গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র • শহীদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ • শহীদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    ব্রেইল পদ্ধতি কী?

    (1)
  2. খ)

    শিশুর অটিজম কীভাবে শনাক্ত করা যায়। ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে ? চিহ্নিত স্থানে কী নির্দেশ করে তা সম্পর্কে তুমি কী জানো তা বইয়ের আলোকে আলোচনা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর প্রতি পরিবার ও সমাজের দায়িত্ব কী তা আলোচনা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ব্রেইল পদ্ধতি হলো দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য বিন্দু বা ডট উঁচু করে লেখার এবং স্পর্শের মাধ্যমে পড়ার একটি বিশেষ লিখন ও পঠন পদ্ধতি।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    শিশুর সামাজিক যোগাযোগ, আচরণ ও বিকাশজনিত বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে অটিজম শনাক্ত করা যায়। অটিস্টিক শিশুরা সাধারণত অন্যের সাথে চোখের যোগাযোগ (আই কন্টাক্ট) করে না, নিজের নাম ধরে ডাকলে সাড়া দেয় না এবং সমবয়সীদের সাথে মিশতে পারে না। তারা একই ধরনের আচরণ বা কথা বারবার পুনরাবৃত্তি করে এবং তাদের দৈনন্দিন রুটিনে সামান্য পরিবর্তন হলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায়। চিকিৎসকের বিশেষ মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণমূলক পরীক্ষার মাধ্যমে শিশুর জন্মের ১৮ থেকে ৩৬ মাসের মধ্যে অটিজম নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে 'প্রতিবন্ধী শিশু' নির্দেশ করে।

    পাঠ্যবই অনুযায়ী, যেসব শিশু সাধারণ শিশুদের মতো স্বাভাবিকভাবে শারীরিক বা মানসিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারে না, তাদের প্রতিবন্ধী শিশু বলা হয়। প্রতিবন্ধিতা বিভিন্ন ধরণের হতে পারে, যেমন—শারীরিক প্রতিবন্ধী, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী এবং বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। শারীরিক প্রতিবন্ধীদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের গঠনগত বা কার্যগত ত্রুটি থাকে। দৃষ্টি ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের যথাক্রমে দেখা ও শোনার ক্ষেত্রে সমস্যা থাকে, যার ফলে বাকপ্রতিবন্ধিতারও সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুদের বুদ্ধ্যাঙ্ক সাধারণ শিশুদের চেয়ে কম থাকে এবং তারা নিজেদের বয়স অনুযায়ী মানসিক বিকাশ ঘটাতে পারে না। যথাযথ যত্ন, চিকিৎসা এবং বিশেষ শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে এই শিশুদের স্বাবলম্বী করে তোলা সম্ভব।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর সুষ্ঠু বিকাশ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য পরিবার ও সমাজের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।

    পরিবারের দায়িত্ব:
    ১. অবহেলা না করে শিশুকে ভালোবাসা, মনোযোগ ও মানসিক সমর্থন দেওয়া।
    ২. শিশুর সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় থেরাপি ও চিকিৎসা প্রদান করা।
    ৩. শিশুর দৈনন্দিন কাজগুলো যতটা সম্ভব নিজে নিজে করার প্রশিক্ষণ দেওয়া।
    ৪. বিশেষ শিক্ষা ও সহায়ক উপকরণের (যেমন—হুইলচেয়ার, শ্রবণযন্ত্র, ব্রেইল বই) ব্যবস্থা করা।

    সমাজের দায়িত্ব:
    ১. বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দূর করে সহমর্মিতা ও সহযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা।
    ২. বিশেষ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ বিদ্যালয়ে সমন্বিত শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা।
    ৩. বিভিন্ন স্থানে (যেমন—রাস্তাঘাট, বাস, ভবন) র‍্যাম্পসহ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের চলাচলের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা।
    ৪. বড় হয়ে যেন তারা স্বাবলম্বী হতে পারে সেজন্য বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

    অতএব, পরিবার ও সমাজের ইতিবাচক ভূমিকা ও দায়িত্বশীল আচরণই পারে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুকে সমাজের মূলধারায় একীভূত করতে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন