ইতিহাস ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২
ইতিহাস ২য় পত্র প্রশ্ন
``জোর যার মুল্লুক তার।"
- ক)(1)
হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনীর নাম কী?
- খ)(2)
‘ভাইমার' প্রজাতন্ত্র সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখ।
- গ)(3)
উদ্দীপকের এই প্রবাদের সাথে ইউরোপের কোন দুইজন রাষ্ট্রনায়কের মিল রয়েছে- ব্যাখ্যা দাও।
- ঘ)(4)
উক্ত কর্মকাণ্ড কীভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গতিকে ত্বরান্বিত করেছিল? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনীর নাম ‘গেস্টাপো’ (Gestapo)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় এবং কায়জার দ্বিতীয় উইলিয়ামের পতনের পর ১৯১৯ সালে ভাইমার নামক স্থানে একটি জাতীয় পরিষদ গঠিত হয় এবং জার্মানিকে একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে ‘ভাইমার প্রজাতন্ত্র’ বলা হয়। অর্থনৈতিক সংকট, বেকারত্ব এবং ভার্সাই চুক্তির অসম্মানজনক শর্তাবলির কারণে শুরু থেকেই এ প্রজাতন্ত্র দুর্বল ছিল, যা ১৯৩৩ সালে হিটলারের ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে বিলুপ্ত হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের প্রবাদ "জোর যার মুল্লুক তার"-এর সাথে ইউরোপের দুই কুখ্যাত ফ্যাসিবাদী একনায়ক অ্যাডলফ হিটলার (জার্মানি) এবং বেনিতো মুসোলিনি (ইতালি)-র মিল রয়েছে।
উভয় নেতাই শক্তির রাজনীতি, সামরিক আধিপত্য এবং আগ্রাসী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী ছিলেন। আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতি ও পরাশক্তিদের মতামত তোয়াক্কা না করে তারা কেবল পেশিশক্তির জোরে প্রতিবেশীদের ওপর আধিপত্য বিস্তারের নীতি অনুসরণ করেন। মুসোলিনি ১৯৩৫ সালে আবিসিনিয়া (ইথিওপিয়া) দখল করেন এবং হিটলার একের পর এক রাইনল্যান্ড পুনর্দখল, অস্ট্রিয়া সংযুক্তি এবং চেকোস্লোভাকিয়ার সুদেতেনল্যান্ড দখল করেন। তাদের এই কর্মকাণ্ড ছিল মূলত উদ্দীপকের "জোর যার মুল্লুক তার" নীতিরই বাস্তব প্রতিফলন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হিটলার ও মুসোলিনির বলপ্রয়োগ ও আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতি সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনাকে ত্বরান্বিত করেছিল।
মুসোলিনির ফ্যাসিবাদ এবং হিটলারের নাৎসিবাদ প্রতিষ্ঠার পর তারা লিগ অব নেশনসের মতো আন্তর্জাতিক শান্তি সংস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখান। হিটলার প্রকাশ্যে ভার্সাই চুক্তির শর্তাবলি লঙ্ঘন করে জার্মানির সেনাবহর বৃদ্ধি করেন এবং অস্ত্রসজ্জা শুরু করেন। ব্রিটেন ও ফ্রান্সের তোষণনীতির সুযোগ নিয়ে হিটলার একের পর এক অঞ্চল গ্রাস করতে থাকেন। অন্যদিকে, ইতালিও আবিসিনিয়া ও আলবেনিয়া দখল করে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করে।
পরবর্তীতে হিটলার ও মুসোলিনির মধ্যে 'রোম-বার্লিন অক্ষচুক্তি' গঠিত হয়, যা পরে জাপানের যোগদানে 'রোম-বার্লিন-টোকিও অক্ষ' শক্তিতে রূপ নেয়। সবশেষে ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর হিটলার কর্তৃক জোরপূর্বক পোল্যান্ড আক্রমণের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে ওঠে। সুতরাং, শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের রাজ্য বিস্তার নীতিই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পথকে চূড়ান্তভাবে প্রশস্ত করেছিল।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও