‍ইতিহাস ১ম পত্র • Combined Board • বরিশাল, সিলেট বোর্ড ২০২১

‍ইতিহাস ১ম পত্র প্রশ্ন

সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।

বৃহত্তর উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলা নিয়ে রাজশাহী বিভাগ। একটি প্রশাসনিক ইউনিটের অধীনে রেখে এত বড় বিভাগে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত গ্রহণ করে ৮টি জেলা নিয়ে আলাদা বিভাগ গঠন করার। এরই ধারাবাহিকতায় রংপুর বিভাগ নামে নতুন একটি বিভাগ গঠিত হয়। ফলে ঐ অঞ্চলের জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়।

  1. ক)

    ভারতের প্রথম ভাইসরয় কে ছিলেন?

    (1)
  2. খ)

    ভারতের প্রথম ভাইসরয় কে ছিলেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের ঘটনাটি তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন বিষয়ের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর ।

    (3)
  4. ঘ)

    তুমি কি মনে কর বিষয়টির পিছনে শুধুমাত্র প্রশাসনিক কারণই বিদ্যমান ছিল? যুক্তি দাও ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের খ-নং প্রশ্নটি ক-এর হুবহু পুনরাবৃত্তি হওয়ায় এটিকে ভাইসরয় পদের পটভূমিমূলক অনুধাবন প্রশ্ন হিসেবে ধরে নিয়ে উত্তর প্রদান করা হয়েছে। | উদ্দীপকের খণ্ডিত বাক্যটি 'সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত [কঠিন হওয়ায় সরকার সিদ্ধান্ত] গ্রহণ করে' হিসেবে অনুমিত।

    ভারতের প্রথম ভাইসরয় ছিলেন লর্ড ক্যানিং।

  2. খ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের খ-নং প্রশ্নটি ক-এর হুবহু পুনরাবৃত্তি হওয়ায় এটিকে ভাইসরয় পদের পটভূমিমূলক অনুধাবন প্রশ্ন হিসেবে ধরে নিয়ে উত্তর প্রদান করা হয়েছে। | উদ্দীপকের খণ্ডিত বাক্যটি 'সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত [কঠিন হওয়ায় সরকার সিদ্ধান্ত] গ্রহণ করে' হিসেবে অনুমিত।

    ভারতের প্রথম ভাইসরয় ছিলেন লর্ড ক্যানিং। ১৮৫৮ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে 'ভারত শাসন আইন' পাস এবং মহারানি ভিক্টোরিয়ার ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে। এর ফলে ভারতের শাসনভার সরাসরি ব্রিটিশ রাজমুকুটের অধীনে চলে যায় এবং ব্রিটিশ সরকারের প্রত্যক্ষ প্রতিনিধি হিসেবে 'গভর্নর জেনারেল' পদবীর সাথে 'ভাইসরয়' (রাজপ্রতিনিধি) উপাধি যুক্ত হয়। লর্ড ক্যানিং ১৮৫৮ সালে এই পদে প্রথম দায়িত্ব লাভ করেন।

  3. গ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের খ-নং প্রশ্নটি ক-এর হুবহু পুনরাবৃত্তি হওয়ায় এটিকে ভাইসরয় পদের পটভূমিমূলক অনুধাবন প্রশ্ন হিসেবে ধরে নিয়ে উত্তর প্রদান করা হয়েছে। | উদ্দীপকের খণ্ডিত বাক্যটি 'সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত [কঠিন হওয়ায় সরকার সিদ্ধান্ত] গ্রহণ করে' হিসেবে অনুমিত।

    উদ্দীপকের ঘটনাটি পাঠ্যপুস্তকের ১৯০৫ সালের ঐতিহাসিক 'বঙ্গভঙ্গ'-এর ঘটনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

    ব্রিটিশ শাসনামলে অবিভক্ত বাংলা প্রদেশ (প্রেসিডেন্সি) ছিল আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে অত্যন্ত সুবিশাল। ফলে একজন ছোটলাটের (লেফটেন্যান্ট গভর্নর) পক্ষে রাজধানী কলকাতা থেকে সুদূর পূর্ব বাংলা ও আসামের মতো প্রান্তিক অঞ্চলগুলোর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সুশাসন নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। প্রশাসনিক সুবিধার কথা উল্লেখ করে ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন বাংলাকে বিভক্ত করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী বিভাগ ও আসাম নিয়ে 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' নামে নতুন প্রদেশ গঠন করেন।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, বৃহত্তর রাজশাহী বিভাগের ১৬টি জেলা একক প্রশাসনিক ইউনিটে রেখে সুশাসন কায়েম করা কঠিন হওয়ায় ৮টি জেলা পৃথক করে 'রংপুর বিভাগ' গঠন করা হয়, যা বঙ্গভঙ্গের প্রশাসনিক যৌক্তিকতা ও নতুন প্রদেশ গঠনের অনুরূপ।

  4. ঘ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকের খ-নং প্রশ্নটি ক-এর হুবহু পুনরাবৃত্তি হওয়ায় এটিকে ভাইসরয় পদের পটভূমিমূলক অনুধাবন প্রশ্ন হিসেবে ধরে নিয়ে উত্তর প্রদান করা হয়েছে। | উদ্দীপকের খণ্ডিত বাক্যটি 'সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত [কঠিন হওয়ায় সরকার সিদ্ধান্ত] গ্রহণ করে' হিসেবে অনুমিত।

    না, আমি মনে করি না যে বঙ্গভঙ্গের পেছনে শুধুমাত্র প্রশাসনিক কারণই বিদ্যমান ছিল; এর পেছনে ব্রিটিশদের গভীর রাজনৈতিক কূটকৌশল ও সাম্রাজ্যবাদী উদ্দেশ্য কার্যকর ছিল।

    ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গের আনুষ্ঠানিক যুক্তি হিসেবে সুবিশাল বাংলা প্রদেশের প্রশাসনিক জটিলতা এবং পূর্ববঙ্গের অনুন্নত দশার অবসানকে তুলে ধরেছিল। এটি বাস্তবতার একটি দিক হলেও মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতের তৎকালীন জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া। সে সময় ভারতীয় জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক চেতনার মূল কেন্দ্র ছিল কলকাতা।

    ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী সচেতনভাবেই হিন্দু ও মুসলিম—উভয় প্রধান সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টি করে 'ভাগ কর ও শাসন কর' (Divide and Rule) নীতি বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল। একদিকে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখিয়ে তাদের আলাদা অবস্থান তৈরিতে উৎসাহ দেওয়া হয়, অন্যদিকে ভারতীয়দের সার্বিক স্বাধীনতা ও জাতীয়তাবাদী ঐক্যকে দুর্বল করা হয়।

    অতএব, প্রশাসনিক সুবিধার দাবিটি ছিল একটি প্রকাশ্য অজুহাত; বঙ্গভঙ্গের মূল চালিকাশক্তি ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদ নস্যাৎ করা এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন