ইতিহাস ১ম পত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, যশোর বোর্ড ২০২২
ইতিহাস ১ম পত্র প্রশ্ন
২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে একটি বড় আক্রমণ শুরু করে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা বলেছে, রুশ অভিযান শুরুর পর ২৪ ঘণ্টাতেই ইউক্রেনের প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষ গৃহহীন হয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে পোল্যান্ড, মলদোভা, রোমানিয়ার ভূ-খণ্ডে ঢুকে পড়েছে। পোল্যান্ড কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে তারা দশ লক্ষ ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের আশ্রয় দেবে।
- ক)(1)
২৫ মার্চের সাংকেতিক নাম কী?
- খ)(2)
কীভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের ঘটনা তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন অংশের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
স্বাধীনতা যুদ্ধে আশ্রয়দানকারী দেশটি কীভাবে সহযোগিতা করেছিল? পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পাকিস্তানি সামরিক অভিযানের সাংকেতিক নাম ছিল 'অপারেশন সার্চলাইট'।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে (২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে) পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন ইপিআর-এর ওয়্যারলেস বার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তিনি দেশবাসীকে সর্বশক্তি দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করার আহ্বান জানান। পরবর্তীতে ২৬ ও ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এম এ হান্নান এবং মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের ঘটনাটি আমার পাঠ্যবইয়ের ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত আক্রমণ ও বাঙালি শরণার্থীদের ভারতে আশ্রয় গ্রহণের ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাংলাদেশে গণহত্যা ও বর্বর ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করলে প্রাণভয়ে প্রায় এক কোটি বাঙালি সীমান্ত অতিক্রম করে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।
উদ্দীপকেও দেখা যায়, ২০২২ সালে রাশিয়ার আক্রমণে ইউক্রেনের বহু মানুষ গৃহহীন হয়ে প্রতিবেশী পোল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিচ্ছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের এভাবে প্রতিবেশী দেশে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেওয়ার প্রেক্ষাপটের সাথে মুক্তিযুদ্ধের শরণার্থী সমস্যার সুস্পষ্ট সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রতিবেশী ও প্রধান আশ্রয়দানকারী দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে ঐতিহাসিক ও সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছিল।
প্রথমত, ভারত প্রায় এক কোটি যুদ্ধবিধ্বস্ত বাঙালি শরণার্থীকে সীমান্ত খুলে দিয়ে খাদ্য, বস্ত্র, ওষুধ ও মানবিক আশ্রয় প্রদান করে।
দ্বিতীয়ত, ভারত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও লজিস্টিক সহায়তা দেয়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী অনন্য ভূমিকা পালন করেন।
সবশেষে, ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তান ভারতে বিমান হামলা চালালে ভারত সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ভারতীয় মিত্রবাহিনী ও বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর যৌথ কমান্ড গঠিত হয়, যা দ্রুত পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করে ১৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন নিশ্চিত করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও