ভূগোল ১ম পত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, যশোর, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯

ভূগোল ১ম পত্র প্রশ্ন

নজীব দীর্ঘ দশ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস থেকে ঢাকায় আসে। এখানকার গাড়ির কালো ধোঁয়া, কলকারখানার নির্গত গ্যাসের ফলে সৃষ্ট দূষণে তার জন্য একটি অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়।”

  1. ক)

    CFC এর পূর্ণরূপ কী?

    (1)
  2. খ)

    জীবের জন্য বায়ুমণ্ডলের কোন স্তর অধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    মানবদেহের উপর উদ্দীপকে উল্লিখিত দূষণের প্রভাব ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত দূষণ প্রতিরোধে করণীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    CFC এর পূর্ণরূপ হলো Chlorofluorocarbon (ক্লোরোফ্লুরোকার্বন)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জীবজগতের জন্য বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তর হলো ট্রপোমণ্ডল (Troposphere)। বায়ুমণ্ডলের এই স্তরেই জীবের বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় উপাদান যেমন অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড বিদ্যমান। এছাড়া আবহাওয়া ও জলবায়ুর মূল উপাদানসমূহ— মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, তুষারপাত, ঝড় ও আর্দ্রতা এই স্তরেই সংঘটিত হয়, যা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সমগ্র জীবজগতের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে যানবাহনের কালো ধোঁয়া ও কলকারখানার নির্গত গ্যাসের মাধ্যমে সৃষ্ট 'বায়ুদূষণ'-এর কথা বলা হয়েছে। বায়ুদূষণ মানবদেহে নানা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। বাতাসে কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেনের অক্সাইড এবং বস্তুকণা (PM2.5 ও PM10) বৃদ্ধির কারণে মানুষের শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতি হয়। এর ফলে ব্রঙ্কাইটিস, হাঁপানি (অ্যাজমা), ফুসফুসের প্রদাহ ও অ্যালার্জি দেখা দেয়। দীর্ঘমেয়াদে এ দূষণের ফলে ফুসফুসে ক্যান্সার, হৃদরোগ এবং উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে। শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয় এবং গর্ভবতী নারীদের নানা জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত বায়ুদূষণ প্রতিরোধে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক। প্রথমত, ত্রুটিপূর্ণ ও অতিরিক্ত ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে হবে এবং যানবাহনে উন্নতমানের ও কম দূষণকারী জ্বালানি (যেমন সিএনজি, এলপিজি, বিদ্যুৎ) ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, কলকারখানার ধোঁয়া নির্গমনের আগে উন্নত ফিল্টার বা স্ক্রাবার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং আবাসিক এলাকা থেকে দূরে শিল্পকারখানা স্থাপন করতে হবে। তৃতীয়ত, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার হ্রাস করে সৌরশক্তি ও বায়ুর মতো নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে বৃক্ষরোপণ করা এবং উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য পোড়ানো নিষিদ্ধ করা উচিত। সর্বোপরি, কঠোর পরিবেশ আইনের প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাই বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রধান উপায়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন