‍ইতিহাস ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১

‍ইতিহাস ২য় পত্র প্রশ্ন

মনিপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষ ও রক্তপাত দাউদ মল্লিককে ব্যথিত করে। রক্তপাত, হানাহানি থেকে গ্রামগুলোকে রক্ষা করার জন্য তিনি একটি শান্তিসংঘ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। ফলে গ্রামগুলো দ্বন্দ্ব-সংঘাতের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পায় এবং গ্রামগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

  1. ক)

    কার নেতৃত্বে জার্মানির একত্রীকরণ সম্পন্ন হয়েছিল?

    (1)
  2. খ)

    স্নায়ুযুদ্ধ কী?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত মনিপুর ইউনিয়নের সংঘাত তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত সংঘ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় কী ভূমিকা পালন করেছিল? পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অটো ভন বিসমার্কের (Otto von Bismarck) নেতৃত্বে জার্মানির একত্রীকরণ সম্পন্ন হয়েছিল।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদী গণতান্ত্রিক ব্লক এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বাধীন সমাজতান্ত্রিক ব্লকের মধ্যে প্রত্যক্ষ কোনো যুদ্ধ ছাড়া আদর্শিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক প্রতিযোগিতা ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতিকে 'স্নায়ুযুদ্ধ' বা Cold War বলা হয়। এতে সরাসরি যুদ্ধ না হলেও সর্বদা যুদ্ধের একটি মনস্তাত্ত্বিক পরিবেশ বিরাজ করত।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত মনিপুর ইউনিয়নের সংঘাত পাঠ্যবইয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ সংঘাত ও রক্তপাতের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৩৯-১৯৪৫) সাম্রাজ্যবাদী ও শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আধিপত্য বিস্তার, ক্ষমতার দাপট ও সামরিক প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘাত সৃষ্টি হয়। এর ফলে লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং গোটা বিশ্বে চরম অশান্তি ও রক্তপাত ছড়িয়ে পড়ে।

    উদ্দীপকেও মনিপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ রক্তপাত ও সংঘাতের চিত্র দেখা যায়, যা বিশ্বযুদ্ধগুলোর ক্ষমতার লড়াই ও ধ্বংসলীলার প্রতীকী রূপ নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে গঠিত শান্তিসংঘটি পাঠ্যবইয়ের বৈশ্বিক সংস্থা 'লীগ অব নেশনস' কিংবা মূলধারায় 'জাতিসংঘ' (United Nations)-কে ইঙ্গিত করে, যা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

    ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর বিশ্বকে যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে রক্ষা করতে এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বশান্তি রক্ষায় এই সংস্থার ভূমিকা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. যুদ্ধ প্রতিরোধ ও মধ্যস্থতা: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে বড় ধরনের বৈশ্বিক যুদ্ধ প্রতিহত করা।
    ২. শান্তিরক্ষা মিশন: পৃথিবীর সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলসমূহে শান্তিরক্ষী বাহিনী (Peacekeeping Forces) প্রেরণ করে সংঘাত নিরসন ও শান্তি স্থাপন।
    ৩. মানবাধিকার রক্ষা ও মানবিক সাহায্য: যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় খাদ্য, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা।

    সুতরাং, দাউদ মল্লিকের শান্তিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জাতিসংঘও বিশ্বকে ধ্বংসযজ্ঞ ও সংঘাত থেকে রক্ষা করে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন