Combined Board ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১

44টি প্রশ্ন

  1. 1.

    আমাদের প্রতিবেশী একটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে রাজনীতি সচেতন ব্যক্তিবর্গ তাদের অধিকার আদায়ের জন্য বিক্ষিপ্তভাবে কাজ করতে থাকে। কিন্তু এভাবে কাজ করলে বিশৃঙ্খলা বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে। এরূপ অবস্থায় সরকারকে সহযোগিতা ও নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য তাদের একটি সমন্বিত সংগঠন গড়ে তোলা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এ সময়ে একটি রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে ওঠে। এ সংগঠনটি দেশটির স্বাধীনতা অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল।

  2. 2.

    একটি অঞ্চলের প্রশাসক দায়িত্ব গ্রহণের পর সেখানে বসবাসরত দুটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সুসম্পর্কের অভাব দেখতে পান। সেখানে এক সম্প্রদায় অন্য সম্প্রদায়ের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম সুবিধা ভোগ করত। সে কারণে উক্ত প্রশাসক ঐ এলাকার মানুষের সমঅধিকার প্রদান এবং শাসনকার্য পরিচালনার সুবিধার্থে অঞ্চলটিকে দুটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করেন।

  3. 3.

    সাম্রাজ্যবাদী শক্তি দ্বারা শাসিত হেমায়েতপুর একটি প্রাচীন জনপদ। এখানে বসবাসরত মুসলিম ও হিন্দু প্রধান দুটি সম্প্রদায়। একটি প্রস্তাবের ভিত্তিতে সাম্রাজ্যবাদী শাসকগোষ্ঠী দুটি সম্প্রদায়ের সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা নিয়ে আলাদা দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয় একটি আইনের মাধ্যমে এ অঞ্চলে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

  4. 4.

    করিম সাহেব তার এলাকার পিছিয়ে পড়া নিজ সম্প্রদায়ের মধ্যে পাশ্চাত্য শিক্ষা ও পাশ্চাত্য ভাবধারার প্রসার এবং তাদেরকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য বিভিন্ন সংস্থা গঠন, পত্রিকা প্রকাশ, ইংরেজি শিক্ষার জন্য স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তার ইচ্ছা ছিল শিক্ষার আলো জ্বালিয়ে নিজ সম্প্রদায়কে কুসংস্কারমুক্ত ও অধিকার সচেতন করা।

  5. 5.

    “ওরা আমার মুখের কথাকাইড়া নিতে চায়।ওরা কথায় কথায় শিকল পরায়আমার হাতে পায়।”

  6. 6.

    দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে ১৬ জুন আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ শেতাঙ্গ ডাচদের জার্মানডাচ ভাষায় শিক্ষাদান বাধ্যতামূলক করলে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে। এর প্রতিবাদে তারা তাদের মাতৃভাষা জুলুকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য প্রতিবাদ সভাও ডাকে। তৎকালীন বর্ণবাদী সরকার প্রতিবাদ সভায় যোগ দিতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালালে শতাধিক শিক্ষার্থী নিহত হয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় এদিনটি বিশেষ মর্যাদায় পালিত হয়।

  7. 7.

    জনাব ‘ক’ তার অঞ্চলে একজন জনপ্রিয় নেতা। মানুষের সামগ্রিক কল্যাণের জন্য তিনি কাজ করেন। এলাকার মানুষের অধিকার আদায়ের নিমিত্তে সরকারের নিকট তিনি কয়েকটি দাবি পেশ করেন। তার দাবিসমূহ ঐ এলাকার গণমানুষের মুক্তির দাবিতে পরিণত হয়।

  8. 8.

    সামরিক শাসক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য দেশে সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করেন। নির্বাচনে তার পছন্দের দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করতে ব্যর্থ হয়। অন্যদিকে অপর দলটি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে প্রাদেশিক ও জাতীয় আইন পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। ফলে উক্ত সামরিক শাসক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি শুরু করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রের নীলনকশা করতে থাকেন। একপর্যায়ে অধিকার বঞ্চিত হয়ে বিজয়ী দলের নেতা স্বাধীনতার ডাক দেন।

  9. 9.

    “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।”

  10. 10.

    ২০২১ খ্রিষ্টাব্দের মে মাসে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আকস্মিকভাবে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় হামলা চালায়। এ হামলায় স্বাধীনতাকামী হাজার হাজার নিরস্ত্র, অসহায় ফিলিস্তিনি নারী, শিশু ও পুরুষ নির্মমভাবে নিহত হয়। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, ঘরবাড়ি, পত্রিকা অফিস, স্কুল, কলেজ, পেট্রোল পাম্পসহ অনেক কিছু ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। শেষপর্যন্ত ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী কর্তৃক আক্রমণ বন্ধ হয়, বন্ধ হয় গণহত্যা।

  11. 11.

    একটি অঞ্চলের জনগণ কেন্দ্রীয় সরকারের বিমাতাসুলভ আচরণের কারণ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নেতার স্বাধীনতা ঘোষণার প্রেক্ষিতে একটি সরকার গঠন করে। উক্ত সরকার নবপ্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের লক্ষ্যে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা চালায় ।

  12. 12.

    একটি অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে তিনটি দেশ একত্রিত। হয়ে জোট গঠন করে। এতে ভীত হয়ে অন্য কয়েকটি দেশ অনুরূপ চুক্তি স্বাক্ষর করে বিপক্ষ জোট গঠন করে। ফলশ্রুতিতে, উক্ত অঞ্চলে শান্তি বিঘ্নিত হওয়ার পথ তৈরি হয়। একপর্যায়ে একটি ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ইতোপূর্বে সংঘটিত কোনো যুদ্ধের ব্যাপ্তি এত ব্যাপক ছিল না।

  13. 13.

    বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম 'বাংলাদেশ ব্যাংক'। এটি বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়, শৃঙ্খলা রক্ষা ও বিধিবিধান জারির মাধ্যমে জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

  14. 14.

    বাংলাদেশ মিয়ানমারের মধ্যে সমূদ্রসীমা নিয়ে বহুদিন ধরে বিরোধ বিদ্যমান। কিন্তু সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বিষয়টিকে সমাধান করে একটি স্থায়ী দিকনির্দেশনা প্রদান করে; যা উভয় দেশের মধ্যে শান্তি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

  15. 15.

    মনিপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষ ও রক্তপাত দাউদ মল্লিককে ব্যথিত করে। রক্তপাত, হানাহানি থেকে গ্রামগুলোকে রক্ষা করার জন্য তিনি একটি শান্তিসংঘ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। ফলে গ্রামগুলো দ্বন্দ্ব-সংঘাতের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পায় এবং গ্রামগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

  16. 16.

    বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলো নিজেদের প্রাধান্য বিস্তারে বদ্ধপরিকর। নিজ স্বার্থের বিপরীতে থাকা দেশগুলোর বিরুদ্ধে তারা 'ক' ও 'খ' নামে দুটি শক্তি জোট গঠন করে নিজেদের অবস্থানকে সুদৃঢ় করে। এ জোটসমূহ বিশ্ব রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ফলে 'ক' জোটের দেশসমূহের সাথে 'খ' জোটের দেশসমূহের মতদ্বৈততা দেখা দেয়। 'ক' জোট বরাবরই 'খ' জোটের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী। এই দুটি জোটের দ্বন্দ্ব বিশ্বের বিভিন্ন দেশসমূহের মধ্যে ক্ষমতাগত পরিবর্তন সৃষ্টি করেছিল।

  17. 17.

    দামোদর ইউনিয়নের করিম চেয়ারম্যান একজন স্বৈরাচারী মনোভাবাপন্ন ব্যক্তি ছিলেন। তিনি নিজেকে ইউনিয়নের সর্বেসর্বা মনে করতেন। তার সকল নির্দেশনা ইউনিয়নবাসীর জন্য বাধ্যতামূলক ছিল। ইউনিয়নের শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-দরিদ্র কারোর মতামতকেই তিনি -গ্রাহ্য করতেন না।

  18. 18.

    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনী আধুনিক অস্ত্র- শস্ত্র নিয়ে নিরীহ বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাঙালিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কৌশলগতভাবে পাকিস্তানিদের আক্রমণ প্রতিহত করে। কৌশলগত কারণেই এ যুদ্ধে বাঙালিরা জয়লাভ করে।

  19. 19.

    করিম সাহেব সস্ত্রীক 'ক' দেশে বেড়াতে গেলে তাঁকে হত্যা • করা হয়। এ হত্যাকে কেন্দ্র করে অনেক দেশ মারাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে; যা পরবর্তীতে ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।

  20. 20.

    বিংশ শতকের প্রথমদিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়; যা পরাজিত জোটকে অপমানিত করে। এই পক্ষপাতদুষ্ট সন্ধির খেসারত বিশ্বের মানুষকে পুনরায় দিতে হয়েছিল।

  21. 21.

    রাফসান একজন চিত্রশিল্পী হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ছবি। অংকনের স্কুলে ভর্তি হতে ব্যর্থ হয়ে সে 'ক' রাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে রাফসান একটি দল গঠন করে 'ক' দেশের প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

  22. 22.

    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অনেক বুদ্ধিজীবী সরাসরি অংশগ্রহণ। না করলেও তারা তাদের লেখনীর মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছিলেন। দেশের জনগণের পাশাপাশি বিশ্বজনমত গঠনেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

  23. 23.

    United Nations General Assembly ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার সনদ ঘোষণা করে। এ সনদে উল্লেখিত ধারাসমূহে বিশ্বের প্রতিটি মানুষের সহজাত মর্যাদা, সমান অধিকার ও সমতা রক্ষার। কথা বলা হয়। এছাড়া এ সনদে বিশেষভাবে বিশ্বের সকল মানুষের। মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ এবং সকল বর্ণ ও ধর্মের মানুষের সমমর্যাদার কথা বলা হয়েছে, যা বিশ্বমানবের সকলকে একই সূত্রে গ্রথিত করে। এভবে এ সনদ বিশ্বমানবতার মুক্তির ম্যাগনাকার্টা হিসেবে বিশ্ববিবেককে। সচেতন করে তোলে।

  24. 24.

    মিয়ানমারের শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক অত্যাচার, নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণ ও বাড়িঘর পোড়ানোর শিকার হয়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মূলত ধর্মীয় কারণেই রোহিঙ্গা মুসলিমরা তাদের জন্মভূমি ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। বাংলাদেশ সরকার। মানবিক কারণে ঐ সকল শরণার্থীদের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা দিয়ে প্রশংসা অর্জন করেছে।

  25. 25.

    দিল্লির সুলতান নাসির উদ্দীন অত্যন্ত ধার্মিক ও প্রজারঞ্জক শাসক ছিলেন। তিনি জনগণের দুঃখ লাঘব করার জন্য রাতে ছদ্মবেশে পথে-প্রান্তরে ঘুরে ঘুরে প্রজাদের অবস্থা দেখতেন। সুলতান নিজেই আটার বস্তা মাথায় নিয়ে প্রজাদের কাছে পৌছিয়ে দিতেন। আবার কখনও তার স্ত্রী হতদরিদ্র গরিব প্রসূতি মায়েদের সেবায় ধাত্রী হিসেবে সহযোগিতা করতেন। তাদের ঘরে কোনো কর্মচারী ছিল না। নিজেই' রাঁধুনির কাজ সেরে নিতেন। তদুপরি সুলতান সরকারের কোষাগারের অর্থ গ্রহণ না করে টুপি সেলাই করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

  26. 26.

    আধুনিক সিঙ্গাপুর রাষ্ট্র এক সময় মালয়েশিয়ার সাথে সংযুক্ত ছিল। পরবর্তীতে তারা মালয়েশিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ সময় সিঙ্গাপুরে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। এ সকল চুরি- ডাকাতিসহ অন্যান্য কাজের অপবাদ থেকে নিজেদেরকে বাঁচানোর জন্য কয়েকজন যুবক ঐক্যবদ্ধ একটি সমিতি গঠন করেন এবং উক্ত সমিতি। কিছু কর্মসূচি গ্রহণ করে। সে অনুযায়ী অপরাধীদের কঠোর শাস্তির। ব্যবস্থা করে। এতে অল্প সময়ের মধ্যে সিঙ্গাপুর একটি শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্র ও সভ্য জাতিতে পরিণত হয়।

  27. 27.

    ইসরাইলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিন ও জর্ডানের প্রধানমন্ত্রী আবদেল সালাম আল মাজলির মধ্যে ১৯৯৪ সালে ২৬ অক্টোবর এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তিতে উভয় দেশ পরবর্তীতে কোনো সংঘর্ষে লিপ্ত হবে না- এ শর্তে একমত হয়। আর এ চুক্তি-দ্বারা উভয় দেশের জনসাধারণের পূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশের উপর কোনো আঘাত আসবে না বা এক দেশ দ্বারা অন্য দেশের কোনো ক্ষতি হবে না বলে একমত হয়। তাছাড়া এ চুক্তি দ্বারা এক দেশ অন্য দেশকে আক্রমণের ভীতি প্রদর্শন থেকে বিরত থাকবে বলে ঐকমত্য পোষণ করে। তবে আল জাজিরা নিউজ চ্যানেলের এক নিউজ বিশ্লেষণে বলা হয় যে, এ চুক্তি ছিল জর্ডানের পরোক্ষ বিজয়।

  28. 28.

    ইতিহাস পাঠের মাধ্যমে জানা যায় যে, একসময় ভারতে মেয়েদের কোনো স্বাধীনতা ছিল না। সতীদাহ তথা স্বামীর সাথে সহমরণসহ ঘৃণ্য কিছু প্রথা বিদ্যমান ছিল। বিধবা বিবাহ নিষিদ্ধ ছিল। উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিকানা থেকেও তারা বঞ্চিত ছিল। বলতে গেলে নারীদের সামাজিক কোনো মর্যাদাই ছিল না। কন্যা সন্তানের প্রতি তাদের অনাগ্রহ এবং ঘৃণা ছিল। এমনকি বর্তমান যুগেও ভারতের কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা যায় যে, কন্যা সন্তানের ভ্রূণ হত্যা করা হয়।

  29. 29.

    যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন ১৮৬৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের অবসানকল্পে গেটিসবার্গে এক বিখ্যাত ভাষণ প্রদান করেন। এ ভাষণে তিনি ক্রীতদাস প্রথার বিলোপ সাধনের ঘোষণা দেন। তিনি এ ভাষণে বর্ণবৈষম্য উচ্ছেদের ঘোষণা করেন এবং তিনি বলেন, "আজ থেকে কেউ কৃষ্ণাঙ্গ বা শ্বেতাঙ্গের দোহাই দিয়ে শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করতে পারবে না।" দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমাজের উন্নয়নকে 'ত্বরান্বিত করতে তিনি জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।

  30. 30.

    জনাব আবছার সাহেব চিলমারী নামক পৌর অঞ্চলের মেয়র নির্বাচিত হয়ে জনগণের মধ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রশাসনিক কাজের গতি বৃদ্ধি করার জন্য কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করেন। কিন্তু ঘটনাক্রমে কিছু কিছু নিয়োগকৃত কর্মকর্তা মেয়রের নিকটতম আত্মীয় ছিল। কিছুদিন পর মেয়রবিরোধী কিছু ব্যক্তি অর্থ আত্মসাৎ ও স্বজনপ্রীতিসহ কিছু অভিযোগ উত্থাপন করে এলাকায় বিশৃঙ্খলা ও গোলযোগ সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে গোলযোগকারীরা মেয়রের বাসভবন ঘেরাও করে তাকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করে। এতে এলাকায় গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।

  31. 31.

    আব্বাসি বংশের ৩য় খলিফা আল মাহদী ৭৭৫ সালে বাগদাদের খলিফা হওয়ার পর বহুমুখী বিদ্রোহের সম্মুখীন হন। তাঁর শাসনামলে কদাকার খর্বাকৃতি বা খাটো হাশিম বিন হাকিম (মুক্কানা) নিজেকে আল্লাহর অবতার ও ভন্ডনবি বলে মিথ্যা নবুয়ত দাবি করেন। এ ভণ্ডনবির যথেষ্ট অনুসারি ছিল। তারা সাদা কাপড় ব্যবহার করত বলে তাদেরকে 'মুবায়িদ' বলা হতো। তাছাড়া বাগদাদের পূর্বদিকে 'মুহাম্মির' নামক আর এক দল ভণ্ড লোকের উদ্ভব হয়। তাদের 'জিন্দিক' বলা হতো। পারস্যের কেউ কেউ আবার যাকাত দিতেও অস্বীকার করে। খলিফা মাহদী কঠোর হস্তে সকল ভন্ডনবি এবং ভণ্ড ধর্মীয় নেতাদেরকে দমন করেন এবং যাকাত অস্বীকারকারীদের যাকাত দিতে বাধ্য করেন।

  32. 32.

    মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবর মধ্য এশিয়া থেকে বারবার বিতাড়িত হয়ে ভারতবর্ষে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। তার এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১২ হাজার সুসজ্জিত ও সুশৃঙ্খল বাহিনী নিয়ে ভারতের শেষ সুলতান ইব্রাহীম লোদির ১,২০,০০০ সৈন্যের মোকাবিলা করেন। ১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বিপুল সৈন্য থাকা সত্ত্বেও সুলতান লোদি বাবরের হাতে অত্যন্ত শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন। এ যুদ্ধে বিজয় লাভ করার পর বাবর আরও কয়েকটি যুদ্ধে সুপ্রতিষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বী শত্রুদের পরাজিত করে ভারতে মুঘল শাসনের সূচনা করেন।

  33. 33.

    সিন্ধু সভ্যতা প্রাচীন সভ্যতাগুলোর অন্যতম। এটি একটি নগরভিত্তিক সভ্যতা। এদের লিখন পদ্ধতি ছিল চিত্রভিত্তিক সিন্ধু। সভ্যতা নগরভিত্তিক হলেও তাদের ছিল উন্নত কৃষি ব্যবস্থা। যব, গম, তুলাসহ নানা রকম ফসল তারা উৎপন্ন করত। উন্নত ফসল উৎপাদনের জন্য তারা জমিতে বাঁধ দিত। বন্যার পানিকে সংরক্ষণ করে কাজে লাগাত। আবার নালা কেটে জলসেচের মাধ্যমে পানি এনে ফসলের মাঠে সরবরাহ করত।

  34. 34.

    অটোমান সুলতান দ্বিতীয় মুরাদ ইউরোপীয় রাষ্ট্রবর্গের সম্মিলিত শক্তির নেতৃত্বদানকারী হাঙ্গেরির বিখ্যাত সেনাপতি হুনিয়াদির কাছে যুদ্ধে হেরে যান এবং সন্ধি করতে বাধ্য হন। পরে ইউরোপীয় শক্তিবর্গ সন্ধি ভঙ্গ করেন এবং ভার্না নগরী অবরোধ করেন। সুলতান মুরাদ হুনিয়াদিকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার জন্য চল্লিশ হাজার সৈন্য নিয়ে ভার্নায় উপস্থিত হন। ১৪৪৪ খ্রিস্টাব্দে উভয় বাহিনীর মধ্যে তুমুল যুদ্ধ সংঘটিত হয়। হুনিয়াদি পরাস্ত হন এবং হাঙ্গেরির রাজা নিহত হন। এভাবে সুলতান মুরাদ প্রথম যুদ্ধে চুনিয়াদির কাছে হেরে যাওয়ার প্রতিশোধ নিলেন। ফলে উত্তর ইউরোপীয় অটোমান অংশ আশঙ্কামুক্ত হলো।

  35. 35.

    ১৯৬৯ সালে ভারতের ৪র্থ লোকসভায় অন্তঃকলহের কারণে ইন্দিরা গান্ধী দল থেকে বহিষ্কৃত হন। ফলে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসদ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে। গরিষ্ঠ সংখ্যক কংগ্রেস সদস্য ও দ্বীয় তৃণমূল সমর্থকদের নিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (আর) বা মূল কংগ্রেস গঠিত হয়। অপরদিকে মোরারজি দেশাই-এর নেতৃত্বে মাত্র ৩২ জন কংগ্রেস' সদস্য নিয়ে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (অর্গানাইজেশন) গঠিত হয়। ১৯৭১ সালে ভারতের সাধারণ নির্বাচনে ইন্দিরা গান্ধীর দল ৫১৮টি আসনের মধ্যে ৩৫২টি লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। অন্যদিকে মোরারজি দেশাই-এর দল অর্ধেক আসন হারায়।

  36. 36.

    চীনের উত্তর-পশ্চিমে শিনচিয়াং উইঘুর দ্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটি অবস্থিত। এখানে দক্ষিণ শিনচিয়াং (তারিন বেসিন)-এ ৪৫.২১% তুপ্তি মুসলিম এবং উত্তর শিনচিয়াং (জাংগারিয়া)-এ ৪০.৫৭% হান ও দুই নামের মূল চীনারা বসবাস করে। তিয়ানশান পর্বতমালা দ্বারা এই দুই অঞ্চল বিভক্ত। উইগুর মুসলিমরা মূল চীনা হিসেবে নিজেদের দাবি করে এবং তারা তাদের স্বতন্ত্র ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে নিজেদের স্বাধীনতা সংগ্রামে লিপ্ত। কিন্তু চীন সরকার তাদের স্বাধীনতা দিতে নারাজ। যুগ যুগ ধরে যান ও তুই চীনাদেরকে উইগুর মুসলিমদের থেকে আলাদা করা হয়েছে এবং শিক্ষা-সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিকভাবে সর্বাত্মক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। পক্ষান্তরে উইগুরের মুসলিমদের ওপরে চলে শোষণ, ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা আর শিক্ষা-সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক বৈষম্য।

  37. 37.

    দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত কৃষ্ণাঙ্গ নেতা ছিলেন নেলসন ম্যান্ডেলা। রাজপরিবারে জন্ম হলেও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন- সংগ্রামের কারণে তিনি দীর্ঘ আটাশ বছর কারাবাস ছিলেন। ছাত্রজীবনে বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হন। তার আদর্শে গড়া দল এএনসি (আফ্রিকান খোশনাল কংগ্রেস)-কে এক পর্যায়ে নিষিদ্ধ করা হলে শ্বেতাঙ্গ সরকারের। বিরদ্ধে তিনি সশস্ত্র সংগ্রামের ডাক দেন। ১৯৬২ সালে তাকে বন্দি করে। বিশ্বমে পাঁচ বছর ও পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। সত্তরের প্রথকে 'ব্ল‍্যাক কনসাসনেস মুভমেন্ট' নামে জঙ্গি আন্দোলন শুরু হয়। কারাগারে স্টিভ বিকো নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নেলসন। কান্ডেলাসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তির দাবিতে গণআন্দোলন শুরু হয়। পরিশেষে বর্ণবাদী সরকার ১৯৯০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি আলোচনায় বসে। এবং ১১ ফেব্রুয়ারি ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দেয়। লাখো জনতার উদ্দেশ্যে কেপটাউনের টাউন হলের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে তিনি ভাষণ দেন। ১৯৯৪ সালের গণতান্ত্রিক নির্বাচনে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

  38. 38.

    সুপ্রাচীনকাল হতেই এ দেশের শিল্পনগরীর সাথে ছোট শহর-বন্দরের মধ্যে নৌপথে বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি একটা সাংস্কৃতিক যোগাযোগও গড়ে ওঠে। ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় বড় ব্যবসায়ী ইসমত সাহেব নরসিংদী শহর থেকে সাতটি জাহাজে করে শিল্পের কাঁচামাল, কিছু শ্রমিক, উপঢৌকন ও ব্যবসায়ের অর্থ ঢাকায় পাঠাচ্ছিলেন। কিন্তু জাহাজগুলো নারায়ণগঞ্জ আসলে একদল ডাকাত কর্তৃক মালামাল লুণ্ঠিত হয়। ইসমত সাহেব নারায়ণগঞ্জ প্রশাসনের কাছে এর আশু বিচারসহ ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। কিন্তু তিনি এর যথাযথ জবাব ও ক্ষতিপূরণ লাভে ব্যর্থ হন। এতে মালামাল গ্রহীতার মনে ক্ষোভ দেখা দেয়।

  39. 39.

    পৃথিবীর দীর্ঘ সময় ঘটা ভাষা আন্দোলনের মধ্যে মানভূমের বাংলা ভাষা আন্দোলন একটি। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫৬ সালের মধ্যে এই আন্দোলন তীব্রভাবে ছড়িয়ে পড়ে মানভূমের বাঙালিদের মধ্যে। ১৯৫৬ সালের আগে পুরুলিয়া জেলা বিষারের অন্তর্ভুক্ত ছিল। সেই সময় রাজনৈতিকভাবে স্কুল-কলেজ ও সরকারি দপ্তরে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। জাতীয় কংগ্রেসের বাংলাভাষী সদস্যদের দ্বারা হিন্দির বিরুদ্ধে আন্দোলনের চেস্টা ব্যর্থ হয়। গঠিত হয় 'লোকসেবক সংঘ' নামে জাতীয়তাবাদী দল। ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি এতে যোগদান করে। আন্দোলনে হাজার হাজার বাংলাভাষী কারাবরণ করে। ফলে ১৯৫৬ সালে ভারত সরকার মানভূম জেলা ভেঙে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সঙ্গে পুরুলিয়া নামে একটি নতুন জেলা সংযুক্ত করতে বাধ্য হয়।

  40. 40.

    মায়ানমার সেনাবাহিনী তাদের দেশের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে শুধু ধর্মের দোহাই দিয়ে নির্যাতন করতে থাকে। ফলে সে দেশের প্রায় ১২ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করে। বিতাড়নের পূর্বে সেনা সদস্যরা তাদের বাড়িঘরে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। নির্বিচারে গণহত্যা করে। যুবতী নারীদের ধরে শ্লীলতাহানী করে। স্থানীয় বৌদ্ধরা রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরে লুটতরাজ করে।

  41. 41.

    নির্বাচনে হামাসের কাছে ফিলিস্তিনের ক্ষমতাসীন পার্টি পিএলও হেরে গেলেও প্রেসিডেন্ট ইসমাইল হানিয়া ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকার করে। ফলে ইসরাইলের দুই দিকে ফিলিস্তিনের দুই অংশ পশ্চিম তীর ও গাজা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। হামাসের অধীনে গাজা শাসিত হয় এবং পিএলও'র অধীনে থাকে পশ্চিম তীর। তবে উভয়ই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অধীনে থাকে।

  42. 42.

    মোঙ্গল নেতা কুবলাই খান মধ্য এশিয়ায় বারবার অভিযান পরিচালনা করতেন। কিন্তু তিনি সেসব অভিযানে বিজয়ী হয়ে সেখানে আধিপত্য বিস্তার না করে বরং সেখানকার ধন- সম্পদ লুটতরাজ করে নিয়ে রাজধানী পিকিংকে সমৃদ্ধিশালী করতেন। কুবলাই খান শিল্প- সাহিত্যের সমঝদার ছিলেন। তিনি একজন কবিকে দিয়ে কাব্যগ্রন্থ লিখিয়ে তার পারিশ্রমিকওয়াদা মতো প্রদান করেননি।

  43. 43.

    মিন্দানাও ফিলিপাইনের মূল ভূখণ্ড থেকে একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ। দেশের উভয় অঞ্চলের মধ্যে বেশ দূরত্ব। এ অবস্থায় মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত কেন্দ্রীয় সরকার মিন্দানাওয়ের জনগণকে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে। এতে মিন্দানাওয়ের বিক্ষুব্ধ জনগণ সংসদে ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব, আলাদা মুদ্রা ব্যবস্থা ও নিজস্ব আধা-সামরিক বাহিনী গঠনের তিন দফা দাবি তোলে। ফলে কেন্দ্রীয় সরকার তাদের প্রতি আরও কঠোরতা প্রদর্শন করে।

  44. 44.

    ভিয়েতনাম যুদ্ধ শুরুর অব্যবহিত পূর্বে নেতা, হো চি মিন জনগণের উদ্দেশ্যে যে ভাষণ দেন তাতেই যুদ্ধের প্রস্তুতির সবকিছু তুলে ধরেন। এই ভাষণ থেকেই ভিয়েতনামি জনগণ যুদ্ধ জয়ের মূলমন্ত্র পেয়ে যান। ফলে যুদ্ধ শুরুর আগেই দেশের প্রতিটি অঞ্চলে জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে শত্রুকে প্রতিরোধের প্রস্তুতি নেয়।