ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫

ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র প্রশ্ন

রাফিদ ও সাবিক দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। রাফিদ এমন একটি ইবাদত করে যা তাকে প্রবৃত্তির তাড়না থেকে রক্ষা করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। হাদিসে যার পুরস্কার আল্লাহ নিজ হাতে দিবেন বলে উল্লেখ আছে। পক্ষান্তরে সাবিক একজন ধনী ব্যবসায়ীর পুত্র। সে কথায় কথায় অশ্লীল বাক্য ব্যবহার করে। এজন্য রাফিদ তাকে এড়িয়ে চলে।

  1. ক)

    'জাকাত' শব্দের অর্থ কী?

    (1)
  2. খ)

    "সাওম ঢালস্বরূপ- ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত রাফিদের কার্যক্রমে কোন ইবাদত পালন প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো

    (3)
  4. ঘ)

    সাবিকের কার্যক্রমের পরিণতি হাদিসের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'জাকাত' শব্দের অর্থ বৃদ্ধি পাওয়া, পবিত্রতা ও পরিশুদ্ধতা।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, 'সাওম হলো ঢালস্বরূপ' (সহিহ বুখারি)। ঢাল যেমন যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর আঘাত থেকে যোদ্ধাকে রক্ষা করে, তেমনি সাওম পালনকারীকে পাপকাজ, শয়তানের প্ররোচনা এবং জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করে। রোজা মানুষের কুপ্রবৃত্তি দমন করে আত্মশুদ্ধি অর্জনে সাহায্য করে বলে একে ঢালের সাথে তুলনা করা হয়েছে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লেখিত রাফিদের কার্যক্রমে ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ 'সাওম' বা রোজা পালনের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। সাওম পালন মানুষের জৈবিক ও আত্মিক প্রবৃত্তির তাড়না নিয়ন্ত্রণ করে তাকওয়া অর্জনে সাহায্য করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সাওম প্রবৃত্তির তাড়না দমন করার সর্বোত্তম উপায়। এছাড়া হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, 'সাওম আমারই জন্য এবং আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব।' উদ্দীপকে রাফিদ এমন একটি ইবাদত করে যা তাকে প্রবৃত্তির তাড়না থেকে রক্ষা করে এবং যার প্রতিদান আল্লাহ নিজ হাতে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সুতরাং, রাফিদের কার্যক্রমটি সাওম বা রোজা পালনকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সাবিকের কার্যক্রমে অশ্লীল বাক্য ব্যবহারের মতো অসদাচরণ প্রকাশ পেয়েছে, হাদিসের আলোকে যার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ ও মারাত্মক। ইসলামে অশ্লীলতা ও গালিগালাজকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, 'মুমিন কখনও পরনিন্দাকারী, অভিসম্পাতকারী, নির্লজ্জ ও অশ্লীলভাষী হতে পারে না' (তিরমিজি)। অন্য হাদিসে এসেছে, 'কেয়ামতের দিন মিজানের পাল্লায় বান্দার সদ্ব্যবহারের চেয়ে অধিক ভারী আর কিছু হবে না। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা অশ্লীলভাষী ও কটুভাষীকে চরমভাবে ঘৃণা করেন।' অশ্লীল কথা বলা মানুষের আমলকে ধ্বংস করে এবং কিয়ামতের দিন তাকে জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করতে বাধ্য করবে। উদ্দীপকের সাবিক কথায় কথায় অশ্লীল বাক্য ব্যবহার করে কবিরা গুনাহে লিপ্ত হচ্ছে, যা তাকে আল্লাহর রহমত থেকে দূরে ঠেলে দেয় এবং হাদিস অনুযায়ী পরকালে কঠিন শাস্তির সম্মুখীন করবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন