‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা • মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    সুশাসন কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    আইনের অনুশাসন বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    প্রদত্ত ছকে '?' চিহ্নিত স্থানে তোমার পঠিত কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়গুলো '?' চিহ্নিত স্থানের বিষয়টি প্রতিষ্ঠায় একমাত্র সহায়ক? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সুশাসন হলো এমন একটি দক্ষ, জনকল্যাণমুখী ও কার্যকর শাসনব্যবস্থা, যেখানে সরকারের কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন এবং জনগণের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত থাকে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আইনের অনুশাসন (বা আইনের শাসন) বলতে আইনের প্রাধান্য ও সমতাকে বোঝায়। অর্থাৎ, সমাজের সবাই আইনের চোখে সমান এবং কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। বিনা বিচারে কাউকে শাস্তি দেওয়া যাবে না এবং প্রত্যেকেই আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী হবে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রদত্ত ছকে '?' চিহ্নিত স্থানে আমার পঠিত 'সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টির সাদৃশ্য রয়েছে।

    সুশাসন একটি বহুমুখী ধারণা। উদ্দীপকে প্রদর্শিত বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বচ্ছতা, আইনের শাসন এবং জবাবদিহিতা—যেগুলো সুশাসনের মৌলিক স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত।

    একটি রাষ্ট্রে যখন সরকারি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে স্পষ্টতা ও উন্মুক্ততা (স্বচ্ছতা) থাকে, রাষ্ট্রীয় কার্যকলাপ আইনের অধীনে পরিচালিত হয় (আইনের শাসন) এবং শাসকগোষ্ঠী তাদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়বদ্ধ থাকে (জবাবদিহিতা), তখনই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই '?' চিহ্নিত বিষয়টি নিঃসন্দেহে সুশাসনকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    না, আমি মনে করি না যে উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়গুলোই '?' চিহ্নিত স্থান অর্থাৎ 'সুশাসন' প্রতিষ্ঠায় একমাত্র সহায়ক; তবে এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

    উদ্দীপকে উল্লেখিত স্বচ্ছতা, আইনের শাসন এবং জবাবদিহিতা ছাড়াও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আরও বেশ কিছু উপাদান অপরিহার্য:
    ১. জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ: সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
    ২. স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ: ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থাকা আবশ্যক।
    ৩. বাক-স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা: মুক্ত গণমাধ্যম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা সুশাসনের অন্যতম পূর্বশর্ত।
    ৪. দুর্নীতি দমন: দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলা না গেলে সুশাসন টেকসই হয় না।
    ৫. দক্ষ ও সংবেদনশীল প্রশাসন: সেবা প্রদানে সরকারি কর্মকর্তাদের দ্রুততা, দক্ষতা ও ইতিবাচক মনোভাব থাকতে হয়।

    অতএব, উদ্দীপকের উপাদানগুলো সুশাসনের মূল ভিত্তি হলেও কেবল এই তিনটি বিষয় দিয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। এর সঙ্গে সাম্য, মানবাধিকার সংরক্ষণ, নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশের সমন্বিত ভূমিকা একান্ত প্রয়োজন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন