ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র • Combined Board • বরিশাল, সিলেট বোর্ড ২০২১

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র প্রশ্ন

"এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রামএবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।"

  1. ক)

    মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন?

    (1)
  2. খ)

    উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান 'বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের উত্তিটিতে ১৯৭১ সালের কোন ঘটনার চিত্র ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উত্ত ঐতিহাসিক ঘটনার তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯৬৯ সালে পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র-জনতা যে সর্বাত্মক গণআন্দোলন গড়ে তুলেছিল, তা ইতিহাসে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান নামে পরিচিত। এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল আইয়ুব খানের পতন ঘটানো, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ রাজবন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তি নিশ্চিত করা।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের উক্তিটিতে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের চিত্র ফুটে উঠেছে।

    ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক বিশাল জনসমুদ্রে তাঁর দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেন। সেই ভাষণের সমাপ্তিতে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।" উদ্দীপকে বঙ্গবন্ধুর এই অবিস্মরণীয় ঐতিহাসিক উক্তিটিই তুলে ধরা হয়েছে, যা ছিল সমগ্র বাঙালি জাতির প্রতি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত ডাক।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ৭ই মার্চের ভাষণ বাঙালির জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের ইতিহাসে এক অনন্য ও দিকনির্দেশনামূলক ঐতিহাসিক দলিল।

    এ ভাষণে বঙ্গবন্ধু পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দীর্ঘ ২৩ বছরের শোষণ, নিপীড়ন ও বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় আসন্ন সশস্ত্র সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো"। তিনি সমগ্র দেশকে অসহযোগ আন্দোলনের নির্দেশনা দেন এবং প্রশাসন, আদালত, ব্যাংকসহ সবকিছু পরিচালনার বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    এই ভাষণের মাধ্যমেই মূলত বাঙালি জাতি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার অভীষ্ট লক্ষ্যের দিকে ঐক্যবদ্ধ হয়। ইউনেস্কো ২০১৭ সালে এই ভাষণকে 'মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার'-এ অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বস্তুত, ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ঘোষণাই বাঙালিদের মরণপণ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল, যার চূড়ান্ত পরিণতি ছিল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন