গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা • মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬
গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন
সৌমিক ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় ঘুরতে যায়। সে দেখতে পায় এই এলাকায় অল্প জায়গায় প্রচুর লোক বাস করে। এলাকার ট্যানারির বর্জ্য এলাকাবাসীর জন্য একটি বড় সমস্যা। ফলে তাদের পরিবেশের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
- ক)(1)
জলোচ্ছ্বাসে পানির উচ্চতা কত পর্যন্ত উঠতে পারে?
- খ)(2)
দুর্যোগ-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে সৌমিকের দেখা এলাকায় বিদ্যমান পরিবেশ দূষণের কারণগুলো চিহ্নিত করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে সৌমিকের দেখা এলাকায় বিদ্যমান পরিবেশ দূষণের কারণ ছাড়া আরও অনেক কারণে পরিবেশ দূষণ হতে পারে- কথাটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের সময় জলোচ্ছ্বাসের পানির উচ্চতা সাধারণত ১০ থেকে ৩০ ফুট বা তারও বেশি (প্রায় ৩ থেকে ৯ মিটারের অধিক) পর্যন্ত উঠতে পারে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দুর্যোগ সংঘটিত হওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার, তাৎক্ষণিক ত্রাণ বিতরণ, জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদান, পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামত ও পুনর্নির্মাণের সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে দুর্যোগ-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা বলা হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো স্বাভাবিক জনজীবন দ্রুত ফিরিয়ে আনা।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে সৌমিকের দেখা এলাকায় পরিবেশ দূষণের প্রধান কারণগুলো হলো:
১. অতিরিক্ত জনসংখ্যা ও ঘনবসতি: অল্প জায়গায় প্রচুর লোক বসবাস করার ফলে প্রচুর গৃহস্থালি বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে এবং পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
২. শিল্পবর্জ্য (ট্যানারির বর্জ্য): হাজারীবাগের চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা বা ট্যানারি থেকে নির্গত অপরিশোধিত ক্ষতিকর রাসায়নিক, পচা চামড়ার অবশিষ্টাংশ এবং বিষাক্ত তরল বর্জ্য সরাসরি মাটি ও পানিতে মিশে পানি ও বায়ু দূষণ ঘটাচ্ছে।
৩. তীব্র দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ: ট্যানারির রাসায়নিক ও বর্জ্যের কারণে চারপাশের বাতাস ও পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ বিনষ্ট করছে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে সৌমিকের দেখা এলাকার কারণগুলো (ঘনবসতি ও ট্যানারির বর্জ্য) ছাড়াও পরিবেশ দূষণের আরও বহুবিধ কারণ রয়েছে—উক্তিটি সম্পূর্ণ সত্য।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলো নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. যানবাহনের ধোঁয়া: শহর ও শিল্পাঞ্চলে মাত্রাতিরিক্ত মোটরযান থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড, সিসা ইত্যাদি বাতাসকে মারাত্মকভাবে বিষাক্ত করে।
২. নির্বিচারে বন উজাড় (Deforestation): গাছপালা কেটে ফেলার ফলে বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
৩. কৃষিতে রাসায়নিকের ব্যবহার: ফসলের জমিতে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে মাটি ও পানির গুণাগুণ নষ্ট হচ্ছে।
৪. প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য: অপচনশীল প্লাস্টিক দ্রব্যাদি নিষ্কাশন পথ বন্ধ করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে এবং মাটির উর্বরতা নষ্ট করে।
৫. শব্দদূষণ: কলকারখানা, মাইক ও গাড়ির হর্নের উচ্চশব্দ পরিবেশ দূষণের আরেকটি প্রধান কারণ।সুতরাং, কেবল ট্যানারির বর্জ্য ও ঘনবসতিই নয়, বরং মানুষের সার্বিক অসচেতনতা ও অবিবেচক কর্মকাণ্ডের বহুবিধ কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও