‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার • ঢাকা কলেজ • ঢাকা কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

শিবলী দীর্ঘদিন 'ক' রাষ্ট্রে কর্মরত। ছুটিতে দেশে আসার সময় সে তার মালিককে নিয়ে দেশে বেড়াতে আসে। ইতোমধ্যে দেশে জাতীয় নির্বাচনের দিন ধার্য হয়। শিবলী ও তার স্ত্রী যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেয়। এছাড়া শিবলী কর অফিসে গিয়ে করও প্রদান করে। নির্বাচনে লাইনে দাঁড়িয়ে নারী-পুরুষ সমানভাবে ভোট দিতে দেখে তার মালিক খুব আশ্চর্য হয়। তাদের দেশে ভোটাধিকার সীমিত, কর্মক্ষেত্রের সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

  1. ক)

    অধিকার কী?

    (1)
  2. খ)

    তথ্য অধিকার বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে ৱর্ণিত 'ক' দেশের নারীরা কোন ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত শিবলী ও তার মালিকের দেশের মধ্যে কোন দেশ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট রয়েছে? তার সপক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অধিকার হলো সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত এমন কতগুলো সুযোগ-সুবিধা, যা ব্যতীত ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    তথ্য অধিকার বলতে কোনো কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে আইন অনুযায়ী তথ্য প্রাপ্তির অধিকারকে বোঝায়।

    সরকারি বা বেসরকারি বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত, কার্যক্রম ও জবাবদিহিতা জানার জন্য নাগরিকের যে আইনগত সুযোগ থাকে, তা-ই তথ্য অধিকার। এটি স্বচ্ছতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধের অন্যতম একটি উপায়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' দেশের নারীরা মূলত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত।

    রাজনৈতিক অধিকার হলো নাগরিকদের রাষ্ট্র পরিচালনায় ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ করার ক্ষমতা, যার অন্যতম দিক হলো প্রাপ্তবয়স্কদের সার্বজনীন ভোটাধিকার। উদ্দীপকে উল্লেখ আছে, 'ক' দেশে ভোটাধিকার সীমিত, অর্থাৎ নারীরা সেখানে সমানভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে না, যা স্পষ্টতই তাদের রাজনৈতিক অধিকার খর্ব করার প্রমাণ।

    একই সাথে উদ্দীপকে বলা হয়েছে সে দেশে কর্মক্ষেত্রের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যা অর্থনৈতিক অধিকার হরণের অন্তর্ভুক্ত। অর্থনৈতিক অধিকার হলো জীবিকা অর্জনের উপযুক্ত সুযোগ, কাজের অধিকার ও সমকাজে সমমজুরি পাওয়ার নিশ্চয়তা। 'ক' দেশের নারীদের কর্মসংস্থানের স্বাধীনতা না থাকা তাদের আত্মনির্ভরশীলতার পথকে রুদ্ধ করে। সুতরাং, নারীরা সেখানে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উভয় অধিকার থেকেই বঞ্চিত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত দেশ দুটির মধ্যে শিবলীর নিজ দেশ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বেশি সচেষ্ট রয়েছে।

    গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের সার্বভৌমত্ব, সার্বজনীন ভোটাধিকার, রাজনৈতিক সমতা ও সুশাসন। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের ভোটাধিকারের নিশ্চয়তা থাকে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় নাগরিকরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়।

    শিবলীর দেশে জাতীয় নির্বাচনে শিবলী ও তার স্ত্রী উভয়েই স্বাধীনভাবে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেয় এবং নারী-পুরুষ সমানভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। তাছাড়া নাগরিক হিসেবে কর প্রদান করে শিবলী তার নাগরিক দায়িত্বও পালন করে। অপরদিকে, তার মালিকের দেশ অর্থাৎ 'ক' রাষ্ট্রে ভোটাধিকার সীমিত এবং কর্মক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান, যা স্বৈরতান্ত্রিক বা অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য। সুতরাং, ভোটাধিকার ও নাগরিক অংশগ্রহণের সমতা নিশ্চিতের মধ্য দিয়ে শিবলীর দেশই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সুস্পষ্টভাবে সচেষ্ট রয়েছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন