‍ইতিহাস ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২

‍ইতিহাস ২য় পত্র প্রশ্ন

'ক' একটি দেশের রাজনৈতিক সংগঠন।এ সংগঠনের আদর্শে বিশ্বাসীরা তাদের দলে দেশের বাজাইনতিক সংগঠন। বিশ্বের নেতিক পাশে ছড়িয়ে দেওয়ার পড়বে বাজনৈতিক আদর্শ ও দর্শন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিরোধকল্পে নানা প্রচেষ্টা চালায়। ফলে এমন এক বৈরী পরিবেশ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয় যা দীর্ঘদিন বিশ্ববাসীকে আতকিত করে রেখেছিল।

  1. ক)

    কেজিবি কী?

    (1)
  2. খ)

    দাঁতাত বলতে কী বোঝ? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ঘটনার মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত ঘটনাটি শুধু আদর্শগত নয়, সামরিকও বটে- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কেজিবি (KGB) হলো সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধান রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও গোপন পুলিশ বাহিনী।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ‘দাঁতাত’ (Détente) একটি ফরাসি শব্দ, যার অর্থ উত্তেজনা প্রশমন বা শিথিলকরণ। স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার চরম রাজনৈতিক বৈরিতা এবং পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকি হ্রাসের উদ্দেশ্যে ১৯৭০-এর দশকে উভয় পরাশক্তির মধ্যে যে কূটনৈতিক বোঝাপড়া ও উত্তেজনা প্রশমনের নীতি গৃহীত হয়েছিল, তাকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ‘দাঁতাত’ বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে পাঠ্যবইয়ের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী 'স্নায়ুযুদ্ধ' (Cold War)-এর মিল পাওয়া যায়।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, একটি রাজনৈতিক আদর্শ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা এবং প্রতিপক্ষ কর্তৃক তা প্রতিরোধের ফলে এক দীর্ঘমেয়াদি বৈরী পরিবেশ ও তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের সমাজতান্ত্রিক ভাবধারা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদী গণতান্ত্রিক ভাবধারা পরস্পর মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এই আদর্শগত দ্বন্দ্বের ফলে দুই পরাশক্তি সরাসরি কোনো প্রকাশ্য সর্বাত্মক যুদ্ধে না জড়ালেও দীর্ঘকাল ধরে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা, উত্তেজনা ও পারস্পরিক ভীতির এক বৈরী পরিবেশ বজায় রেখেছিল, যা ইতিহাসে স্নায়ুযুদ্ধ নামে পরিচিত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    “উক্ত ঘটনাটি শুধু আদর্শগত নয়, সামরিকও বটে”- উক্তিটি অত্যন্ত যথার্থ।

    স্নায়ুযুদ্ধ কেবল পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের মধ্যকার আদর্শিক সংঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। এর পেছনে সামরিক প্রভাব বিস্তার ও শক্তির ভারসাম্য রক্ষার তীব্র প্রতিযোগিতা ছিল। এই স্নায়ুযুদ্ধের অংশ হিসেবেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো (NATO), সিয়াটো (SEATO) এবং সেন্টো (CENTO)-র মতো সামরিক জোট গড়ে ওঠে। এর বিপরীতে সোভিয়েত ইউনিয়ন ওয়ারশ প্যাক্ট গঠন করে। এছাড়া উভয় পরাশক্তি নিজেদের মধ্যে পারমাণবিক ও প্রচলিত অস্ত্রের ভয়াবহ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়। কোরিয়া যুদ্ধ, ভিয়েতনাম যুদ্ধ ও কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের মতো বহু ঘটনায় তাদের সামরিক শক্তির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মহড়া দেখা গেছে। সুতরাং, স্নায়ুযুদ্ধটি আদর্শগত সংঘাতের পাশাপাশি সামরিক জোট ও অস্ত্র প্রতিযোগিতায় রূপ নিয়েছিল বিধায় উক্তিটি যথার্থ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন