ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র প্রশ্ন

মায়ানমার সেনাবাহিনী তাদের দেশের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে শুধু ধর্মের দোহাই দিয়ে নির্যাতন করতে থাকে। ফলে সে দেশের প্রায় ১২ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করে। বিতাড়নের পূর্বে সেনা সদস্যরা তাদের বাড়িঘরে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। নির্বিচারে গণহত্যা করে। যুবতী নারীদের ধরে শ্লীলতাহানী করে। স্থানীয় বৌদ্ধরা রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরে লুটতরাজ করে।

  1. ক)

    বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি কে?

    (1)
  2. খ)

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন বাঙালি জনগোষ্ঠীর মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের আলোকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নৃশংসতার বর্ণনা দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী ও আপসহীন নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতা লাভ করেছিল। তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটিয়ে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব প্রদান করেন। একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবিসংবাদিত ভূমিকার জন্য তাঁকে জাতির পিতা বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সাথে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাঙালি শরণার্থীদের মিল পাওয়া যায়।

    ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসরদের নির্মম গণহত্যা, নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগের হাত থেকে বাঁচার জন্য প্রায় এক কোটি বাঙালি ভিটামাটি ছেড়ে প্রতিবেশী ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছিল। উদ্দীপকেও দেখা যায়, মায়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতন, গণহত্যা এবং বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার কারণে প্রায় ১২ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করেছে। আশ্রয়হীন হয়ে প্রতিবেশী দেশে প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে পালিয়ে যাওয়ার এই মর্মান্তিক পরিস্থিতির দিক থেকে উভয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে গভীর সাদৃশ্য রয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের আলোকে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পরিচালিত নৃশংসতা ও বর্বরতার চিত্র ফুটে ওঠে।

    ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ 'অপারেশন সার্চলাইট'-এর মাধ্যমে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঘুমন্ত ও নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে নির্বিচারে গণহত্যা শুরু করে। তারা শহর থেকে গ্রামে নির্বিচারে বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ চালায়। দেশের বুদ্ধিজীবী, ছাত্র, সাধারণ মানুষ এবং বিশেষ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর তীব্র নির্যাতন চালানো হয়। পাকিস্তানি সেনারা লক্ষ লক্ষ মা-বোনের ওপর পাশবিক নির্যাতন ও শ্লীলতাহানি ঘটায়।

    উদ্দীপকে মায়ানমার সেনাবাহিনীর রোহিঙ্গাদের ওপর ধর্মের দোহাই দিয়ে নির্যাতন, নির্বিচারে গণহত্যা, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, লুটতরাজ এবং নারীদের শ্লীলতাহানির যে বিবরণ রয়েছে, তা ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের নিরীহ জনগণের ওপর পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বর্বরতারই প্রতিচ্ছবি। পাকিস্তানি বাহিনী তাদের নিজস্ব স্বার্থে এবং বাঙালিদের দমিয়ে রাখার জন্য ঠিক একইভাবে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেছিল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন