ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র • Combined Board • বরিশাল, সিলেট বোর্ড ২০২১
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র প্রশ্ন
ভারতের জাতীয় নির্বাচনে জোটবদ্ধ রাজনীতির সূচনা হয় ১৯৭৭ সালে মষ্ঠ সাধারণ নির্বাচনে। এ নির্বাচনে ভারতীয় জনসংখ ভারতীয় লোকদল, সংগঠন কংগ্রেস ও সংযুক্ত সোশ্যালিস্ট পার্টিকে নিয়ে জনতা পার্টি গঠিত হয়েছিল। উত্ত নির্বাচনে মোরারজি দেশাইয়ের নেতৃত্বে সংযুক্ত জোট 'জনতা পার্টি' ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রসকে পরাজিত করে। কংগ্রেসের জনবিচ্ছিন্নতা ও জনতা পার্টির গ্রামীণ উন্নয়ন নীতি নির্বাচনে তাদের বিজয়ের প্রধান কারণ বলে ধারণা করা হয়।
- ক)(1)
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক কী ছিল?
- খ)(2)
১৪ ডিসেম্বর বিখ্যাত কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের ভারতের জোটবদ্ধ নির্বাচন পাকিস্তান আমলের কোন নির্বাচনকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
জাতীয় নির্বাচনে জনতা পার্টির বিজয়ের কারণ ও উন্তু জোটের বিজয়ের কারণ ছিল ভিন্ন-বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে 'শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস' হিসেবে পরিচিত হওয়ায় দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বিখ্যাত। ১৯৭১ সালের এই দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার-আলবদর বাহিনী বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান—শিক্ষক, চিকিৎসক, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকদের নির্মমভাবে হত্যা করে জাতিকে মেধাশূন্য করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের ভারতের জোটবদ্ধ নির্বাচন পাকিস্তান আমলের ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনকে নির্দেশ করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, ১৯৭৭ সালে ভারতে বিরোধী দলগুলো মিলে 'জনতা পার্টি' নামক জোট গঠন করে ক্ষমতাসীন কংগ্রেসের বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নেয় এবং জয়লাভ করে। একইভাবে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে তৎকালীন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের অন্যায়-শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-প্রজা পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল মিলে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠন করেছিল। এই জোটবদ্ধ নির্বাচনী লড়াইয়ের মাধ্যমে তৎকালীন পূর্ব বাংলায় মুসলিম লীগের রাজনৈতিক আধিপত্যের অবসান ঘটেছিল।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে জনতা পার্টির বিজয়ের কারণ এবং ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের কারণ ও পটভূমি ভিন্ন ছিল— উক্তিটি বিশ্লেষণযোগ্য।
উদ্দীপকে উল্লেখিত জনতা পার্টির বিজয়ের মূল কারণ ছিল ইন্দিরা গান্ধীর সরকারের জনবিচ্ছিন্নতা, জরুরি অবস্থার নিপীড়ন এবং জনতা পার্টির গ্রামীণ উন্নয়ন নীতি। অর্থাৎ সেটি মূলত ছিল অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও অর্থনৈতিক নীতির ওপর ভিত্তি করে সংঘটিত পরিবর্তন।
অন্যদিকে, ১৯৫৪ সালে পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের মূল ভিত্তি ছিল দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক ধাঁচের শাসন ও শোষণ থেকে মুক্তি এবং স্বাধিকার প্রতিষ্ঠা। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়া, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ, জমিদারি প্রথা উচ্ছেদসহ মোট ২১ দফা কর্মসূচি ছিল যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার। পাকিস্তানি কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং ভাষা-সংস্কৃতির ওপর আঘাতের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার আপামর জনগণ যুক্তফ্রন্টকে বিজয়ী করেছিল। সুতরাং, জনতা পার্টির বিজয় ছিল ক্ষমতার পালাবদল ও নীতির পরিবর্তনের ফল, কিন্তু যুক্তফ্রন্টের বিজয় ছিল মূলত একটি শোষিত জাতিসত্তার অধিকার ও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। তাই উভয়ের বিজয়ের প্রেক্ষাপট ও কারণ ভিন্ন ছিল।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও