উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২২

উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র প্রশ্ন

‘রয়েল কোম্পানি' দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশের একটি পরিচিত শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদনসংক্রান্ত তথ্যাবলি নিম্নরূপ :
এককপ্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয় ৩০ টাকা। মোট স্থায়ী ব্যয় ৯,০০,০০০ টাকা। বিক্রয়ের পরিমাণ ১,৫০,০০০ একক। মোট ৩০,০০,০০০ টাকা । মুনাফআর হার ১৫%। মোট বিনিয়োগের পরিমাণ

  1. ক)

    লোভনীয় পণ্য কী?

    (1)
  2. খ)

    পণ্য জীবনচক্রের প্রবৃদ্ধি স্তর বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    প্রতিষ্ঠানটির পণ্যের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ কর ।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্যের আলোকে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত পণ্যের ভারসাম্য বিন্দু নির্ণয়পূর্বক তোমার মতামত দাও ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যেসব পণ্য ক্রেতারা কোনো পূর্বপরিকল্পনা বা খোঁজাখুঁজি ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে দেখা মাত্রই কিনে ফেলেন, সেগুলোকে লোভনীয় পণ্য বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পণ্য জীবনচক্রের যে স্তরে বাজারে পণ্যের বিক্রয় ও মুনাফা দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পায়, তাকে প্রবৃদ্ধি স্তর বলে।

    এ স্তরে পণ্যের পরিচিতি বাড়ে, নতুন নতুন ক্রেতা পণ্যটি গ্রহণ করে এবং বাজারে প্রতিযোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ফলে প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের জন্য বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রচারমূলক কার্যক্রম জোরদার করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির মোট ব্যয় এবং মুনাফার ভিত্তিতে এককপ্রতি বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হলো:

    দেওয়া আছে,
    এককপ্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয় (VC) = ৩০ টাকা
    বিক্রয়ের পরিমাণ (Q) = ১,৫০,০০০ একক
    অতএব, মোট পরিবর্তনশীল ব্যয় = ১,৫০,০০০ × ৩০ = ৪৫,০০,০০০ টাকা
    মোট স্থায়ী ব্যয় (FC) = ৯,০০,০০০ টাকা

    মোট ব্যয় = মোট স্থায়ী ব্যয় + মোট পরিবর্তনশীল ব্যয়
    = ৯,০০,০০০ + ৪৫,০০,০০০
    = ৫৪,০০,০০০ টাকা

    মোট বিনিয়োগ = ৩০,০০,০০০ টাকা
    মুনাফার হার = মোট বিনিয়োগের ১৫%
    সুতরাং, মোট মুনাফা = ৩০,০০,০০০ × ১৫% = ৪,৫০,০০০ টাকা

    অতএব, মোট বিক্রয়মূল্য = মোট ব্যয় + মোট মুনাফা
    = ৫৪,০০,০০০ + ৪,৫০,০০০
    = ৫৮,৫০,০০০ টাকা

    সুতরাং, এককপ্রতি বিক্রয়মূল্য = মোট বিক্রয়মূল্য ÷ বিক্রয়ের পরিমাণ
    = ৫৮,৫০,০০০ ÷ ১,৫০,০০০
    = ৩৯ টাকা।

    সুতরাং, প্রতিষ্ঠানটির প্রতি একক পণ্যের বিক্রয়মূল্য ৩৯ টাকা।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্যের আলোকে প্রতিষ্ঠানটির সমচ্ছেদ বিন্দু বা ভারসাম্য বিন্দু (Break-even Point) নির্ণয় করা হলো:

    'গ' হতে পাই,
    এককপ্রতি বিক্রয়মূল্য (P) = ৩৯ টাকা
    এককপ্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয় (V) = ৩০ টাকা
    এককপ্রতি দত্তাংশ বা অনুদান (Contribution Margin, CM) = P - V = ৩৯ - ৩০ = ৯ টাকা
    মোট স্থায়ী ব্যয় (FC) = ৯,০০,০০০ টাকা

    ভারসাম্য বিন্দু (এককে) = মোট স্থায়ী ব্যয় ÷ এককপ্রতি দত্তাংশ
    = ৯,০০,০০০ ÷ ৯
    = ১,০০,০০০ একক

    টাকায় ভারসাম্য বিন্দু = ভারসাম্য বিন্দু (এককে) × এককপ্রতি বিক্রয়মূল্য
    = ১,০০,০০০ × ৩৯
    = ৩৯,০০,০০০ টাকা

    মতামত:
    ভারসাম্য বিন্দু হলো এমন একটি উৎপাদন ও বিক্রয় স্তর যেখানে প্রতিষ্ঠানের মোট আয় ও মোট ব্যয় সমান হয়, অর্থাৎ লাভ বা ক্ষতি কিছুই হয় না। প্রতিষ্ঠানটির ভারসাম্য বিন্দু হলো ১,০০,০০০ একক।

    প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান বিক্রয়ের পরিমাণ ১,৫০,০০০ একক, যা ভারসাম্য বিন্দুর (১,০০,০০০ একক) চেয়ে ৫০,০০০ একক বেশি। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তা প্রান্ত (Margin of Safety) ইতিবাচক (৫০,০০০ একক বা ১৯,৫০,০০০ টাকা)। এটি নির্দেশ করে যে প্রতিষ্ঠানটি নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে এবং কাঙ্ক্ষিত মুনাফা (৪,৫০,০০০ টাকা) অর্জন করতে সক্ষম। অতএব, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনগত অবস্থা সন্তোষজনক ও লাভজনক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন