কৃষিশিক্ষা ২য় পত্র • Combined Board • রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর বোর্ড ২০১৯

কৃষিশিক্ষা ২য় পত্র প্রশ্ন

ফরিদপুর গ্রামের অধিকাংশ কৃষক গরিব। অর্থ এবং কারিগরি জ্ঞানের অভাবে তারা কাঙ্ক্ষিত ফলন পাচ্ছে না। কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শক্রমে তারা একজোট হয়ে একটি সংগঠন গড়ে। তোলে। উক্ত সংগঠনের মাধ্যমে তারা ব্যাংক থেকে কৃষি ঋণ নিয়ে ফসল চাষ করে সফল হলো।

  1. ক)

    ফসল বিন্যাস কী?

    (1)
  2. খ)

    ফসলের জমিতে শস্য পর্যায় অবলম্বন করা হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষি ঋণের উৎসসমূহ ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের আলোকে সংগঠনটি কৃষি উন্নয়নে কীভাবে ভূমিকা রাখে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    নির্দিষ্ট কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে কোনো নির্দিষ্ট জমিতে সারা বছর ধরে ক্রমানুসারে বিভিন্ন ফসল আবাদের পরিকল্পনা বা বিন্যাসকে ফসল বিন্যাস বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মাটির উর্বরতা শক্তি বজায় রাখা এবং রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ফসলের জমিতে শস্য পর্যায় অবলম্বন করা হয়। একই জমিতে পরপর ভিন্ন ভিন্ন পুষ্টি চাহিদার ও ভিন্ন গোত্রের ফসল আবাদ করলে মাটির নির্দিষ্ট পুষ্টির ঘাটতি হয় না এবং ফসলের রোগ-পোকার জীবনচক্র ভেঙে গিয়ে ফলন বৃদ্ধি পায়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষকেরা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ফসল চাষ করেছেন, যা প্রাতিষ্ঠানিক কৃষি ঋণের একটি রূপ। কৃষি ঋণের প্রধান উৎসসমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়: ১. প্রাতিষ্ঠানিক উৎস: এর মধ্যে রয়েছে বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংক (যেমন- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক), রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ, সমবায় ব্যাংক এবং বিভিন্ন সরকার অনুমোদিত ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (এনজিও)। উদ্দীপকের কৃষকরা একটি সংগঠনের মাধ্যমে এ ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করেছেন, যেখানে সুদের হার তুলনামূলকভাবে কম ও সুবিধাজনক। ২. অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস: এতে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, গ্রাম্য মহাজন, ধনী কৃষক ও ব্যবসায়ী অন্তর্ভুক্ত। তবে অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎসে সুদের হার মাত্রাতিরিক্ত বেশি থাকে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষকদের গড়ে তোলা সমবায়ভিত্তিক সংগঠনটি কৃষি উন্নয়নে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা রাখে। প্রথমত, গরিব কৃষকদের ব্যক্তিগতভাবে ব্যাংক ঋণ পাওয়া কঠিন হলেও সংগঠনের সম্মিলিত শক্তির কারণে তারা প্রাতিষ্ঠানিক কৃষি ঋণ সহজেই লাভ করতে সক্ষম হয়েছে, যা তাদের মূলধন সমস্যার সমাধান করেছে। দ্বিতীয়ত, এই সংগঠনের মাধ্যমে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি, উন্নত বীজ, সার ও কীটনাশক যৌথভাবে কম খরচে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। তৃতীয়ত, কৃষি কর্মকর্তার সাথে যৌথ যোগাযোগের ফলে কৃষকেরা আধুনিক কারিগরি জ্ঞান ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষম হয়। পরিশেষে, দলগতভাবে উৎপাদিত ফসল বাজারজাতকরণের মাধ্যমে কৃষকরা মধ্যস্বত্বভোগীদের শোষণ এড়িয়ে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পারে। সুতরাং, এমন যৌথ সংগঠন কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে সামগ্রিক কৃষি উন্নয়নে চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন