সমাজকর্ম ১ম পত্র • Combined Board • সমন্বিত বোর্ড ২০১৬
সমাজকর্ম ১ম পত্র প্রশ্ন
ফাতেমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সামাজিক বিজ্ঞানের এমন একটি বিষয় নিয়ে অধ্যয়ন করছে যে বিষয়টি বৈজ্ঞানিক জ্ঞান, ব্যবহারিক দক্ষতা ও সুনির্দিষ্ট মূল্যবোধ ভিত্তিক এমন একটি পেশা যা কতগুলো পদ্ধতির মাধ্যমে সামাজিক সমস্যার বিজ্ঞানসম্মত সমাধান দিতে সক্ষম।
- ক)(1)
পদ্ধতি কী?
- খ)(2)
পেশা বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে ফাতেমা সামাজিক বিজ্ঞানের কোন বিষয়ে অধ্যয়ন করছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে ফাতেমার অধ্যয়নকৃত বিষয়টির জ্ঞান সামাজিক সমস্যা সমাধানে কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো লক্ষ্য অর্জনের জন্য বা কোনো কাজ সুশৃঙ্খল ও পরিকল্পিতভাবে সম্পন্ন করার উপায় বা প্রক্রিয়াকে পদ্ধতি বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পেশা বলতে কোনো বিশেষ তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান, বিশেষ দক্ষতা ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দ্বারা পরিচালিত জীবিকা অর্জনের এমন এক বিশেষ বৃত্তিকে বোঝায়, যা জনকল্যাণমূলক কাজে নিয়োজিত থাকে। পেশার জন্য উচ্চতর আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ এবং পেশাগত নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখা অপরিহার্য।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ফাতেমা সামাজিক বিজ্ঞানের 'সমাজকর্ম' (Social Work) বিষয়ে অধ্যয়ন করছে।
সমাজকর্ম হলো একটি বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতাভিত্তিক সাহায্যকারী পেশা, যা কতগুলো মৌলিক ও সহায়ক পদ্ধতির মাধ্যমে ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির সমস্যা বিজ্ঞানসম্মতভাবে সমাধানে সহায়তা করে। এর নিজস্ব মূল্যবোধ, দর্শন ও পেশাগত নীতিমালা রয়েছে।
উদ্দীপকে উল্লেখ রয়েছে, ফাতেমার অধ্যয়নকৃত বিষয়টি বৈজ্ঞানিক জ্ঞান, ব্যবহারিক দক্ষতা ও সুনির্দিষ্ট মূল্যবোধভিত্তিক এমন এক পেশা যা পদ্ধতির মাধ্যমে সামাজিক সমস্যার বিজ্ঞানসম্মত সমাধান দেয়। সমাজকর্মের সংজ্ঞার সাথে এই বৈশিষ্ট্যগুলো হুবহু মিলে যায়। সুতরাং, ফাতেমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিষয়ে অধ্যয়ন করছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ফাতেমার অধ্যয়নকৃত বিষয়টি হলো 'সমাজকর্ম', যার জ্ঞান সামাজিক সমস্যা বিজ্ঞানসম্মত ও স্থায়ী সমাধানে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
সমাজকর্ম সমস্যার কারণ অনুসন্ধান করে মূল থেকে তা সমাধানের চেষ্টা করে। এর ভূমিকাগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. পদ্ধতির প্রয়োগ: সমাজকর্মের রয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু মৌলিক পদ্ধতি (ব্যক্তি সমাজকর্ম, দল সমাজকর্ম ও সমষ্টি সংগঠন/উন্নয়ন) এবং সহায়ক পদ্ধতি (সমাজকর্ম প্রশাসন, সমাজকর্ম গবেষণা ও সামাজিক কার্যক্রম)। এগুলোর বিজ্ঞানসম্মত প্রয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন স্তরের সমস্যার সঠিক সমাধান সম্ভব হয়।
২. স্বাবলম্বিতা অর্জন: সমাজকর্ম কেবল তাৎক্ষণিক সাহায্য দেয় না, বরং সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে নিজেদের সম্পদ ও সামর্থ্যের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে সক্ষম করে তোলে।
৩. সামাজিক নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন: সামাজিক সমস্যাসমূহের গতিপ্রকৃতি গবেষণার মাধ্যমে উপযুক্ত সামাজিক নীতি প্রণয়ন এবং কার্যকর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমাজকর্মের জ্ঞান দিকনির্দেশনা দেয়।
৪. অবাঞ্ছিত পরিস্থিতির মোকাবিলা: দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা, অপরাধপ্রবণতা, বেকারত্ব ইত্যাদি জটিল সামাজিক সমস্যার কার্যকারণ নির্ণয় করে তা দূরীকরণে সমাজকর্মের জ্ঞান সামগ্রিক ভূমিকা পালন করে।
অতএব, সমাজকর্মের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান সামাজিক পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে সমস্যা মোকাবিলায় বিজ্ঞানসম্মত ও টেকসই ভূমিকা পালন করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও