ভূগোল ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, যশোর বোর্ড ২০২২

ভূগোল ২য় পত্র প্রশ্ন

বিভার দেশটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত। দেশটির সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তের সংযুক্তি রয়েছে।

  1. ক)

    রাজনৈতিক অঞ্চল কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    পৃথিবীর 'সূর্য উদয়ের দেশ' বলা হয় কোন দেশকে? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে আলোচিত দেশের ভৌগোলিক অবস্থান ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশের প্রশাসনিক স্তর বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    নির্দিষ্ট শাসনব্যবস্থা, সার্বভৌমত্ব বা রাজনৈতিক কর্তৃত্বের অধীন ভৌগোলিক এলাকাকে রাজনৈতিক অঞ্চল বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জাপানকে পৃথিবীর 'সূর্য উদয়ের দেশ' বলা হয়। জাপান পৃথিবীর সর্বপূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র। পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করার কারণে পূর্বের দেশগুলোতে আগে সূর্যোদয় দেখা যায়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে জাপানে প্রথম সূর্যের আলো দেখা যায় বলে একে 'সূর্যোদয়ের দেশ' বা 'নিপ্পন' বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে আলোচিত ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী দেশটি হলো বাংলাদেশ (যদিও বাংলাদেশ মূলত দক্ষিণ এশিয়ার অংশ, উদ্দীপকে বর্ণিত সীমান্তবর্তী বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এটি বাংলাদেশকে নির্দেশ করে)।

    ভৌগোলিক অবস্থান:
    ১. অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশগত অবস্থান: বাংলাদেশ ২০°৩৪' উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। কর্কটক্রান্তিরেখা বাংলাদেশের প্রায় মাঝামাঝি স্থান দিয়ে অতিক্রম করেছে।
    ২. আপেক্ষিক বা পারিপার্শ্বিক অবস্থান: বাংলাদেশের পশ্চিমে ও উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য; উত্তর-পূর্বে ভারতের আসাম ও মেঘালয়; পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং মিয়ানমার অবস্থিত। দেশটির দক্ষিণ প্রান্তে রয়েছে সুবিশাল বঙ্গোপসাগর।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটি হলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা একটি কেন্দ্রীভূত ও স্তরভিত্তিক কাঠামো দ্বারা পরিচালিত। নিচে বাংলাদেশের প্রশাসনিক স্তরসমূহ বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. কেন্দ্রীয় পর্যায়: এটি প্রশাসনিক ব্যবস্থার শীর্ষস্তর। রাজধানী ঢাকা থেকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সচিবালয়ের মাধ্যমে দেশব্যাপী নীতি ও পরিকল্পনা গ্রহণ ও তদারকি করা হয়।
    ২. বিভাগীয় পর্যায়: দেশকে সুষম শাসনের জন্য ৮টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে (ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ)। বিভাগের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন বিভাগীয় কমিশনার।
    ৩. জেলা পর্যায়: বিভাগগুলোর অধীনে মোট ৬৪টি জেলা রয়েছে। জেলা প্রশাসন মাঠপর্যায়ের মূল ভিত্তি, যার নেতৃত্বে থাকেন জেলা প্রশাসক (DC)।
    ৪. উপজেলা পর্যায়: জেলাগুলোকে ৪৯৫টি উপজেলায় বিভক্ত করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (UNO)।
    ৫. ইউনিয়ন পর্যায়: স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন কিন্তু তৃণমূল পর্যায়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ।

    এভাবে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত স্তরভিত্তিক প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের আইনশৃঙ্খলা, রাজস্ব ও সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন