‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা • মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

কোনো প্রশাসনিক কর্মকর্তা গণমাধ্যম কর্মীদের তথ্য না দিলে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে তথ্যমন্ত্রী মারুফ হাসান। "তথ্য নেবো, তথ্য দেবো, দেশ গড়ায় অংশ নেবো"- এ প্রতিপাদককে সামনে রেখে এবারের তথ্য অধিকার সপ্তাহ পালিত হয়েছে। এ সম্পর্কে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, গণমাধ্যম কর্মীরা নাগরিকদের পক্ষ থেকে তথ্য অধিকার আইনের প্রয়োগ করলে গণমাধ্যম উপকৃত ও শক্তিশালী হয়। ফলে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার মানদণ্ডে গণতন্ত্রও উন্নত হয়।

  1. ক)

    কর্তব্য কী?

    (1)
  2. খ)

    রাজনৈতিক অধিকার বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত মন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া না দিলে তথ্য অধিকার আইনে কী প্রতিকার রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    তুমি কি মনে কর, তথ্য অধিকার সপ্তাহের প্রতিপাদ্য বিষয়টি তথ্য অধিকার আইনের সুফল ভোগে সহায়ক হবে? মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কর্তব্য হলো নাগরিকের এমন কিছু করণীয় বা দায়িত্ব, যা সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণার্থে তাকে পালন করতে হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রাজনৈতিক অধিকার বলতে নাগরিকের এমন সব অধিকারকে বোঝায় যার মাধ্যমে তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। যেমন— ভোটদানের অধিকার, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার, রাজনৈতিক দল গঠনের অধিকার এবং সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করার অধিকার। এ অধিকারের মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা সচল ও কার্যকর থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে কোনো প্রশাসনিক কর্মকর্তা তথ্য না দিলে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তথ্য প্রদানে ব্যর্থ হন বা তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান, তবে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা রয়েছে।

    তথ্য না পেলে বা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি ৩০ দিনের মধ্যে আপিল কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল করতে পারেন। আপিল নিষ্পত্তি না হলে বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আপিল আদেশে সন্তুষ্ট না হলে তথ্য কমিশনে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। তথ্য কমিশন শুনানির মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা পেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতিদিনের জন্য নির্দিষ্ট হারে জরিমানা করতে পারে এবং বিভাগীয় শাস্তির সুপারিশ করতে পারে। সুতরাং, তথ্য অধিকার আইনে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কার্যকর আইনি প্রতিকার রয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, আমি মনে করি তথ্য অধিকার সপ্তাহের প্রতিপাদ্য বিষয়টি ("তথ্য নেবো, তথ্য দেবো, দেশ গড়ায় অংশ নেবো") তথ্য অধিকার আইনের সুফল ভোগে অত্যন্ত সহায়ক হবে।

    তথ্য অধিকার আইন তখনই সফল হয় যখন নাগরিকরা তথ্য জানার অধিকার সচেতনভাবে প্রয়োগ করে এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো স্বচ্ছতার সাথে তথ্য সরবরাহ করে। প্রতিপাদ্যটির প্রথম অংশ 'তথ্য নেবো' নাগরিকদের তথ্য চাওয়ার অধিকারের বিষয়ে সচেতন করে। দ্বিতীয় অংশ 'তথ্য দেবো' দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তথ্য প্রদানে উদ্বুদ্ধ করে এবং তাদের দায়িত্বশীল করে তোলে। আর শেষ অংশ 'দেশ গড়ায় অংশ নেবো' নাগরিক ও প্রশাসনের যৌথ অংশগ্রহণে দেশের সার্বিক উন্নয়নকে নির্দেশ করে।

    উদ্দীপকেও তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে, গণমাধ্যম বা নাগরিকেরা তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ প্রয়োগ করলে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বাড়ে এবং গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়। যখন তথ্য আদান-প্রদান স্বাভাবিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়, তখন দুর্নীতি কমে ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। অতএব, এ প্রতিপাদ্য নাগরিক ও প্রশাসনের মানসিকতা পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে, যা তথ্য অধিকার আইনের সুফল নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন