গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    খাদ্য কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    “দ্রাব্যতা ভিন্নতায় ভিটামিনের ধরণে পার্থক্য হয়।”— বুঝিয়ে লেখো।

    (2)
  3. গ)

    খাদ্য তালিকা-১ এ নির্দেশিত খাদ্যের প্রধান পুষ্টি উপাদানের শ্রেণিবিভাগ করো।

    (3)
  4. ঘ)

    খাদ্য তালিকা-২ ও ৩ এ নির্দেশিত খাদ্য উপাদান দেহে ভিন্ন ভিন্ন কার্যাবলি সম্পাদন করে— বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যেসব আহার্য বস্তু গ্রহণ করলে জীবদেহের বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ, শক্তি উৎপাদন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় তাকে খাদ্য বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দ্রাব্যতা বা দ্রবণীয়তার ওপর ভিত্তি করে ভিটামিনকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়:
    ১. স্নেহদ্রবণীয় ভিটামিন: যে ভিটামিনগুলো চর্বি বা তেলে দ্রবীভূত হয়, যেমন— ভিটামিন A, D, E এবং K।
    ২. পানাদ্রবণীয় ভিটামিন: যে ভিটামিনগুলো পানিতে দ্রবীভূত হয়, যেমন— ভিটামিন B-কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন C।
    সুতরাং, পানিতে বা তেলে দ্রবীভূত হওয়ার ক্ষমতার ভিন্নতার কারণেই ভিটামিনের প্রকৃতি ও ধরনের এই পার্থক্য ঘটে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    খাদ্য তালিকা-১ এ উল্লেখিত খাদ্যগুলো হলো ভাত, আলু ও সুজি। এগুলোর প্রধান পুষ্টি উপাদান হলো শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট।
    রাসায়নিক গঠন অনুসারে শর্করাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
    ১. মনোস্যাকারাইড: এক অণু শর্করা বিশিষ্ট সরল শর্করা, যেমন— গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ।
    ২. ডাইস্যাকারাইড: দুই অণু মনোস্যাকারাইড যুক্ত হয়ে গঠিত শর্করা, যেমন— সুক্রোজ, ল্যাকটোজ।
    ৩. পলিস্যাকারাইড: বহু অণু সরল শর্করা যুক্ত হয়ে গঠিত জটিল শর্করা, যেমন— স্টার্চ বা শ্বেতসার, সেলুলোজ। ভাত ও আলুতে মূলত এই পলিস্যাকারাইড শ্বেতসার হিসেবে থাকে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    খাদ্য তালিকা-২ (মাছ, মাংস, ডাল)-এর প্রধান পুষ্টি উপাদান হলো আমিষ (প্রোটিন) এবং খাদ্য তালিকা-৩ (ঘি, মাখন, তেল)-এর প্রধান পুষ্টি উপাদান হলো স্নেহ পদার্থ বা ফ্যাট। মানবদেহে এদের কার্যাবলি ভিন্ন ভিন্ন, যা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. আমিষের কাজ: আমিষ দেহের কোষ গঠন, শারীরিক বৃদ্ধি এবং ক্ষয়পূরণে মূল ভূমিকা পালন করে। এছাড়া বিভিন্ন হরমোন, এনজাইম এবং রোগ প্রতিরোধকারী অ্যান্টিবডি গঠনে আমিষের ভূমিকা অপরিহার্য।

    ২. স্নেহ পদার্থের কাজ: স্নেহ পদার্থ দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। এটি ত্বকের নিচে সঞ্চিত থেকে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্নেহদ্রবণীয় ভিটামিন (A, D, E, K) শোষণে সহায়তা করে।

    সুতরাং, আমিষ প্রধানত দেহ গঠন ও ক্ষয়পূরণের কাজ করে এবং স্নেহ পদার্থ প্রধানত দেহে শক্তি উৎপাদন ও সঞ্চয়ের কাজ করে। তাই উপাদান দুটি মানবদেহে ভিন্ন ভিন্ন কার্য সম্পাদন করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন