Combined Board সমন্বিত বোর্ড ২০১৬
72টি প্রশ্ন
- 1.
মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের ব্যক্তিগত দুর্বলতা তার সংকট সৃষ্টির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাবরের মৃত্যুর পর সাম্রালো যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছিল তাতে একজন কঠোর ও শক্তিশালী শাসকের প্রয়োজন বিশেষভাবে অনুভূত হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত হুমায়ুনের মধ্যে নানা ধরনের সদগুণের সমাবেশ ঘটলেও সময়ের সবি অনুযায়ী কূটনৈতিক দূরদর্শিতা ও রাজনৈতিক বিচক্ষণতার প্রচণ্ড অভাব ছিল। দয়াপ্রবণ চরিত্রের কারণে তিনি দন্ডযোগ্য অপরাধীকেও ক্ষমা করে দিতেন। এর ফলে হুমায়ুন। বেশ কিছু ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, যেগুলো তার ভাগ্য বিপর্যয়কে ত্বরান্বিত করেছিল।
- 2.
রতনপুর বিশাল আয়তনের এবং বহুগোষ্ঠী অধ্যুষিত অঞ্চল। সেখানে আরো কতিপয় ক্ষুদ্র অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিছুদিন পরেই ঐ অঞ্চলের বিদেশি শাসক বহুমুখী সৃষ্ট জটিলতার কারণে অঞ্চলটিকে ভেঙে দেন কিন্তু এর প্রতিক্রিয়ায় এক বিশেষ শ্রেণি প্রথমে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন শুরু করে। পরবর্তীতে এটি অর্থনৈতিক আন্দোলনের রূপ নেয় যা কার্যকরভাবে ফলপ্রসূ হয়েছিল।
- 3.
একটি বহুজাতিক কোম্পানি পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠার সময় কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে আইনের সীমাবদ্ধতায় বেশ কিছু জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এই প্রেক্ষিতে কোম্পানির, ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। নতুন আইন কোম্পানিটির ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করলেও ত্রুটিমুক্ত ছিল না।
- 4.
একটি আন্তর্জাতিক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদ। জনাব 'ক'-কে তাদের প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিয়োগ প্রদান করে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিযুক্ত হওয়ার পর জনাব 'ক' ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানটিকে পরিচালনা পরিষদের নিয়ন্ত্রণমুক্ত রাখার জন্য কতগুলো দৃঢ় ও সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নেন। প্রথমেই তিনি অর্থনৈতিক। সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানটির সাবলম্বিতা অর্জনে সক্ষম হন। কিন্তু জনাব 'ক'-এর কর্মকাণ্ড পরিচালনা পরিষদের। মনঃপূত না হওয়ার কারণে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত ঘটে।
- 5.
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মিয়ানমারের সাধারণ নির্বাচনে সেনা-সমর্থিত ক্ষমতাসীন দলের ভরাডুবি ঘটিয়ে গণতন্ত্রকামী নেত্রী অংসান সুচি'র বিরোধী দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) জয়ী হয়েছে। উচ্চ ও নিম্নকক্ষ মিলিয়ে সুচি'র দল ৮৫ শতাংশ আসন পেয়েছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়। দেশটিতে গত ২৫ বছরের মধ্যে এটাই ছিল। সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক নির্বাচন।
- 6.
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একক পরাশক্তি। নিজ দেশের ভৌগোলিক সীমারেখার বাইরেও দক্ষিণ কোরিয়া, আফগানিস্তান, লিবিয়া, কুয়েত, সৌদিআরব প্রভৃতি দেশে রয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীর সরব উপস্থিতি। কোনো দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হলে মার্কিন সরকার মিত্রতার নিদর্শনস্বরূপ সেদেশে সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়ে থাকে। পর্যবেক্ষক মহলের মতে, এহেন মিত্র রাষ্ট্রগুলো মার্কিনিদের ওপর এতটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়ে যে তাদের পক্ষে অনেকক্ষেত্রেই স্বাধীনভাবে। রাষ্ট্র পরিচালনা করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।
- 7.
উনিশ শতকে গণচীনে মাঞ্জু শাসকের অপশাসনের বিরুদ্ধে একদল তরুণ সোচ্চার হয়। তারা বক্সার বা আই-হো-টুয়ান নামে পরিচিত। তারা চীনের বিভিন্ন অঞ্চলে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ফলে ঐ শাসক শংকিত হন।
- 8.
উনবিংশ শতাব্দির শেষভাগে ইহুদিরা আন্দোলনের মাধ্যমে পৃথক ইহুদীবাদী আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার দাবিতে সোচ্চার হয়ে ওঠে। ইহুদিদের সম্প্রদায়ভিত্তিক কোনো আবাসস্থল বা দেশ পৃথিবীর কোথাও ছিল না। ১৯১৭ সালের ২ ২ নভেম্ব নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্র ও অর্থ বিষয়ক মন্ত্রী জেমস্ বেলফোরের একটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্যালেস্টাইনে ইহুদি ইসরাইল রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়।
- 9.
"আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্ত্র মানবিক; আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।"
- 10.
'ক' ও 'খ' পরস্পর বিবদমান দুটি গ্রাম। আশপাশের গ্রামগুলো তাদের যেকোনো প্রয়োজনে বিবদমান গ্রামম্বয়ের যেকোনো একটির শরণাপন্ন হত এবং সহায়তাও পেত। কিন্তু একসময় নানাবিধ কারণে 'ক' গ্রাম ভেঙে পড়লে 'খ' গ্রাম অপ্রতিহত ক্ষমতার অধিকারী হয় এবং তাকে বাধাদান করার মতো আর কোনো গ্রাম অবশিষ্ট থাকে না।
- 11.
সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক সাহেব। তার পরিষদের সদস্যরা দুইভাগে বিভক্ত। উভয়পক্ষ নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় তৎপর থাকে। বিচারকার্যে কোনো পক্ষ দ্বিমত পোষণ করলে সালিশ মীমাংসা হয় না। ফলে চেয়ারম্যানের ক্ষমতা সীমিত হয়ে যায়।
- 12.
মিয়ানমারের স্বৈরশাসক থান শোয়ে ক্ষমতা দখল করে মানুষের বাক স্বাধীনতা খর্ব করেন। তিনি সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে বিরোধী নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করেন। সরকারবিরোধী সব পত্রিকা বন্ধ করে দেশে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- 13.
'ক' এর পরিবার বিভিন্ন বিপ্লবী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এজন্য তিনি এবং তার অন্যান্য ভাই-বোন পুলিশের নজরবন্দিতে ছিলেন। তিনি নিজেও ছাত্রাবস্থায় আন্দোলনে জড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হন।
- 14.
মহানবি (স) অন্যায়ের সমর নামে পরিচিত যুদ্ধের একজন শিশু সৈনিক ছিলেন। অহেতুক কারণে পাঁচ বছরকাল স্থায়ী এ যুদ্ধের বিভীষিকা ও তান্ডবলীলা তাকে অস্থির করে তোলে। তাই তিনি এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ এবং আরবে শান্তি বজায় রাখার জন্য একটি শান্তিসংঘ প্রতিষ্ঠা করেন।
- 15.
কুসংস্কার, অশিক্ষা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব সময়ই প্রতিবাদী এবং সোচ্চার জামান সাহেব। কিন্তু তার প্রতিবাদের ধরন ভিন্ন প্রকৃতির। তিনি সহজভাবে অনেক বিষয়ের সমাধান করতেন। এমনকি তিনি অন্যায়কারীর সাথেও বিরোধ মীমাংসায় অস্ত্রের ব্যবহার সমর্থন করতেন না। বিরোধ মীমাংসায় তার এই অহিংস পদ্ধতি প্রশংসার দাবিদার।
- 16.
বরেন্দ্র অঞ্চলে শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কৈবর্ত জাতির নেতৃত্বে এক বিপ্লব সংঘটিত হয়। এর মাধ্যমে জনগণ এক নতুন সমাজ ব্যবস্থার পরিচয় লাভ করে সেখানে ধনী-গরিবের বৈষম্য আর থাকে না।
- 17.
ভারত ও পাকিস্তান পাশাপাশি দুটি রাষ্ট্র। দুটিই শক্তিশালী এবং পারমাণবিক শক্তির অধিকারী। সীমান্তে দুই পক্ষের গুলি বর্ষণের কারণে উভয়ের মধ্যে বিরোধ লেগেই থাকে। কিন্তু তারা সচরাচর যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছায় না। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে বৈরীতা বিরাজ করে।
- 18.
একক কোন কারণে বিপ্লব সংঘটিত হয় না বরং এর পেছনে থাকে বহুবিধ কারণ। আর অধিকারভোগী শ্রেণির সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার কোনো এক বিপ্লবের মাধ্যমে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। পরিশেষে বুর্জোয়া শ্রেণির নেতৃত্বে পুরাতনকে ভেঙে নতুন সমাজব্যবস্থা গঠনে তৎপর হয় ।
- 19.
জনাব আলী আজম দয়ালু, সদাশয় ও প্রজাবৎসল খলিফা। তিনি চারিত্রিক দিক দিয়ে ছিলেন সরল, অনাড়ম্বর, ধর্মানুরাগী ও কর্তব্যপরায়ণ। তিনি খুলাফায়ে রাশেদিনের আদর্শ ও ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী ছিলেন। কর ব্যবস্থার সংস্কার করে তিনি শিল্প ও ব্যবসা- বাণিজ্যের উন্নতি সাধন করেন। তিনি ভিন্ন মতাবলম্বীদের শাসনকার্বে নিয়োগ করে এক অপূর্ব দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। তার বৈদেশিক নীতি ছিল। শান্তি-শৃঙ্খলা ও সংহতি বিধান।
- 20.
সার্কভুক্ত দেশগুলোর মহিলা পরিষদের একটি অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ক্রিস্টিন মেডোনা অধিকার রক্ষায় নারী আন্দোলনের কার্যকর ভূমিকার জন্য বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশে একটি সময় ছিল যখন কন্যাসন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়া হতো। তাদের কোনো অধিকার ছিল না। একজন পুরুষ একই সাথে একাধিক স্ত্রী রাখতে পারত। তারা `জোর যার মুল্লুক তার' এ নীতিতে বিশ্বাসী ছিল।
- 21.
জনাব রাশেদ মিয়া আলমপুর উপজেলা চেয়ারম্যান। প্রজাসাধারণের অবস্থা স্বয়ং অবগত হওয়ার জন্য তিনি ছদ্মবেশে গ্রাম। ভ্রমণ করতেন। তিনি পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও প্রতি রাতে একশত রাকাত নফল নামাজ আদায় করতেন। জনসাধারণের উন্নতি এবং স্বার্থ সংরক্ষণে তার জেলার কোনো চেয়ারম্যানই তার মতো যত্নবান ছিলেন না।
- 22.
পিতামহের মৃত্যুর পর আব্দুর রহিম মাত্র ১২ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্যের সেচ প্রকল্প ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করেন। ফলে সাম্রাজ্যের কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পের যথেষ্ট উন্নতি ঘটে । তার সময়ে কমপক্ষে রাজ্যে ১,০০০ জাহাজ এবং শুধু রাজধানীতে, ১৩,০০০ তাঁত শিল্প-কারখানা ছিল। তিনি বিভিন্ন দেশের সৈন্যদের সমন্বয়ে একটি বিশাল ও শক্তিশালী সৈন্যবাহিনী গড়ে তোলেন, যা স্লাভ বাহিনী নামে পরিচিত ছিল।
- 23.
জনাব আলী আশরাফ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে রাজ্যে শান্তি- শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্যে আগের শাসকের নিযুক্ত প্রাদেশিক গভর্নরদের বরখাস্ত করেন। গভর্নর মুহিব ছাড়া সব গভর্নর তার নির্দেশনার প্রতি সম্মান দেখান। তাছাড়া মুহিব সাহেব আগের শাসনকর্তার সময়ে যেসব সরকারি সম্পত্তির মালিক হয়েছিলেন নতুন শাসনকর্তা তা রাজকোষে ফিরিয়ে নিলে উক্ত শাসনকর্তা ও গভর্নর মুহিবের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
- 24.
বিরূপ আবহাওয়া, প্রকৃতির শুষ্কতা ও রুক্ষতার জন্য প্রাচীন। আরবের মক্কাবাসী কোন কিছু ভালোভাবে চিন্তা করতে পারত না। তাছাড়া। মূর্তি. পূজার বিপরীতে হযরত মুহাম্মদ (স)-এর মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত। হলে তাদের অর্থোপার্জনের পথ, সামাজিক মর্যাদা ও রাজনৈতিক প্রভূত্ব সবই শেষ হয়ে যায়। অপরদিকে শস্য শ্যামল ও স্বাস্থ্যকর মদিনার অধিবাসীরা সত্য ও শান্তির ধর্ম ইসলামকে সাদরে গ্রহণ করেন এবং মদিনার দুটি গোত্র মহানবি (স)-কে তাদের মধ্যকার বিরোধ দূরীকরণে মধ্যস্থতকারী হিসেবে আহ্বান জানায়। ফলে সত্যের ডাকে. ও কর্তব্যের। খাতিরেই মহানবি (স)-কে মদিনার হিজরত করতে হয়েছিল।
- 25.
খলিফা জাহিন রহমান সুদীর্ঘ তেইশ বছর শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থেকে বিজ্ঞান, দর্শন ও শিল্পের যথেষ্ট উন্নতি সাধন করেন। তিনি সুশাসনের জন্য সাম্রাজ্যকে কয়েকটি প্রদেশে এবং প্রদেশকে কয়েকটি জেলায় বিভক্ত করেন। তিনি ধীশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তি ছিলেন। তাকে তার রাজবংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় ।
- 26.
সাধুঘাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব আল-আমীনের মৃত্যুর পর ইউনিয়নবাসী জনাব আসলামকে চেয়ারম্যান নিযুক্ত করেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে তিনি অনেক সমস্যা ও বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন। হন। এ সময় কিছু ভণ্ডপির ও ইউনিয়নের কর দিতে অস্বীকারকারীরা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটান। কিন্তু চেয়ারম্যান আসলাম সাহেব অসীম সাহস ও অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন। বিশ্বস্ততার জন্য তাকে বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- 27.
কমলাপুর গ্রামের মানুষ পার্শ্ববর্তী ইসলামপুর গ্রামের। উন্নতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে তাদেরকে আক্রমণ করলে যুদ্ধে কমলাপুর গ্রাম। পরাজিত হয় এবং তাদের নেতা নিহত হন। এ পরাজয়ের গ্লানি মুছে ফেলা এবং নেতার হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য কমলাপুরবাসী আবারো ইসলামপুর গ্রাম আক্রমণ করে। ইসলামপুর গ্রামের চেয়ারম্যান। ইবনে আব্দুল্লাহ ৫০ জন তীরুন্দাজকে নির্দেশ দেন, 'আমরা সবাই যুদ্ধে মারা গেলেও তোমরা এখান থেকে সরবে না।' কিন্তু নেতার আদেশ অমান্য করার জন্য ইসলামপুরবাসী এ যুদ্ধে পরাজিত হয়।
- 28.
সর্বধর্মী মতবাদের প্রবস্তুা শ্রী আনন্দ স্বামী। তিনি অস্টাদশ শতাব্দীতে ত্রিপুরা জেলার সরাইল পরগনার কালিকচ্ছ গ্রামে এক কৌলিন জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। জমিদারের দায়িত্ব পালনকালে প্রজাদের ধর্মভিত্তিক বিভাজন ও আন্তঃধর্মবিবাদ তাঁকে চিন্তামগ্ন করে তোলে। ধর্ম নিয়ে হত্যা, হানাহানি, রক্তপাত নিরসন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি ইসলাম, সনাতন ও খ্রিস্টধর্মের সমন্বয়ে। 'সর্বধর্ম' মতবাদ প্রবর্তন করতে সক্রিয় হন। তার এ 'সর্বধর্ম' মতবাদে প্রকৃত মানবতার আহ্বান থাকলেও তিনি ধর্মভীরু মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেননি। তবে এর মাধ্যমে তিনি সকল শ্রেণির মানুষের আস্থাঅর্জনে সক্ষম হন।
- 29.
রফিক ও সফিক দুই ভাই। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর প্রতিষ্ঠিত ইস্টার্ন গার্মেন্টসের মালিকানা নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। দ্বন্দ্বের এক পর্যায়ে তারা সিদ্ধান্ত নেয় যে, বড় ভাই রফিক গার্মেন্টস পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন এবং ছোট ভাই সফিক সংসার দেখাশোনা করবেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বড় ভাই গার্মেন্টস পরিচালনা এবং ছোট ভাই সংসার দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। কিন্তু গার্মেন্টসের আয় থেকে ছোট ভাইকে সংসার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয়। অর্থ প্রদান না করায় উভয়ের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্বের কারণে বাবার প্রতিষ্ঠিত গার্মেন্টসটি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
- 30.
সরাইল উপজেলার চেয়ারম্যান পদে বহু বছর ধরে সামাদ পরিবার ঐতিহ্যগতভাবে নির্বাচিত হয়ে আসছে। সম্প্রতি কদম আলী পরিবার ভাগ্যান্বেষণে সরাইলে এসে বসতি স্থাপন করে। কদম আলীর সহজ-সরল জীবনযাপন, সাহসিকতা, নীতি-নৈতিকতা, সত্যবাদিতা, বিচক্ষণতা ও চারিত্রিক মাধুর্য উপজেলাবাসীর নজর কাড়ে। ফলে নির্বাচনে সরাইল উপজেলার চেয়ারম্যান পদে কদম আলী বিপুল ভোটে। নির্বাচিত হন। তিনি উপজেলার অভাবনীয় উন্নয়ন করেন। উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা, সুশাসন, জননিরাপত্তা, বিচার ও সালিশ ব্যবস্থার। উন্নয়ন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, রাজস্ব আদায়সহ সকল ক্ষেত্রে অসামান্য। উন্নয়ন করেন, যা ইতোপূর্বে অন্য কোনো চেয়ারম্যানই করতে পারেননি। কিন্তু তার মৃত্যুর পর আবার উপজেলা চেয়ারম্যানের পদটি সামাদ পরিবারের হাতে চলে যায়।
- 31.
অটোমান সুলতান অরখান জেনিসারি বাহিনী গঠন করে বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান পরিচালনা করেন। এসব রাজ্য থেকে অর্থ- সম্পদ লুণ্ঠন করে তিনি নিজ এলাকার উন্নয়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেন। তিনি একটি দ্বীপের সুসজ্জিত ও সুরক্ষিত উপাসনালয়ের মূল্যবান অর্থ- সম্পদের সন্ধান পেয়ে সেটি আক্রমণ ও লুন্ঠন করেন। স্থানীয় অধিবাসীরা প্রাণপণ চেষ্টা করেও উপাসনালয়টিকে লুন্ঠনের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেননি।
- 32.
প্রশাসনের একজন অভিজ্ঞ অবসরপ্রাপ্ত কমকর্তা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়ে দেখলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যে আমলা শ্রেণি তৈরি করা হয়েছিল তারাই এখন প্রশাসন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তারা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে অশোভন আচরণ ও বিশৃঙ্খলা তৈরি এবং সিন্ডিকেটভিত্তিক অফিসিয়াল কার্যাদি পরিচালনা করছে। এমতাবস্থায় মেয়র প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য সিন্ডিকেটদের কঠোরভাবে দমন-বদলি, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ কিছু অত্যাবশ্যকীয় বিধি-নিষেধ আরোপ করেন। ফলে সিটি কর্পোরেশনে সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সুনাম বৃদ্ধি পায়।
- 33.
জমিদার আবুল হাসান মৃত্যুর আগে তার বিদূষী ও বুদ্ধিমতী কন্যা হাসনা বানুকে তার বিশাল জমিদারির উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন। কিন্তু আপনজনদের নানামুখী বিরোধিতার সম্মুখীন হয়ে তাকে জমিদারি হারাতে হয়। তবে শত্রুদের হাতে তার ভাইয়ের মৃত্যুর পর পুনরায় তিনি জমিদারি ফিরে পান। সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও নারী হওয়ার কারণে তিনি নানা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে কাঙ্ক্ষিত সফলতার পরিচয় দিতে পারেননি।
- 34.
আলভী গার্মেন্টস এর কর্ণধার কাদের চৌধুরী তার অথীনে কর্মচারীদের নিয়োগ বিধি মোতাবেক প্রাপ্য মজুরি বোনাস, ম্যাম্যসম্মত পরিবেশ ইত্যাদি সুবিসা বসা প্রদানে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত করে আসছিল এতে বিষ্ণুপ কর্মচারীর একত্রিত হয়ে দাবি আদায়ে শ্রমিক সংঘ গড়ে তোলে এবং বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করে চরে আন্দোলনের চাপে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের দাবি মেনে নেওয়া হলেও পরবা বিবর্তী দিভিন্ন অজুহাত ও কৌশালে মালিক তাদের ঐক্য ভেঙে দেয় এবং কঠোর সিসান্তদের মাধ্যমে একজর কর্তৃত্ব স্থাপন করে।
- 35.
বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলের জনগণের চেয়ে পূর্বাঞ্চলের জনগণ অনুন্নত ও অবহেলিত ছিল। পশ্চিমাঞ্চলের শাসকগোষ্ঠীর বৈরী মনোভাব আর পূর্বাঞ্চলের জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নের উদ্দেশ্যে পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানি নামে দুটি পৃথক রাষ্ট্র জন্ম লাভ করে। এ বিভক্তির ফলে উভয় দেশের জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। জনগণের একটি অংশ এ বিভক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। অবশেষে প্রবল আন্দোলনের মুখে দুই জার্মানিকে পুনরায় একত্রীকরণ করা হয়।
- 36.
সীমাহীন বৈষম্য, অত্যাচার ও নিপীড়নের কারণে ভিয়েতনামের দুই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বিশাল অসমতা তৈরি হয়। এর ফলে গত শতাব্দীর মাঝামাঝিতে ভিয়েতনামের দুই অংশের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধের এক পর্যায়ে দক্ষিণ ভিয়েতনামের একজন সামরিক কর্মকর্তার নির্দেশে উত্তর ভিয়েতনামের একটি অংশে মানবতাবিরোধী ঘৃণ্য ও বর্বর হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। এতে বহু নিরাপরাধ ও নিরস্ত্র নারী-পুরুষ এবং শিশুদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডটি তাদেরকে বিশ্ববাসীর ঘৃণার পাত্রে পরিণত করে। অবশেষে একটি চুক্তির মাধ্যমে এ যুদ্ধের অবসান হয়।
- 37.
ফাতেমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সামাজিক বিজ্ঞানের এমন একটি বিষয় নিয়ে অধ্যয়ন করছে যে বিষয়টি বৈজ্ঞানিক জ্ঞান, ব্যবহারিক দক্ষতা ও সুনির্দিষ্ট মূল্যবোধ ভিত্তিক এমন একটি পেশা যা কতগুলো পদ্ধতির মাধ্যমে সামাজিক সমস্যার বিজ্ঞানসম্মত সমাধান দিতে সক্ষম।
- 38.
১৭৬০ সাল হতে ১৮৫০ সালের মধ্যে প্রথমে ইংল্যান্ডে, পরবর্তীতে ইউরোপ ও পৃথিবীর অন্যান্য দেশে উৎপাদন, প্রযুক্তি, যাতায়াত ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে আমূলপরিবর্তন সূচিত হয়। এ পরিবর্তনের ফলে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পেলেও মানবজীবনে নতুন নতুন জটিল সমস্যার সৃষ্টি হয়। আর এ সমস্যা মোকাবিলায়বিজ্ঞানসম্মত উপায় হিসেবে একটি সুনিদিষ্ট পদ্ধতির উদ্ভব হয়।
- 39.

- 40.
মার্টিন গ্রামের রহিমার ২২ বছর বয়সে স্বামী মারা যায়। সামাজিক কুসংস্কার ও নানাবিধ প্রতিবন্ধকতার কারণে তার পুনরায় বিবাহ হচ্ছিল না। রহিমার বয়স যখন ৩০ বছর তখন গ্রামের আব্দুর রব মাস্টার নামে এক শিক্ষিত ও ধনাঢ্য ব্যক্তি তার ৩০ বছরের ছেলে গিয়াসকে বিধবা রহিমাকে বিবাহ করান। এতে বাবা, ছেলে ও রহিমা খুশি থাকলেও তাদেরকে সামাজিকভাবে অনেক নিন্দুকের কথা শুনতে হয়।
- 41.

- 42.
মুন্নার বয়স ১৪ বছর। সে সমবয়সীদের সাথে ক্লাসে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে অক্ষম হওয়ায় এবং বাড়িতে অস্বাভাবিক আচরণ করায় তাকে তার বাবা একজন মানসিক ডাক্তার দেখান। ডাক্তার বলেছেন মুন্নার বয়সের তুলনায় বুদ্ধি কম। তাই তাকে বিশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে এবং চিকিৎসা করাতে হবে। মুন্নার বাবা মুন্নাকে একটি বিশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করান। সেখানে একজন সমাজকর্মী মুন্নাকে স্বাভাবিক আচরণ করতে ও পড়াশোনা করতে সাহায্য করেন।
- 43.
লক্ষ্মীপুর গ্রামের বেশিরভাগ জনগণ অসচেতন, অসংগঠিত ও দরিদ্র। গ্রামের একজন উচ্চশিক্ষিত যুবক আসির গ্রামের কয়েকজন যুবককে একত্রিত করে একটি সমবায় সমিতি গঠন করেন এবং সদস্যদের চাঁদা, অনুদান সরকারি আর্থিক ও কারিগরি সাহায্য নিয়ে সমবায় পদ্ধতিতে চাষাবাদ, হাঁস, মুরগি পালন, সেলাই প্রশিক্ষণ, শিক্ষা কার্যক্রম প্রভৃতি কর্মসূচি চালু করেন এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত ও স্বাবলম্বী করতে প্রচেষ্টা চালান।
- 44.
১৬ বছরের মেয়ে টুপুর নাচ-গান করতে গিয়ে সঙ্গদোষে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। ১৯ বছর বয়সে বিয়ে দেওয়ার পরও সে মাদক ছাড়েনি। মাদকদ্রব্য ক্রয়ের জন্য মা-বাবাকে ও তার স্বামীকে নিষীতন করে। তার মা-বাবা ও স্বামী তাকে একটি পেশাদার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করিয়ে দেয়। সেখানে একজন সমাজকর্মীর তত্ত্বাবধান ও কাউন্সিলিং থেকে টুপুর চিকিৎসা নিচ্ছে। সমাজকর্মী টুপুরকে সমাজকর্মের পদ্ধতি ও কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে সহায়তা করছেন।
- 45.
'ক' রাষ্ট্র | 'খ' রাষ্ট্র
১. ১৯৩৬ সালে ক্লিফোর্ডের সহায়তায় সমাজকর্ম শুরু। | ১. ১৯২০ সালে সমাজকর্ম বিকাশ শুরু হয়।
২. বর্তমানে অর্ধশত বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজকর্ম শিক্ষা চালু রয়েছে। | ২. বর্তমানে সমাজকর্মের একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় চালু রয়েছে।
৩. উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে গ্রামীণ সমাজকর্মের বিকাশ হয়েছে। | ৩. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির প্রেক্ষাপটে সমাজকর্ম শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা তীব্রতর হয়।
৪. মূলত স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পেশাগত শিক্ষার পাঠ্যক্রম প্রণয়নে আমেরিকার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। | ৪. আমেরিকার পাশাপাশি বৌদ্ধধর্ম ও কনফুসিয়ানিজম দর্শনের প্রভাবে, সমস্যা সমাধান, জীবন মান বৃদ্ধির জন্য পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা হয়।
৫. বৃহত্তর উন্নয়ন ইস্যুতে সমাজকর্ম পেশাকে এখনো তুলনামূলক কম গুরুত্ব প্রদান করা হয়। | ৫. সমাজকর্ম পেশাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং নতুন সমাজকর্মীগণ সরকার কর্তৃক পেশাগত সার্টিফিকেট লাভ করেন। - 46.
মাহি নবম শ্রেণির ছাত্রী। অষ্টম শ্রেণির ফাইনাল পরীক্ষায় সে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছিল। কিন্তু নবম শ্রেণিতে তার পরীক্ষার ফলাফলে বিপর্যয় ঘটেছে। শিক্ষক বিষয়টি অনুধাবন করে মাহির বাবাকে বললে তিনি একটি সমাজসেবা এজেন্সির কর্মকর্তার শরণাপন্ন হন। কর্মকর্তা সমস্যাটি চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে উদ্যোগী হন।
- 47.
কালাম কৃষিকাজ করে। সে আঠারো বছর বয়সে চৌদ্দ বছরের সেলিনাকে বিয়ে করে। বিয়ের দুই বছরের মধ্যে তাদের একটি কন্যা সন্তান হয়। এরপরও তারা একটি পুত্র সন্তানের প্রত্যাশায় পরপর পাঁচটি কন্যা সন্তান জন্ম দেন।
- 48.
ইউসুফ ও উমা ভালো বন্ধু। পারিবারিক ও সামাজিক স্বীকৃতির মাধ্যমে উভয়ের মধ্যে সামাজিক বন্ধন স্থাপিত হয়। তাদের মধ্যকার এ সামাজিক বন্ধনই সাধারণত স্থায়ীভাবে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
- 49.
শিশুদের অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ সরকার সচেষ্ট। এ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে একটি আইন প্রণয়ন করে যা শিশুদের লালন-পালন, রক্ষণাবেক্ষণ ও তাদের সাথে ব্যবহার এবং শিশু অপরাধীদের বিচার ও শান্তি সম্পর্কিত বিষয়ের সাথে জড়িত।
- 50.
তলিয়া ভার বাবা-মায়ের সাথে শহরে বস্তি এলাকায় বসবাস করে। সেখানে পরিবেশ অত্যন্ত নোংরা। বিশুদ্ধ পানীয় জলের অভাব, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নানারকম রোগবালাই লেগেই থাকে। বস্তির অধিকাংশ দম্পতিরই অনেক সন্তান।