলেট বোর্ড ২০২২ যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্রের সৃজনশীল প্রশ্নে 'ঘ' অংশে মুদ্রণত্রুটির কারণে 'গ'-এর হুবহু পুনরাবৃত্তি হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। | প্রমিত বোর্ড প্রশ্নের ধারা অনুযায়ী 'ঘ'-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল দৃষ্টান্ত-১ (পদযোগ্য শব্দ) ও দৃষ্টান্ত-৩ (পদ-অযোগ্য শব্দ)-এর তুলনামূলক বিশ্লেষণ ও যুক্তিবাক্যে ব্যবহারের উপযোগিতা যাচাই করা।

    যে শব্দ বা শব্দসমষ্টি কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য (Subject) বা বিধেয় (Predicate) হিসেবে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহৃত হওয়ার যোগ্যতা রাখে, তাকে পদ (Term) বলে।

  2. খ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: সিলেট বোর্ড ২০২২ যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্রের সৃজনশীল প্রশ্নে 'ঘ' অংশে মুদ্রণত্রুটির কারণে 'গ'-এর হুবহু পুনরাবৃত্তি হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। | প্রমিত বোর্ড প্রশ্নের ধারা অনুযায়ী 'ঘ'-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল দৃষ্টান্ত-১ (পদযোগ্য শব্দ) ও দৃষ্টান্ত-৩ (পদ-অযোগ্য শব্দ)-এর তুলনামূলক বিশ্লেষণ ও যুক্তিবাক্যে ব্যবহারের উপযোগিতা যাচাই করা।

    যুক্তিবিদ্যায় সকল শব্দ পদ নয়, কারণ সব শব্দের স্বাধীনভাবে যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হওয়ার যোগ্যতা থাকে না।

    পদের ব্যবহারের সক্ষমতা অনুযায়ী শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়: (১) পদযোগ্য শব্দ, (২) সহ-পদযোগ্য শব্দ এবং (৩) পদ-অযোগ্য শব্দ। এর মধ্যে কেবল 'পদযোগ্য শব্দ'-ই এককভাবে কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হতে পারে। 'সহ-পদযোগ্য শব্দ' অন্য শব্দের সাহায্য ছাড়া একা পদ হতে পারে না এবং 'পদ-অযোগ্য শব্দ' কখনই কোনো যুক্তিবাক্যের পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না। যেহেতু পদের পরিধি শব্দের চেয়ে সংকীর্ণ এবং কেবল একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির শব্দই পদ হতে পারে, সেহেতু বলা যায়— সব পদই শব্দ, কিন্তু সকল শব্দ পদ নয়।

  3. গ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: সিলেট বোর্ড ২০২২ যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্রের সৃজনশীল প্রশ্নে 'ঘ' অংশে মুদ্রণত্রুটির কারণে 'গ'-এর হুবহু পুনরাবৃত্তি হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। | প্রমিত বোর্ড প্রশ্নের ধারা অনুযায়ী 'ঘ'-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল দৃষ্টান্ত-১ (পদযোগ্য শব্দ) ও দৃষ্টান্ত-৩ (পদ-অযোগ্য শব্দ)-এর তুলনামূলক বিশ্লেষণ ও যুক্তিবাক্যে ব্যবহারের উপযোগিতা যাচাই করা।

    উদ্দীপকের দৃষ্টান্ত-২ এ নির্দেশিত শব্দগুলো ('কিছু', 'খুব', 'প্রত্যেক') হলো 'সহ-পদযোগ্য শব্দ' (Syncategorematic words)।

    যেসব শব্দ নিজে স্বাধীনভাবে কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না, কিন্তু অন্য কোনো পদযোগ্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে সেটিকে উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহারে সাহায্য করে, সেগুলোকে সহ-পদযোগ্য শব্দ বলে।

    উদ্দীপকের দৃষ্টান্ত-২ এ প্রদত্ত 'কিছু', 'খুব', 'প্রত্যেক' শব্দগুলো এককভাবে কোনো অর্থপূর্ণ বক্তব্য বা যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য/বিধেয় হতে অক্ষম। কিন্তু এরা যখন পদযোগ্য শব্দের পূর্বে বসে, যেমন— 'প্রত্যেক মানুষ হয় মরণশীল' কিংবা 'কিছু ফুল হয় লাল', তখন এরা যুক্তিবাক্যের অংশ হতে সহায়তা করে। সুতরাং, ব্যাকরণিক ও যুক্তিবিদ্যাগত বিচারে দৃষ্টান্ত-২ এর শব্দগুলো সহ-পদযোগ্য প্রকৃতির।

  4. ঘ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: সিলেট বোর্ড ২০২২ যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্রের সৃজনশীল প্রশ্নে 'ঘ' অংশে মুদ্রণত্রুটির কারণে 'গ'-এর হুবহু পুনরাবৃত্তি হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। | প্রমিত বোর্ড প্রশ্নের ধারা অনুযায়ী 'ঘ'-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল দৃষ্টান্ত-১ (পদযোগ্য শব্দ) ও দৃষ্টান্ত-৩ (পদ-অযোগ্য শব্দ)-এর তুলনামূলক বিশ্লেষণ ও যুক্তিবাক্যে ব্যবহারের উপযোগিতা যাচাই করা।

    [দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে 'ঘ'-তে 'গ'-এর পুনরাবৃত্তি ঘটলেও সিলেট বোর্ড ২০২২-এর মূল প্রশ্ন অনুযায়ী এটি মূলত দৃষ্টান্ত-১ ও দৃষ্টান্ত-৩ এর তুলনামূলক বিশ্লেষণ/যুক্তিবাক্যে ব্যবহারের উপযোগিতা সংক্রান্ত। নিচে সেই আলোকেই বিশ্লেষণ করা হলো:]

    উদ্দীপকের দৃষ্টান্ত-১ এ নির্দেশিত শব্দগুলো হলো 'পদযোগ্য শব্দ' (Categorematic words) এবং দৃষ্টান্ত-৩ এ নির্দেশিত শব্দগুলো হলো 'পদ-অযোগ্য শব্দ' (Acategorematic words)। এদের মধ্যে প্রথমটি সরাসরি যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু দ্বিতীয়টি কখনই যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না।

    দৃষ্টান্ত-১ এর 'কালো', 'কাক', 'কৃষক' শব্দগুলোর নিজস্ব অর্থ রয়েছে এবং এরা অন্য কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হতে পারে। যেমন: 'কাক হয় কালো' কিংবা 'কৃষক হন পরিশ্রমী'—এখানে প্রতিটি শব্দই স্বয়ংসম্পূর্ণ পদ। এদের নির্দিষ্ট ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থ বিদ্যমান।

    অপরদিকে, দৃষ্টান্ত-৩ এর 'বাহ! বাহ!', 'আহ!', 'সাবাশ' শব্দগুলো মানুষের তাৎক্ষণিক মনের আবেগ, অনুভূতি বা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। এগুলো পদ-অযোগ্য শব্দ। এ জাতীয় শব্দ একা কিংবা অন্য কোনো শব্দের সাহায্য নিয়েও কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হতে পারে না। যুক্তিবিদ্যায় আবেগ প্রকাশের স্থান নেই, বরং সত্যতা যাচাইযোগ্য অবধারণ বা যুক্তিবাক্য গঠনই মূল লক্ষ্য।

    অতএব, দৃষ্টান্ত-১ এর শব্দগুলো এককভাবেই যুক্তিবাক্যের পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে সক্ষম, কিন্তু দৃষ্টান্ত-৩ এর আবেগসূচক শব্দগুলো কখনোই যুক্তিবাক্যে পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন