Combined Board ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২
22টি প্রশ্ন
- 1.
উনিশ শতকের গোড়ার দিকে উপনিবেশ ও সাম্রাজ্যবাদ ভয়ংকর আকার ধারণ করে। এমনি এক সময়ে একটি দেশে এক দম্পতির অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্বে, এক ভয়ংকর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- 2.
তমদ্দুন মজলিস ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে তাদের লেখালেখির মাধ্যমে বেগবান করে। তাই বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা' করার দাবি তুলে ধরে ভাষা আন্দোলনের মনস্তাত্ত্বিক পটভূমি সৃষ্টিতে তাদের অবদান অনস্বীকার্য। তবে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক বৈষম্য ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডও ভাষা আন্দোলনে পরোক্ষ ভূমিকা রাখে।
- 3.
অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষার্ধের একটি বিপ্লব ইউরোপের অনেক দেশের পণ্য উৎপাদন কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। উৎপাদিত পণ্য-সামগ্রীর বাজার দখলকে কেন্দ্র করে উপনিবেশবাদের উত্থান ঘটে। উপনিবেশবাদ থেকে সাম্রাজ্যবাদ অতঃপর উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং পরিশেষে যুদ্ধের ভয়াবহতায় মেতে ওঠে সারা বিশ্ব।
- 4.
মিয়ানমারের স্বৈরশাসক থান শোয়ে ক্ষমতা দখল করে মানুষের বাক স্বাধীনতা খর্ব করেন। তিনি সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে বিরোধী নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করেন। সরকারবিরোধী সব পত্রিকা বন্ধ করে দেশে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- 5.
ভারত উপমহাদেশে সম্রাট আকবর রাজ্য জয় করে যেমন। খ্যাতি অর্জন করেছিলেন ঠিক তেমনি বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন ও জনকল্যাণমূলক সংস্কার করে প্রসিদ্ধ হয়েছিলেন।
- 6.
রাদিআহ্-রাজ দুই ভাইবোন। বাবার বিশাল সম্পত্তি তারা ভাগ করে নেয়। কিন্তু কিছুদিন পর তাদের মধ্যে গোলমাল শুরু হলে। তারা আলাদা বসবাস শুরু করে এবং বাড়ির মাঝ বরাবর একটি প্রাচীর নির্মাণ করে। কেউ কারো মুখ পর্যন্ত দর্শন করে না। এভাবে দিন যায়। একদিন তারা তাদের ভুল বুঝতে পারে ও বাড়ির প্রাচীর ভেঙে দিয়ে পূর্বের ন্যায় একত্রে বসবাস শুরু করে।
- 7.
বিজিত আর পরাজিত শক্তির পারস্পরিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির অধিকাংশ শর্তই পরাজিত জোটের অপমানের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। আর তাই দু'দশক পরই এ অপমানজনক চুক্তির নেতিবাচক প্রভাব সমগ্র বিশ্বের মানুষকে নির্মমভাবে প্রভাবিত করেছিল।
- 8.
``জোর যার মুল্লুক তার।"
- 9.
রাজশাহীর মেহেরচণ্ডী একটি সমৃদ্ধ গ্রাম। এ গ্রামে অনেক সম্ভ্রান্ত লোকের বাস। এদের মধ্যে পাঁচটি পরিবার অধিক সম্ভ্রান্ত। গ্রামের শান্তি-শৃঙ্খলা এই 'পাঁচ পরিবারের হাতে ছিল। গ্রামের শান্তি রক্ষায় যে কমিটি ছিল তাতে তাদের স্থায়ী পদও রয়েছে। মূলত গ্রামের শান্তি-শৃঙ্খলাবজায় রাখার সাফল্য-ব্যর্থতা অনেকটা তাদের উপর নির্ভর করতো।
- 10.
উনিশ শতকে সত্তরের দশকে বাংলার শ্রমিক-কৃষকসহ সকল স্তরের জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণ একটি সর্বাত্মক জনযুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধ ছিল শোষকের বিরুদ্ধে এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই যুদ্ধে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- 11.
'ক' একটি দেশের রাজনৈতিক সংগঠন।এ সংগঠনের আদর্শে বিশ্বাসীরা তাদের দলে দেশের বাজাইনতিক সংগঠন। বিশ্বের নেতিক পাশে ছড়িয়ে দেওয়ার পড়বে বাজনৈতিক আদর্শ ও দর্শন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিরোধকল্পে নানা প্রচেষ্টা চালায়। ফলে এমন এক বৈরী পরিবেশ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয় যা দীর্ঘদিন বিশ্ববাসীকে আতকিত করে রেখেছিল।
- 12.
ফরাসি সরকারের সেনাপতি নেপোলিয়ন বোনপার্ট ১৭৯৫ খ্রিষ্টাব্দে মিশর বিজয় করেন। কিন্তু নেপোলিয়ন ও ফরাসিরা বেশিদিন মিশরে অবস্থান করতে পারেননি। তবে এ বিজয় ছিল অতন্ত্য গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্প-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এর ফলাফল ছিল সুদুরপ্রসারি।
- 13.
অটোমান সুলতান অরখান জেনিসারী বাহিনী গঠন করে বিভিন্ন রাজ্যে অভিয়ান পরিচালনা করেন। এসব রাজ্য থেকে অর্থসম্পদ লুন্ঠন করে তিনি নিজ দেশের উন্নয়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেন। তিনি একটা দ্বীপের সুসজ্জিত ও সুরক্ষিত উপাসনালয়ে সংরক্ষিত মূল্যবান অর্থসম্পদের সন্ধান পেয়ে সেটি আক্রমন ও লুন্ঠন করেন। স্থানীয় আদিবাসীরা প্রাণপণ চেষ্টা করেও উপাসনালয়টি লুন্ঠনের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেননি। তবে তিনি জ্ঞানবিজ্ঞান ও স্থাপত্য শিল্পের একজন উদার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- 14.
চীন ও তিব্বতের মধ্যবর্তী একটি স্থানের নাম মঙ্গোলীয়া। এই স্থানেই বিখ্যাত এক বীরের জন্ম হয়। মধ্য এশিয়ার ইতিহাসে অনন্যসাধারণ প্রতিভাসম্পূর্ণ এই মঙ্গোলিয়ান বীর হালাকু খানের নাম সর্বাগ্রে। তিনি তার পিতা টুলি খানের কাছ থেকে ১২৫৬ খ্রিষ্টাব্দে উক্ত অঞ্চলের শাসন ক্ষমতা লাভ করেন এবং ১২৫৮ খ্রিষ্টাব্দে বাগদানে অভিযান পরিচালনা করে তা ধ্বংস করেন। পরবর্তীতে সেখানে তিনি একটি নতুন এবং স্থায়ী রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন। তার প্রতিষ্ঠিত রাজবংশের নামকরণ করা হয় ইলখানী রাজবংশ।
- 15.

- 16.
১৯৫৭ সালে ইংল্যান্ডের শাসন ক্ষমতায় আসেন হ্যারন্ড ম্যাকমিলান। সমসাময়িককালে আয়ারল্যান্ডবাসীরা জীবনে চরম দুঃখ-দুর্দশা নেমে আসে। এ অবস্থা হতে পরিত্রাণের জন্য এগিয়ে আসেন একজন মহান নেতা- শন ম্যাকব্রাইড। তিনি আয়ারল্যান্ডবাসীর মুক্তির আশায় স্বাধিকার ও স্বায়ত্তশাসনের দাবি তুলে ধরেন। বেশ কিছু দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু হলেও চতুর হ্যারন্ড ম্যাকমিলান তাদের দমনে একটি মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক মামলার আশ্রয় দেন। ফলশ্রুতিতে আন্দোলন আরো বেগবান হয় এবং ১৯৬৩ সালে তিনি পদত্যাগে বাধ্য হয়।
- 17.

- 18.
দক্ষিণ আফ্রিকার গনতান্ত্রিক ইতিহাসে নেলসন ম্যান্ডেলা একটি স্মরণীয় নাম। রাজনীতির ক্ষেত্রে তিনি বিশ্বে অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। কৃষ্ণাঙ্গ হয়েও তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হন। স্বৈরাচারী শাসকের শোষকের হাত থেকে তিনি নিপীড়ত মানুষকে মুক্তি দিয়েছেন। পৃথিবীর গনতন্ত্র ও মুক্তিকামী মানুষের কাছে আজও তিনি অমর ও চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
- 19.
খলিফা আল হাকিম তার রাজ্যের সকল ধর্মাবলম্বীকে একই পতাকাতলে আনার জন্য একটি নতুন ধর্মমতের প্রচলন করেন। কিন্তু সর্বসাধারণের মধ্যে এই ধর্মমত জনপ্রিয় হওয়ায় অনেকেই প্রত্যাখ্যান করেন। তার জীবদ্দশায় কতিপয় ব্যক্তি এই ধর্মমত গ্রহন করলেও তার মৃত্যুর সাথে সাথে এর ইতি ঘটে। তথাপি ইতিহাসে তাকে 'Al Hakim tha Great' নামে অভিহিত করা হয়।
- 20.
প্রাথমিক জীবনে তৈমুর লঙ সিস্তান অভিযানকালে নির্বিঘ্নে রাজধানীতে প্রবেশ করেন। সিস্তান অধিপতি রাজধানী ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন। তৈমুর যখন নিশ্চিন্তে রাজধানীতে বিশ্রামরত তখন সিস্তানের সৈন্যরা তাকে ঘিরে ফেলে। এমন অতর্কিত আক্রমণে তৈমুর লঙ পরাজিত হয়ে কোনো মতে প্রান নিয়ে পালিয়ে যান। এমনকি কিছু দিনের জন্য তিনি রাজ্য হারা হন।
- 21.

- 22.
জহিরুল ইসলাম সাহেব একটি স্বনামধন্য কোম্পানির মালিক। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে কোম্পানির মালিকানা নিয়ে তার পুত্রদের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।এক ভাই অন্য ভাইয়ের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে পিতার মনকে ভারাক্রান্ত করে তোলে। পরবর্তীকালে ভ্রাতৃদ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রুপ নেয়। পরবর্তীতে বিজয়ী ভ্রাতা কোম্পানিটিকে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেন।