ভূগোল ১ম পত্র • Combined Board • রাজশাহী, যশোর বোর্ড ২০২২
ভূগোল ১ম পত্র প্রশ্ন
সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।

- ক)(1)
মৌসুমি জলবায়ু কী?
- খ)(2)
বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত জলবায়ুর বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: মানচিত্রের ভূমধ্যসাগর সংলগ্ন ছায়াবৃত অংশটিকে 'ক' (ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল) ধরা হয়েছে। | মানচিত্রের ০° বা বিষুবরেখা সংলগ্ন ছায়াবৃত অংশসমূহকে 'খ' (নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল) ধরা হয়েছে।
ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে যে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, তাকে মৌসুমি বায়ু বলে এবং এই বায়ুর প্রভাবে গড়ে ওঠা জলবায়ুকে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- খ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: মানচিত্রের ভূমধ্যসাগর সংলগ্ন ছায়াবৃত অংশটিকে 'ক' (ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল) ধরা হয়েছে। | মানচিত্রের ০° বা বিষুবরেখা সংলগ্ন ছায়াবৃত অংশসমূহকে 'খ' (নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল) ধরা হয়েছে।
বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়াকে বিশ্ব উষ্ণায়ন বলে। মূলত অনিয়ন্ত্রিতভাবে কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, দ্রুত শিল্পায়ন, যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া এবং ব্যাপক বনভূমি ধ্বংসের ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অন্যান্য তাপগ্রাহী গ্যাস বৃদ্ধি পায়। এসব গ্যাস ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর সামগ্রিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে।
- গ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: মানচিত্রের ভূমধ্যসাগর সংলগ্ন ছায়াবৃত অংশটিকে 'ক' (ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল) ধরা হয়েছে। | মানচিত্রের ০° বা বিষুবরেখা সংলগ্ন ছায়াবৃত অংশসমূহকে 'খ' (নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল) ধরা হয়েছে।
উদ্দীপকের মানচিত্রে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল (ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী অঞ্চল)। নিচে এই জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো:
১. আর্দ্র শীতকাল ও শুষ্ক গ্রীষ্মকাল: এই জলবায়ুর প্রধানতম বৈশিষ্ট্য হলো গ্রীষ্মকাল থাকে শুষ্ক ও রৌদ্রোজ্জ্বল এবং শীতকালে পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়।
২. উষ্ণতা: গ্রীষ্মকালে গড় তাপমাত্রা থাকে প্রায় ২১° থেকে ২৭° সেলসিয়াস এবং শীতকালে গড় তাপমাত্রা থাকে প্রায় ৫° থেকে ১০° সেলসিয়াস।
৩. বৃষ্টিপাত: শীতকালে পশ্চিমা বায়ুর সংস্পর্শে নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণিবাত সৃষ্টি হয়ে প্রায় ২৫ থেকে ৭৫ সেমি বৃষ্টিপাত হয়; গ্রীষ্মকালে উত্তর-পূর্ব বা দক্ষিণ-পূর্ব বাণিজ্য বায়ুর প্রভাবে কোনো বৃষ্টিপাত হয় না।
৪. জলবায়ুর মনোরম প্রকৃতি: মেঘমুক্ত আকাশ, মৃদু শীত এবং সহনীয় উষ্ণতার কারণে এখানকার জলবায়ু অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর ও মনোরম। - ঘ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: মানচিত্রের ভূমধ্যসাগর সংলগ্ন ছায়াবৃত অংশটিকে 'ক' (ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল) ধরা হয়েছে। | মানচিত্রের ০° বা বিষুবরেখা সংলগ্ন ছায়াবৃত অংশসমূহকে 'খ' (নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল) ধরা হয়েছে।
উদ্দীপকের 'ক' চিহ্নিত অঞ্চল হলো ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু এবং 'খ' চিহ্নিত অঞ্চল (বিষুবরেখা বরাবর) হলো নিরক্ষীয় জলবায়ু। এই দুই জলবায়ুর মধ্যে সুস্পষ্ট বৈসাদৃশ্য নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. বৃষ্টিপাতের সময় ও ধরন: নিরক্ষীয় জলবায়ুতে সারা বছর পরিচলন প্রক্রিয়ায় প্রায় প্রতিদিন বিকেলে বা সন্ধ্যায় প্রবল বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাত (৪ ও'ক্লক রেইন) হয়। অন্যদিকে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে; কেবল শীতকালে পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়।
২. ঋতুভেদ: নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় বার্ষিক তাপমাত্রার পার্থক্য অত্যন্ত কম এবং এখানে মূলত কোনো স্পষ্ট শীতকাল বা ঋতুভেদ নেই। অপরপক্ষে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে স্পষ্ট উষ্ণ গ্রীষ্মকাল এবং মৃদু শীতল শীতকাল অনুভূত হয়।
৩. বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ও পরিসর: নিরক্ষীয় অঞ্চলে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা বেশি (প্রায় ২৭° সেলসিয়াস) কিন্তু দৈনিক ও বার্ষিক তাপমাত্রার পরিসর খুব কম (২°–৩° সেলসিয়াস)। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে গ্রীষ্ম ও শীতের তাপমাত্রার ব্যবধান তুলনামূলকভাবে বেশ বেশি।
৪. স্বাভাবিক উদ্ভিদ: নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রচুর বৃষ্টি ও উত্তাপের কারণে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ ঘন বনভূমির সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে শুষ্ক গ্রীষ্মকালের সাথে মানিয়ে নিতে জলপাই, আঙুর, কমলালেবু, কর্ক ও পুরু ছালযুক্ত গুল্মজাতীয় উদ্ভিদের প্রাচুর্য দেখা যায়।অতএব, বৃষ্টিপাতের প্রকৃতি, ঋতুচক্র এবং তাপমাত্রার তারতম্যের দিক থেকে 'ক' ও 'খ' অঞ্চলের জলবায়ুর মধ্যে সুস্পষ্ট বৈসাদৃশ্য বিদ্যমান।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও